সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু Logo হাম হলে শিশুকে যেসব খাবার খাওয়াবেন Logo ২২০০ পিঁপড়া পাচার চেষ্টায় চীনা নাগরিকের এক বছরের জেল Logo চট্টগ্রামে নিজেই হাসপাতালে এসে ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা নিলো কাক! Logo বাংলাদেশে প্রতি তিন শিশুর মধ্যে এক জন মারাত্মকভাবে জলবায়ু ঝুঁকির মুখে Logo এপ্রিল এখন পর্যন্ত সহনীয়, দেশে এবছরের গ্রীষ্ম কম ভোগাবে আশা আবহাওয়াবিদের   Logo আজ স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo ‘ধান খাওয়ায়’ মেরে ফেলা হলো বাবুই পাখির ২৯ বাচ্চা, এক জনের কারাদণ্ড Logo পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া Logo জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক জাকারিয়া পিন্টু মারা গেছেন!

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের জাকারিয়া পিন্টু মারা গেছেন!

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক জাকারিয়া পিন্টু মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

সোমবার (১৮ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার পর রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) জাকারিয়া পিন্টুর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।

তারা জানায়, হার্ট, কিডনি ও লিভারের সমস্যা নিয়ে কদিন ধরেই ভুগছিলেন পিন্টু। রোববার অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে নেওয়া হয়। সেখানেই আজ তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এক শোক বার্তায় বাফুফে জানিয়েছে, জাকারিয়া পিন্টুর মৃত্যুতে বাফুফে গভীরভাবে শোকাহত। পিন্টু ছিলেন গর্বিত মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে এবং ফুটবলে তার অবদান অনস্বীকার্য।

বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালীন ফুটবলের জাদু দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত তৈরির কাজ করেছিল ‘স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল’। সেই দলের অকুতোভয় অধিনায়ক ছিলেন জাকারিয়া পিন্টু। সে সময় তার নেতৃত্বে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল ভারতের নদীয়াসহ বিভিন্ন রাজ্য ও জেলায় ১৬টি ম্যাচে অংশ নিয়ে ১২টিতে জিতেছিল। ওই ম্যাচগুলো খেলে যে অর্থ সংগ্রহ হয়েছিল, তা তৎকালীন মুক্তিযুদ্ধ তহবিলে দিয়েছিলেন তারা।

পরে ১৯৭২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা স্টেডিয়ামে রাষ্ট্রপতি একাদশ ও মুজিবনগর একাদশের মধ্যে প্রথম ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। সেই ম্যাচে মুজিবনগর একাদশের অধিনায়ক ছিলেন এই ডিফেন্ডার। এ ছাড়া বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের প্রথম অধিনায়কও ছিলেন তিনি।

এরপর ১৯৭৩ সালে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত ১৯তম মারদেকা ফুটবলে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেন পিন্টু। খেলোয়াড়ি জীবন শেষে সংগঠকও ছিলেন তিনি। ঐতিহ্যবাহী মোহামেডানের পরিচালক পদেও কাজ করেছেন সাবেক এই তারকা ফুটবলার।

১৯৪৩ সালে অবিভক্ত ভারতবর্ষের নওগাঁয় জন্ম নেওয়া এই ফুটবলার বাংলাদেশ সরকার থেকে ১৯৯৫ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হন।

 

আপলোডকারীর তথ্য

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক জাকারিয়া পিন্টু মারা গেছেন!

আপডেট সময় ০৩:১৩:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৪

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক জাকারিয়া পিন্টু মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

সোমবার (১৮ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার পর রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) জাকারিয়া পিন্টুর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।

তারা জানায়, হার্ট, কিডনি ও লিভারের সমস্যা নিয়ে কদিন ধরেই ভুগছিলেন পিন্টু। রোববার অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে নেওয়া হয়। সেখানেই আজ তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এক শোক বার্তায় বাফুফে জানিয়েছে, জাকারিয়া পিন্টুর মৃত্যুতে বাফুফে গভীরভাবে শোকাহত। পিন্টু ছিলেন গর্বিত মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে এবং ফুটবলে তার অবদান অনস্বীকার্য।

বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালীন ফুটবলের জাদু দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত তৈরির কাজ করেছিল ‘স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল’। সেই দলের অকুতোভয় অধিনায়ক ছিলেন জাকারিয়া পিন্টু। সে সময় তার নেতৃত্বে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল ভারতের নদীয়াসহ বিভিন্ন রাজ্য ও জেলায় ১৬টি ম্যাচে অংশ নিয়ে ১২টিতে জিতেছিল। ওই ম্যাচগুলো খেলে যে অর্থ সংগ্রহ হয়েছিল, তা তৎকালীন মুক্তিযুদ্ধ তহবিলে দিয়েছিলেন তারা।

পরে ১৯৭২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা স্টেডিয়ামে রাষ্ট্রপতি একাদশ ও মুজিবনগর একাদশের মধ্যে প্রথম ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। সেই ম্যাচে মুজিবনগর একাদশের অধিনায়ক ছিলেন এই ডিফেন্ডার। এ ছাড়া বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের প্রথম অধিনায়কও ছিলেন তিনি।

এরপর ১৯৭৩ সালে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত ১৯তম মারদেকা ফুটবলে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেন পিন্টু। খেলোয়াড়ি জীবন শেষে সংগঠকও ছিলেন তিনি। ঐতিহ্যবাহী মোহামেডানের পরিচালক পদেও কাজ করেছেন সাবেক এই তারকা ফুটবলার।

১৯৪৩ সালে অবিভক্ত ভারতবর্ষের নওগাঁয় জন্ম নেওয়া এই ফুটবলার বাংলাদেশ সরকার থেকে ১৯৯৫ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হন।