বৃষ্টিতে আবর্জনার স্তূপ ধসে ২১ জনের প্রাণহানি

বৃষ্টিতে আবর্জনার স্তূপ ধসে ২১ জনের প্রাণহানি

ভারি বর্ষণে  আবর্জনার স্তূপ ধসে ২১ জনের প্রাণহানি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে আফ্রিকার দেশ উগান্ডার রাজধানী কাম্পালায়। শুক্রবার (৯ আগস্ট) রাতে ভারি বৃষ্টির মধ্যে আবর্জনার বিশাল স্তূপ ধসে পড়ে। এতে আশপাশের কয়েকটি বাড়ি চাপা পড়ে। এরপর শুরু হওয়া উদ্ধারকাজে প্রথমে মৃতের সংখ্যা ৮ জন জানালেও পরে আরও মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকাজ চলছে।

আনুমানিক ৪০ লাখ লোকের বসবাস কাম্পালায়। কিতেজি নামে পরিচিত আবর্জনার স্তূপটি রাজধানীর বর্জ্য ফেলার একমাত্র জায়গা। বহু বছর ধরে সেখানে বর্জ্য ফেলায় আবর্জনার সুউচ্চ স্তূপ গড়ে উঠেছিল।

টানা ২ দিনের বৃষ্টিপাতে গত শুক্রবার ধসে পড়ে আবর্জনার ওই পাহাড়সম স্তূপ। এতে চাপা পড়ে নিকটবর্তী এলাকার বহু ঘর-বাড়ি’সহ গবাদি পশু। ঘুমন্ত অবস্থায় মৃত্যু হয় অনেক বাসিন্দার। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনার তিন দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো নিখোঁজের সংখ্যা অগণিত। বিগত কয়েকদিন ধরে উদ্ধারকর্মীরা ধসের নিচ থেকে বের করে আনছেন মরদেহ।

স্থানীয় পুলিশের মুখপাত্র প্যাট্রিক অনইয়াঙ্গো বলেন, কেউ আটকা পড়েছে কিনা, তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চলবে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, আরও অনেকে আটকা পড়ে থাকতে পারে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত

বৃষ্টিতে আবর্জনার স্তূপ ধসে ২১ জনের প্রাণহানি

আপডেট সময় ১২:৩১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অগাস্ট ২০২৪

ভারি বর্ষণে  আবর্জনার স্তূপ ধসে ২১ জনের প্রাণহানি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে আফ্রিকার দেশ উগান্ডার রাজধানী কাম্পালায়। শুক্রবার (৯ আগস্ট) রাতে ভারি বৃষ্টির মধ্যে আবর্জনার বিশাল স্তূপ ধসে পড়ে। এতে আশপাশের কয়েকটি বাড়ি চাপা পড়ে। এরপর শুরু হওয়া উদ্ধারকাজে প্রথমে মৃতের সংখ্যা ৮ জন জানালেও পরে আরও মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকাজ চলছে।

আনুমানিক ৪০ লাখ লোকের বসবাস কাম্পালায়। কিতেজি নামে পরিচিত আবর্জনার স্তূপটি রাজধানীর বর্জ্য ফেলার একমাত্র জায়গা। বহু বছর ধরে সেখানে বর্জ্য ফেলায় আবর্জনার সুউচ্চ স্তূপ গড়ে উঠেছিল।

টানা ২ দিনের বৃষ্টিপাতে গত শুক্রবার ধসে পড়ে আবর্জনার ওই পাহাড়সম স্তূপ। এতে চাপা পড়ে নিকটবর্তী এলাকার বহু ঘর-বাড়ি’সহ গবাদি পশু। ঘুমন্ত অবস্থায় মৃত্যু হয় অনেক বাসিন্দার। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনার তিন দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো নিখোঁজের সংখ্যা অগণিত। বিগত কয়েকদিন ধরে উদ্ধারকর্মীরা ধসের নিচ থেকে বের করে আনছেন মরদেহ।

স্থানীয় পুলিশের মুখপাত্র প্যাট্রিক অনইয়াঙ্গো বলেন, কেউ আটকা পড়েছে কিনা, তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চলবে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, আরও অনেকে আটকা পড়ে থাকতে পারে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।