ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার পর ইরানের প্রতিরক্ষা ও প্রতিশোধের ভরসা হয়ে উঠেছিলেন দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান আলি লারিজানি। এবার তাঁকেও হত্যা করেছে ইসরায়েল। তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করলো ইরান।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে তার ওপর হামলা চালায় ইসরায়েল। এরপর তারাই প্রথম তার মৃত্যুর তথ্য জানায়। এর প্রায় একদিন পর বাংলাদেশ সময় বুধবার রাত প্রায় ৩টার দিকে ইরান নিশ্চত করে লারিজানি নিহত হয়েছেন।
নিরাপত্তা কাউন্সিল তার মৃত্যুর ব্যাপারে একটি বিবৃতি দিয়েছে। যা প্রকাশ করেছে ইরানি বার্তাসংস্থা মেহের নিউজ।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “”ইরান এবং ইসলামি বিপ্লবের আদর্শকে সমুন্নত রাখার আমৃত্যু সংগ্রাম শেষে, অবশেষে আলি লারিজানি তার দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন পূরণ করলেন। সত্যের ডাকে সাড়া দিয়ে, দেশ ও জাতির সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে তিনি লাভ করলেন শাহাদাতের পরম গৌরব।”
কার্যত খামেনির পর ডি ফ্যাক্টো সুপ্রিম লিডারে পরিণত হন লারিজানি। তার কমান্ডেই ইরান যুদ্ধ পরিচালনা করছিল। জানা যায়, খামেনি প্রাণ হারানোর আগে বলে গিয়েছিলেন, তার মৃত্যু হলে দায়িত্ব পালন করবেন লারিজানি।
এদিকে ইরানের বাসিজ বাহিনীর কমান্ডার গোলামরেজা সোলাইমানির মৃত্যুর খবরও নিশ্চিত করা হয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এ খবর নিশ্চিত করেছে।

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, সোলাইমানি আমেরিকান-জায়নিস্ট শত্রুদের হামলায় নিহত হয়েছেন।
সোলাইমানিকে একজন ‘গৌরবময় সেনাপতি’ বলে অভিহিত করে দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবফ বলেছেন, তিনি “মানবতার সবচেয়ে জঘন্য শত্রুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে শাহাদাত বরণ করেছেন”।
এর আগে পৃথক হামলায় সোলাইমানিকে হত্যার দাবি করেছিল ইসরায়েলি বাহিনী।
প্রকৃতিবার্তা ডেস্ক 



















