দায়সারা ঘোষণায় শেষ হলো এবছরের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন

কপ ২৯: অসচ্ছল দেশগুলোকে বছরে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি দিল ধনীরা

কপ ২৯: অসচ্ছল দেশগুলোকে বছরে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি দিল ধনীরা

অবশেষে দীর্ঘ দর-কষাকষির পর সমঝোতায় পৌঁছালো কপ ২৯। জলুবায়ু সংকট মোকাবিলায় অপেক্ষাকৃত দরিদ্র-অসচ্ছিল দেশগুলোকে প্রতি বছর ৩০০ বিলিয়ন (৩০ হাজার কোটি) ডলার দেবে পরিবেশ দূষণকারী ধনী দেশগুলো। চূড়ান্ত চুক্তি অনুযায়ী, ২০৩৫ সাল পর্যন্ত অপেক্ষাকৃত দরিদ্র দেশগুলোকে প্রতিবছর এই পরিমাণ ডলার দেবে উন্নত দেশগুলো। জলবায়ু তহবিলে জমা দেওয়া এই অর্থ ভুক্তভোগী দেশগুলোর অর্থনীতিকে আরও পরিবেশবান্ধব করতে এবং দেশগুলোয় জলবায়ু সংকটের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় খরচ করা হবে। বর্তমানে এই তহবিলে প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন ডলার জমা দিচ্ছে ধনী দেশগুলো।

বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনের শেষদিন শনিবার এই রেকর্ড অর্থায়নের চুক্তির বিষয়ে বিশ্বের প্রায় ২০০ দেশের প্রতিনিধিরা ঐকমত্যে পৌঁছান।

এবারের জলবায়ু সম্মেলন শেষ হওয়ার কথা ছিল শুক্রবার। কিন্তু জলবায়ু তহবিলে অর্থায়ন নিয়ে সমঝোতা না হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের পরও টানা ৩৩ ঘণ্টা দর কষাকষি চলে। এক পর্যায়ে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ারও উপক্রম হয়।

জাতিসংঘের এ জলবায়ু বিষয়ক সংস্থার প্রধান সাইমন স্টিয়েল বলেন, “এটা ছিল কঠিন এক যাত্রা। তবে শেষ পর্যন্ত আমরা একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে পেরেছি।”

তবে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বন্ধের বিষয়ে গতবারের জলবায়ু সম্মেলনের আহ্বানের ওপর ভিত্তি করে নতুন কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে বাকুর কপ২৯।

বর্তমানে ধনী দেশগুলো প্রতিবছর জলবায়ু তহবিলে ১০০ বিলিয়ন ডলার দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গত শুক্রবার খসড়া চুক্তিতে তা বাড়িয়ে ২৫০ বিলিয়ন ডলার করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর দাবি ছিল তাদের জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি পোষাতে বছরে ১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন (১ লাখ ৩০ হাজার কোটি) ডলার দিতে হবে।

এই নিয়ে চলছিল শেষ পর্যায়ের দরকষাকষি। বিশ্বব্যাপী জলবায়ু সংকট মোকাবিলায়  প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান না হওয়াকে দীর্ঘমেয়াদে হতাশাব্যঞ্জক বলেন প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু।

কপ ২৯ এর নির্ধারিত শেষ দিনে খসড়া নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান

সময় বাড়ানোর আগে অর্থাৎ  শেষ দিন বাকুতে কপ ২৯ এর ভেন্যু থেকে বাংলাদেশের এই পরিবেশকর্মী বলেন ,’ স্বল্পোন্নত-উন্নয়নশীল দেশগুলোর পক্ষ থেকে কয়েকটি জোরালো দাবি ছিল এই সম্মেলনে। এর মধ্যে জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় ঋণের বদলে অনুদান, লস এন্ড ড্যামেজ ফান্ড বাস্তবায়ন, জলবায়ু ন্যায্যতার মতো বিষয়গুলো ছিল। দাবি ছিল ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি কিন্তু ধনী দেশগুলো কপ ২৯ এর খসড়া চুকিতে ২৫০ বিলিয়ন বলায় আশাহত হয়েছিলাম। এখন সেটা বড়জোর ৩০০ থেকে ৫০০ বিলিয়নে যেতে পারে। সব মিলিয়ে কপ ২৯ এ প্রত্যাশার চেয়ে প্রাপ্তি অনেক কম, তবে একেবারেই প্রাপ্তি শূন্য নয়।’

এদিকে ধনী দেশগুলো টাকা বাড়াতে রাজি না হওয়ায় শনিবার বিকালে নাটকীয়ভাবে সম্মেলন বর্জনের ঘোষণা দেয় উন্নয়নশীল এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বেশি ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলো। তবে পরে তারা আবার আলোচনায় ফেরে। অবশেষে বছরে ৩০০ বিলিয়ন ডলার দিতে রাজি হয় ধনী দেশগুলো।

বিবিসিকে ছোট দ্বীপ রাষ্ট্র জোটের চেয়ার সেড্রিক শুস্টার বলেন, “আমি যখন বলি যে আমাদের দ্বীপগুলো ডুবে যাচ্ছে, তখন আমি একটুও বাড়িয়ে বলি না! আপনি কীভাবে আশা করেন যে বাজে একটা চুক্তি নিয়ে আমি আমার দেশের নারী, পুরুষ আর শিশুদের কাছে ফিরে যাব?”

সম্মেলনে যোগ দেওয়া বাংলাদেশের অন্তবর্তীকালীন সরকারের পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ২৫০ বিলিয়ন ডলারের খসড়া প্রস্তাবকে হতাশাজনক বলে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেন। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলোর তীব্র হতাশায় সম্মেলন ওয়াক আউটের মতো পরিস্থিতিতে পড়ে।

সম্মেলনের ওই অচলঅবস্থা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত স্থানীয় সময় রোববার ভোর ৩টায় কিছু পরিবর্তন এনে চুক্তি অনুমোদন করা হয়। বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা চিৎকার করে এই চুক্তিকে স্বাগত জানান। কিন্তু ভারতের প্রতিনিধির তীব্র ক্ষোভের ভাষা বুঝিয়ে দেয়, এই চুক্তিতেও তারা সন্তুষ্ট নয়।

৩০০ বিলিয়ন ডলারের ওই অংকে ‘অতি নগণ্য’ আখ্যায়িত করে ভারতের প্রতিনিধি লীলা নন্দন বলেন, “এটা আমরা মেনে নিতে পারি না,যে লক্ষ্য আমলা ঠিক করলাম, তাতে আমরা কোনোভাবেই সমাধানে পৌঁছাতে পারব না। বাঁচতে হলে আমাদের যা করা দরকার, তার ধারে-কাছেও এ চুক্তি যায়নি।”

সুইজারল্যান্ড, মালদ্বীপ, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশ প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে, জীবাশ্ম জ্বালানির বৈশ্বিক ব্যবহার কমানোর বিষয়ে যে ভাষা চুক্তিতে ব্যবহার করা হয়েছে, তা এাকেবারেই দুর্বল।

শেষ পর্যন্ত ঠিক হয়, জীবাশ্ম জ্বালানির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে ২০২৫ সালে পরবর্তী জলবায়ু সম্মেলনে।

কপ ২৯ এর চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন সম্মেলনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি ওপকে হোয়েকস্ট্রা। তিনি বলেন, জলবায়ু অর্থায়নের নতুন যুগের সূচনা হিসেবে কপ ২৯ সম্মেলনকে বিশ্ব স্মরণে রাখবে।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

তামিমকে নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে দেখতে চান সাকিব আল হাসান

দায়সারা ঘোষণায় শেষ হলো এবছরের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন

কপ ২৯: অসচ্ছল দেশগুলোকে বছরে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি দিল ধনীরা

আপডেট সময় ০১:০৯:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৪

অবশেষে দীর্ঘ দর-কষাকষির পর সমঝোতায় পৌঁছালো কপ ২৯। জলুবায়ু সংকট মোকাবিলায় অপেক্ষাকৃত দরিদ্র-অসচ্ছিল দেশগুলোকে প্রতি বছর ৩০০ বিলিয়ন (৩০ হাজার কোটি) ডলার দেবে পরিবেশ দূষণকারী ধনী দেশগুলো। চূড়ান্ত চুক্তি অনুযায়ী, ২০৩৫ সাল পর্যন্ত অপেক্ষাকৃত দরিদ্র দেশগুলোকে প্রতিবছর এই পরিমাণ ডলার দেবে উন্নত দেশগুলো। জলবায়ু তহবিলে জমা দেওয়া এই অর্থ ভুক্তভোগী দেশগুলোর অর্থনীতিকে আরও পরিবেশবান্ধব করতে এবং দেশগুলোয় জলবায়ু সংকটের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় খরচ করা হবে। বর্তমানে এই তহবিলে প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন ডলার জমা দিচ্ছে ধনী দেশগুলো।

বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনের শেষদিন শনিবার এই রেকর্ড অর্থায়নের চুক্তির বিষয়ে বিশ্বের প্রায় ২০০ দেশের প্রতিনিধিরা ঐকমত্যে পৌঁছান।

এবারের জলবায়ু সম্মেলন শেষ হওয়ার কথা ছিল শুক্রবার। কিন্তু জলবায়ু তহবিলে অর্থায়ন নিয়ে সমঝোতা না হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের পরও টানা ৩৩ ঘণ্টা দর কষাকষি চলে। এক পর্যায়ে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ারও উপক্রম হয়।

জাতিসংঘের এ জলবায়ু বিষয়ক সংস্থার প্রধান সাইমন স্টিয়েল বলেন, “এটা ছিল কঠিন এক যাত্রা। তবে শেষ পর্যন্ত আমরা একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে পেরেছি।”

তবে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বন্ধের বিষয়ে গতবারের জলবায়ু সম্মেলনের আহ্বানের ওপর ভিত্তি করে নতুন কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে বাকুর কপ২৯।

বর্তমানে ধনী দেশগুলো প্রতিবছর জলবায়ু তহবিলে ১০০ বিলিয়ন ডলার দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গত শুক্রবার খসড়া চুক্তিতে তা বাড়িয়ে ২৫০ বিলিয়ন ডলার করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর দাবি ছিল তাদের জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি পোষাতে বছরে ১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন (১ লাখ ৩০ হাজার কোটি) ডলার দিতে হবে।

এই নিয়ে চলছিল শেষ পর্যায়ের দরকষাকষি। বিশ্বব্যাপী জলবায়ু সংকট মোকাবিলায়  প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান না হওয়াকে দীর্ঘমেয়াদে হতাশাব্যঞ্জক বলেন প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু।

কপ ২৯ এর নির্ধারিত শেষ দিনে খসড়া নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান

সময় বাড়ানোর আগে অর্থাৎ  শেষ দিন বাকুতে কপ ২৯ এর ভেন্যু থেকে বাংলাদেশের এই পরিবেশকর্মী বলেন ,’ স্বল্পোন্নত-উন্নয়নশীল দেশগুলোর পক্ষ থেকে কয়েকটি জোরালো দাবি ছিল এই সম্মেলনে। এর মধ্যে জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় ঋণের বদলে অনুদান, লস এন্ড ড্যামেজ ফান্ড বাস্তবায়ন, জলবায়ু ন্যায্যতার মতো বিষয়গুলো ছিল। দাবি ছিল ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি কিন্তু ধনী দেশগুলো কপ ২৯ এর খসড়া চুকিতে ২৫০ বিলিয়ন বলায় আশাহত হয়েছিলাম। এখন সেটা বড়জোর ৩০০ থেকে ৫০০ বিলিয়নে যেতে পারে। সব মিলিয়ে কপ ২৯ এ প্রত্যাশার চেয়ে প্রাপ্তি অনেক কম, তবে একেবারেই প্রাপ্তি শূন্য নয়।’

এদিকে ধনী দেশগুলো টাকা বাড়াতে রাজি না হওয়ায় শনিবার বিকালে নাটকীয়ভাবে সম্মেলন বর্জনের ঘোষণা দেয় উন্নয়নশীল এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বেশি ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলো। তবে পরে তারা আবার আলোচনায় ফেরে। অবশেষে বছরে ৩০০ বিলিয়ন ডলার দিতে রাজি হয় ধনী দেশগুলো।

বিবিসিকে ছোট দ্বীপ রাষ্ট্র জোটের চেয়ার সেড্রিক শুস্টার বলেন, “আমি যখন বলি যে আমাদের দ্বীপগুলো ডুবে যাচ্ছে, তখন আমি একটুও বাড়িয়ে বলি না! আপনি কীভাবে আশা করেন যে বাজে একটা চুক্তি নিয়ে আমি আমার দেশের নারী, পুরুষ আর শিশুদের কাছে ফিরে যাব?”

সম্মেলনে যোগ দেওয়া বাংলাদেশের অন্তবর্তীকালীন সরকারের পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ২৫০ বিলিয়ন ডলারের খসড়া প্রস্তাবকে হতাশাজনক বলে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেন। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলোর তীব্র হতাশায় সম্মেলন ওয়াক আউটের মতো পরিস্থিতিতে পড়ে।

সম্মেলনের ওই অচলঅবস্থা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত স্থানীয় সময় রোববার ভোর ৩টায় কিছু পরিবর্তন এনে চুক্তি অনুমোদন করা হয়। বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা চিৎকার করে এই চুক্তিকে স্বাগত জানান। কিন্তু ভারতের প্রতিনিধির তীব্র ক্ষোভের ভাষা বুঝিয়ে দেয়, এই চুক্তিতেও তারা সন্তুষ্ট নয়।

৩০০ বিলিয়ন ডলারের ওই অংকে ‘অতি নগণ্য’ আখ্যায়িত করে ভারতের প্রতিনিধি লীলা নন্দন বলেন, “এটা আমরা মেনে নিতে পারি না,যে লক্ষ্য আমলা ঠিক করলাম, তাতে আমরা কোনোভাবেই সমাধানে পৌঁছাতে পারব না। বাঁচতে হলে আমাদের যা করা দরকার, তার ধারে-কাছেও এ চুক্তি যায়নি।”

সুইজারল্যান্ড, মালদ্বীপ, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশ প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে, জীবাশ্ম জ্বালানির বৈশ্বিক ব্যবহার কমানোর বিষয়ে যে ভাষা চুক্তিতে ব্যবহার করা হয়েছে, তা এাকেবারেই দুর্বল।

শেষ পর্যন্ত ঠিক হয়, জীবাশ্ম জ্বালানির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে ২০২৫ সালে পরবর্তী জলবায়ু সম্মেলনে।

কপ ২৯ এর চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন সম্মেলনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি ওপকে হোয়েকস্ট্রা। তিনি বলেন, জলবায়ু অর্থায়নের নতুন যুগের সূচনা হিসেবে কপ ২৯ সম্মেলনকে বিশ্ব স্মরণে রাখবে।