গন্ধগোকুলটি উদ্ধার হলো মানুষের মমতায়  

গন্ধগোকুলটি উদ্ধার হলো মানুষের মমতায়  

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে একটি গন্ধগোকুল উদ্ধার করা হয়েছে। বিপন্ন প্রাণীটি আহত হয়ে পড়ে ছিল, খবর পেয়ে একে উদ্ধার করেছে বন বিভাগ।

স্থানীয়রা সংবাদমাধ্যম সিলেট ভিউ টোয়েন্টফোরের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,  বুধবার (২২ জানুয়ারি) শ্রীমঙ্গলের চা গবেষণা কেন্দ্র (বিটিআরআই) স্কুলের মাঠে বৈদ্যুতিক তারে শক লেগে মাটিতে ছটফট করতে থাকে গন্ধগোকুলটি। পরে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান মোসাব্বির মিয়ার ছেলে শিপন মিয়া বন বিভাগকে বিষয়টি জানান। এরপর ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত এ প্রাণীটিকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয় এবং বন বিভাগের জিম্মায় নেয়া হয়।

এ প্রজাতির গন্ধগোকুলকে এশীয় ‘তাল খাটাশ’ বলা হয়। এর ইংরেজি নাম Asian palm civet। এরা নিশাচর এবং স্তন্যপায়ী প্রাণী। এদের রয়েছে লম্বা লেজ। মাথা থেকে লেজের দৈর্ঘ্য আকৃতিভেদে প্রায় ৯৯ থেকে ১১২ সেন্টিমিটার।

গন্ধগোকুল দিনের বেলা লোকালয়ের ঝোঁপঝাড়ে কিংবা পুরাতন ঘরবাড়ির ওপরে বা পুরানো গাছপালা এবং বনজঙ্গলে আত্মগোপন করে থাকে। সন্ধ্যা নেমে এলেই খাদ্যের সন্ধানে বের হয়।  জনবসতির আশপাশ থেকে ঝোঁপঝাড়, বনজঙ্গল উজার হওয়ার এদের অস্তিত্ব মারাত্মক হুমকির মুখে।

আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন), বাংলাদেশের তালিকায় গন্ধগোকুল ‘বিপন্ন’  প্রাণী হিসেবে লাল তালিকাভুক্ত।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত

গন্ধগোকুলটি উদ্ধার হলো মানুষের মমতায়  

আপডেট সময় ০৬:২৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৫

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে একটি গন্ধগোকুল উদ্ধার করা হয়েছে। বিপন্ন প্রাণীটি আহত হয়ে পড়ে ছিল, খবর পেয়ে একে উদ্ধার করেছে বন বিভাগ।

স্থানীয়রা সংবাদমাধ্যম সিলেট ভিউ টোয়েন্টফোরের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,  বুধবার (২২ জানুয়ারি) শ্রীমঙ্গলের চা গবেষণা কেন্দ্র (বিটিআরআই) স্কুলের মাঠে বৈদ্যুতিক তারে শক লেগে মাটিতে ছটফট করতে থাকে গন্ধগোকুলটি। পরে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান মোসাব্বির মিয়ার ছেলে শিপন মিয়া বন বিভাগকে বিষয়টি জানান। এরপর ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত এ প্রাণীটিকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয় এবং বন বিভাগের জিম্মায় নেয়া হয়।

এ প্রজাতির গন্ধগোকুলকে এশীয় ‘তাল খাটাশ’ বলা হয়। এর ইংরেজি নাম Asian palm civet। এরা নিশাচর এবং স্তন্যপায়ী প্রাণী। এদের রয়েছে লম্বা লেজ। মাথা থেকে লেজের দৈর্ঘ্য আকৃতিভেদে প্রায় ৯৯ থেকে ১১২ সেন্টিমিটার।

গন্ধগোকুল দিনের বেলা লোকালয়ের ঝোঁপঝাড়ে কিংবা পুরাতন ঘরবাড়ির ওপরে বা পুরানো গাছপালা এবং বনজঙ্গলে আত্মগোপন করে থাকে। সন্ধ্যা নেমে এলেই খাদ্যের সন্ধানে বের হয়।  জনবসতির আশপাশ থেকে ঝোঁপঝাড়, বনজঙ্গল উজার হওয়ার এদের অস্তিত্ব মারাত্মক হুমকির মুখে।

আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন), বাংলাদেশের তালিকায় গন্ধগোকুল ‘বিপন্ন’  প্রাণী হিসেবে লাল তালিকাভুক্ত।