চিতাবাঘ, ওয়াইল্ড বিস্ট, জলচর পাখি আসছে জাতীয় চিড়িয়াখানায়

চিতাবাঘসহ নতুন ৩ প্রাণী আসছে জাতীয় চিড়িয়াখানায়

চিতাবাঘ, ওয়াইল্ড বিস্ট ও ওয়াটার বার্ড (জলচর পাখি) আসছে মিরপুরে জাতীয় চিড়িয়াখানায়। প্রাণিগুলো বিভিন্ন দেশ থেকে আনতে ওয়ার্ক অর্ডার পাঠানো হয়েছে। এই প্রাণীগুলো মূলত আফ্রিকার সাভানা অঞ্চল ও জলাশয়ের পরিবেশের বাসিন্দা।

কোরবানির ঈদের আগে চিড়িয়াখানায় প্রাণিগুলো চলে আসবে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ড. মোহাম্মাদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার।

তিনি জানান, ঈদুল ফিতরে নতুন কোনো প্রাণী আসছে না। তবে নতুন একটি জিরাফের বাচ্চা উন্মুক্ত করা হবে। দর্শনার্থীরা দেখতে পারবেন জিরাফের বাচ্চাটিকে। এছাড়া বাঘ দম্পতি বেলি-টগরের ঘরে ৪ শাবক এসেছে। তবে সেগুলোকে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে না।

ঈদের ছুটিতে ঢাকার বিনোদনপ্রেমী মানুষের অন্যতম ভরসাস্থল মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানা। প্রতিবছরই ঈদের দ্বিতীয় দিন থেকে শুরু করে পরবর্তী কয়েকদিন বিনোদনকেন্দ্রটিতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় থাকে। দর্শনার্থীর চাপ সামলাতে প্রস্ততি নিয়েছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।

নিরাপত্তার পাশাপাশি চিড়িয়াখানার পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শারিরিকভাবে চাঙ্গা রাখতে প্রাণিদের ভিটামিন ও মিনারেল পরিবেশন করা হয়েছে।

চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে ১৩৫ প্রজাতির ৩ হাজার ১০০ এর মতো প্রাণী আছে সেখানে। ১৯৭৪ সালে ১৮৬ একর জায়গার ওপর গড়ে ওঠা দেশের সবচেয়ে বড় মিরপুরের এই জাতীয় চিড়িয়াখানায় মাংসাশী আট প্রজাতির ৩৮টি প্রাণী, ১৯ প্রজাতির বৃহৎ প্রাণী (তৃণভোজী) ২৭১টি, ১৮ প্রজাতির ক্ষুদ্র স্তন্যপায়ী ১৯৮টি প্রাণী রয়েছে।

এছাড়াও রয়েছে ১০ প্রজাতির সরীসৃপ ৭২টি, ৫৬ প্রজাতির ১ হাজার ১৬২টি পাখি, অ্যাকুরিয়ামে রক্ষিত ১৩৬ প্রজাতির প্রায় আড়াই হাজার মাছ। সব মিলিয়ে রয়েছে ১৩৭টি পশুপাখির খাঁচা।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত

চিতাবাঘ, ওয়াইল্ড বিস্ট, জলচর পাখি আসছে জাতীয় চিড়িয়াখানায়

আপডেট সময় ০৩:১৩:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

চিতাবাঘ, ওয়াইল্ড বিস্ট ও ওয়াটার বার্ড (জলচর পাখি) আসছে মিরপুরে জাতীয় চিড়িয়াখানায়। প্রাণিগুলো বিভিন্ন দেশ থেকে আনতে ওয়ার্ক অর্ডার পাঠানো হয়েছে। এই প্রাণীগুলো মূলত আফ্রিকার সাভানা অঞ্চল ও জলাশয়ের পরিবেশের বাসিন্দা।

কোরবানির ঈদের আগে চিড়িয়াখানায় প্রাণিগুলো চলে আসবে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ড. মোহাম্মাদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার।

তিনি জানান, ঈদুল ফিতরে নতুন কোনো প্রাণী আসছে না। তবে নতুন একটি জিরাফের বাচ্চা উন্মুক্ত করা হবে। দর্শনার্থীরা দেখতে পারবেন জিরাফের বাচ্চাটিকে। এছাড়া বাঘ দম্পতি বেলি-টগরের ঘরে ৪ শাবক এসেছে। তবে সেগুলোকে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে না।

ঈদের ছুটিতে ঢাকার বিনোদনপ্রেমী মানুষের অন্যতম ভরসাস্থল মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানা। প্রতিবছরই ঈদের দ্বিতীয় দিন থেকে শুরু করে পরবর্তী কয়েকদিন বিনোদনকেন্দ্রটিতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় থাকে। দর্শনার্থীর চাপ সামলাতে প্রস্ততি নিয়েছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।

নিরাপত্তার পাশাপাশি চিড়িয়াখানার পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শারিরিকভাবে চাঙ্গা রাখতে প্রাণিদের ভিটামিন ও মিনারেল পরিবেশন করা হয়েছে।

চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে ১৩৫ প্রজাতির ৩ হাজার ১০০ এর মতো প্রাণী আছে সেখানে। ১৯৭৪ সালে ১৮৬ একর জায়গার ওপর গড়ে ওঠা দেশের সবচেয়ে বড় মিরপুরের এই জাতীয় চিড়িয়াখানায় মাংসাশী আট প্রজাতির ৩৮টি প্রাণী, ১৯ প্রজাতির বৃহৎ প্রাণী (তৃণভোজী) ২৭১টি, ১৮ প্রজাতির ক্ষুদ্র স্তন্যপায়ী ১৯৮টি প্রাণী রয়েছে।

এছাড়াও রয়েছে ১০ প্রজাতির সরীসৃপ ৭২টি, ৫৬ প্রজাতির ১ হাজার ১৬২টি পাখি, অ্যাকুরিয়ামে রক্ষিত ১৩৬ প্রজাতির প্রায় আড়াই হাজার মাছ। সব মিলিয়ে রয়েছে ১৩৭টি পশুপাখির খাঁচা।