পূর্বনির্ধারিত ১২ ঘণ্টার মধ্যেই কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
তিনি বলেন, “ঢাকার দুইটা সিটি করপোরেশন ১২ ঘণ্টার মধ্যে এবার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার চ্যলেঞ্জ নিয়েছে। আমরা আশা করছি আজকে রাতের মধ্যেই পুরো ঢাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সিটি করপোরেশনের যে কার্যক্রম সেটা সম্পন্ন হবে।”

শনিবার বেলা পৌনে ২টায় ঢাকার কলাবাগান শিশু পার্ক সংলগ্ন দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনে (এসটিএস) কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, পরিচ্ছন্নতাকর্মী যারা কাজ করছেন, তাদের জন্য ডিএনসিসি বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করেছে। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকেও তাদের জন্য বিশেষ প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হবে।
নির্ধারিত জায়গায় কোরবানি দেওয়ার আহ্বান জানালেও নগরবাসী তাতে সাড়া দেয়নি, এক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনের নজরদারির ঘাটতি রয়েছে কি-না এবং এতে বর্জ্য অপসারণে দেরি হবে কি-না জানতে চাইলে আসিফ মাহমুদ বলেন, “এটা দুঃখজনক, কারণ আমরা প্রত্যাশা করি আমাদের নাগরিকরা অবশ্যই নিয়ম মেনে চলবেন এবং নির্ধারিত স্থানে কোরবানি দিলে সেটা আমাদের জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করাটা খুব সহজ হত।

“তবে আমাদের দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রায় ১০ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োজিত আছেন। আমরা বিশ্বাস করি যে, কিছুটা নিয়মের ব্যত্যয় ঘটলেও এ সময়ের মধ্যেই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সম্পন্ন করতে পারব।”
নির্ধারিত ১২ ঘণ্টা সময় বর্জ্য অপসারণ শুরুর সময় অর্থাৎ সকাল ১০-১১টা থেকে শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, এ বছর কোরবানির ঈদে ঢাকা উত্তর সিটিতে ২০ হাজার টন বর্জ্যওপ অপসারণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ঈদের দিনসহ পরের দুদিন এ বর্জ্য অপসারণ করা হবে। এর মধ্য ঈদের দিন কোরবানির বর্জ্যের প্রায় ৮০ শতাংশ অপসারণ করা হবে।
এ সময় দক্ষিণ সিটির প্রশাসক শাহজাহান মিয়া বলেন, “আমরা কথা দিয়েছিলাম যে ১২ ঘণ্টার ভেতরে আমাদের যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করে ফেলব। ১২টার পর থেকে আমাদের বর্জ্য সংগ্রহ শুরু হয়ে গেছে।”
দ্রুত ও নির্ধারিত সময়ে বর্জ্য অপসারণে দুই সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে প্রায় ১৩ লাখ ৯০ হাজার প্লাস্টিক, পলিব্যাগ ও বায়োডিগ্রেডেবল ব্যাগ বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া হটলাইন চালু রাখা হবে যাতে নাগরিকরা বর্জ্য সংক্রান্ত তথ্য দিতে পারেন।
প্রকৃতিবার্তা ডেস্ক 
























