সংবাদ শিরোনাম ::

তিস্তায় পানি বেড়েছে তবে বড় ধরনের বন্যার শঙ্কা নেই

তিস্তায় পানি বেড়েছে তবে বড় ধরনের বন্যার শঙ্কা নেই

উজানের ঢল আর টানা বৃষ্টিতে তিস্তা নদীর পানি বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে বৃষ্টি না হলেও পানি বেড়েছে এই নদীর। কাউনিয়া পয়েন্টে নদীর পানি বাড়ায় তিস্তার চরাঞ্চলসহ নিম্নাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। হঠাৎ পানি বেড়ে যাওয়ায় নদী ভাঙন ও ফসল নিয়ে আতঙ্কে আছে মানুষজন। তবে শিগগিরই পানি কমে আসবে বলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

রোববার সকালে পাওয়া হিসেব বলছে, লালমনিরহাটের ডালিয়া ব্যারাজ পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার ও কাউনিয়া পয়েন্টে ২৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। তবে দুপুর ১২টায় ব্যারেজ পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে কাউনিয়া পয়েন্টে তা বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

নদীর পানি বাড়ায় নিম্নাঞ্চলে বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে অন্তত ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। মহিষখোচা ইউনিয়নের ৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানি ঢুকে যাওয়ায় পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

পানি বৃদ্ধি অব্যাহত আছে রংপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার সব নদ-নদীতে। এতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ভাঙনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে বসতবাড়ি ও রাস্তাঘাট। একইসঙ্গে ফসলি জমিতে পানি ওঠায় নষ্ট হচ্ছে আগাম শীতকালীন শাকসবজি ও বীজতলাসহ বিভিন্ন ফসল।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেন, এখন বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও আগামী ২৪ ঘণ্টায় তা কমতে পারে। তবে রংপুরের কাউনিয়ায় পানি বাড়লেও লালমনিরহাটের তিস্তা ব্যারাজে সে অনুপাতে পানি বাড়েনি।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

গোলাপী ফ্রক পরা পরীর কোলে গন্ধগোকুল, পেছনে হাঁটছে সজারু!

তিস্তায় পানি বেড়েছে তবে বড় ধরনের বন্যার শঙ্কা নেই

আপডেট সময় ০৪:৪৬:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪

উজানের ঢল আর টানা বৃষ্টিতে তিস্তা নদীর পানি বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে বৃষ্টি না হলেও পানি বেড়েছে এই নদীর। কাউনিয়া পয়েন্টে নদীর পানি বাড়ায় তিস্তার চরাঞ্চলসহ নিম্নাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। হঠাৎ পানি বেড়ে যাওয়ায় নদী ভাঙন ও ফসল নিয়ে আতঙ্কে আছে মানুষজন। তবে শিগগিরই পানি কমে আসবে বলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

রোববার সকালে পাওয়া হিসেব বলছে, লালমনিরহাটের ডালিয়া ব্যারাজ পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার ও কাউনিয়া পয়েন্টে ২৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। তবে দুপুর ১২টায় ব্যারেজ পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে কাউনিয়া পয়েন্টে তা বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

নদীর পানি বাড়ায় নিম্নাঞ্চলে বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে অন্তত ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। মহিষখোচা ইউনিয়নের ৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানি ঢুকে যাওয়ায় পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

পানি বৃদ্ধি অব্যাহত আছে রংপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার সব নদ-নদীতে। এতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ভাঙনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে বসতবাড়ি ও রাস্তাঘাট। একইসঙ্গে ফসলি জমিতে পানি ওঠায় নষ্ট হচ্ছে আগাম শীতকালীন শাকসবজি ও বীজতলাসহ বিভিন্ন ফসল।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেন, এখন বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও আগামী ২৪ ঘণ্টায় তা কমতে পারে। তবে রংপুরের কাউনিয়ায় পানি বাড়লেও লালমনিরহাটের তিস্তা ব্যারাজে সে অনুপাতে পানি বাড়েনি।