নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন দেশি-বিদেশি ১২০০ অতিথি, বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন দেশি-বিদেশি ১২০০ অতিথি, বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় হতে যাচ্ছে নতুন সরকারের শপথ। ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হচ্ছেন ১২০০ দেশি-বিদেশি অতিথি। মেগা ইভেন্ট সামনে রেখে দক্ষিণ প্লাজায় চলছে কর্মযজ্ঞ।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একই সঙ্গে মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যরা শপথ নেবেন। শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। সংসদ সচিবালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দিনটি শুরু হবে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথের মধ্য দিয়ে। সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১০টায় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। বিকাল ৪টায় দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রথমে নতুন প্রধানমন্ত্রীকে এবং পরে মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন। পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া।

শপথ অনুষ্ঠানের নিরাপত্তায় এরইমধ্যে দক্ষিণ প্লাজাজুড়ে সুইপিং করেছে বোম্ব ডিস্পোসাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সাদা পোশাকে অবস্থান করছেন গোয়েন্দারা। সংসদের প্রবেশপথ ও ভেতরে মিলিয়ে নেয়া হয়েছে চার স্তরের নিরাপত্তা। এছাড়াও স্ট্যান্ডবাই থাকবে বিশেষায়িত সব ইউনিট।

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) বলছে, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের বাসা থেকে সংসদের দক্ষিণ প্লাজার উদ্দেশে রওনা দেয়ার সময় থেকেই দেয়া হবে নিরাপত্তা। প্রোটোকলের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে অর্ধশত গাড়ি।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আনা-নেয়া থেকে শুরু করে রুট কেন্দ্রিক এবং সংসদ ভবনের চারপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।’

শপথ অনুষ্ঠানের নিরাপত্তায় থাকবেন পুলিশ, র‌্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিবির ১৫ হাজার সদস্য। কোনো শঙ্কা না থাকলেও নেয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

মণিপুরী পাড়া ও আসাদ গেট সংলগ্ন সংসদ ভবনের প্রবেশপথ দিয়ে ঢুকতে হবে অনুষ্ঠানস্থলে। আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও লেকরোডে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই বন্ধ থাকবে যান চলাচল।

শাহরুখ খান যে কারনে আলি জাফরকে দাওয়াত দিয়েছিলেন

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন দেশি-বিদেশি ১২০০ অতিথি, বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার

আপডেট সময় ০৬:৪৫:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় হতে যাচ্ছে নতুন সরকারের শপথ। ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হচ্ছেন ১২০০ দেশি-বিদেশি অতিথি। মেগা ইভেন্ট সামনে রেখে দক্ষিণ প্লাজায় চলছে কর্মযজ্ঞ।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একই সঙ্গে মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যরা শপথ নেবেন। শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। সংসদ সচিবালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দিনটি শুরু হবে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথের মধ্য দিয়ে। সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১০টায় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। বিকাল ৪টায় দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রথমে নতুন প্রধানমন্ত্রীকে এবং পরে মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন। পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া।

শপথ অনুষ্ঠানের নিরাপত্তায় এরইমধ্যে দক্ষিণ প্লাজাজুড়ে সুইপিং করেছে বোম্ব ডিস্পোসাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সাদা পোশাকে অবস্থান করছেন গোয়েন্দারা। সংসদের প্রবেশপথ ও ভেতরে মিলিয়ে নেয়া হয়েছে চার স্তরের নিরাপত্তা। এছাড়াও স্ট্যান্ডবাই থাকবে বিশেষায়িত সব ইউনিট।

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) বলছে, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের বাসা থেকে সংসদের দক্ষিণ প্লাজার উদ্দেশে রওনা দেয়ার সময় থেকেই দেয়া হবে নিরাপত্তা। প্রোটোকলের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে অর্ধশত গাড়ি।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আনা-নেয়া থেকে শুরু করে রুট কেন্দ্রিক এবং সংসদ ভবনের চারপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।’

শপথ অনুষ্ঠানের নিরাপত্তায় থাকবেন পুলিশ, র‌্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিবির ১৫ হাজার সদস্য। কোনো শঙ্কা না থাকলেও নেয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

মণিপুরী পাড়া ও আসাদ গেট সংলগ্ন সংসদ ভবনের প্রবেশপথ দিয়ে ঢুকতে হবে অনুষ্ঠানস্থলে। আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও লেকরোডে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই বন্ধ থাকবে যান চলাচল।