এক বর্ষায় ফেনীতে দুই দফা বন্যা

এক বর্ষায় ফেনীতে দুই দফা বন্যা । ছবি : সংগৃহীত

চলতি বর্ষা মৌসুমে প্রবল বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে আরেক দফা প্লাবিত হলো ফেনী। জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহের মতো অগাস্টের প্রথম সপ্তাহেও ঢলের তোড়ে প্লাবিত জেলাটির দুই উপজেলা। ফেনীর ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলার মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনীয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ১৬টি স্থান ভেঙে ৭৬টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে ২৮ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

সারাদেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ফেনীতে ২৩১ মিলিমিটার। এতে ফেনীতে মুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বইছে। রোববার সকালে নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্তত ১০টি স্থানে বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে ঢুকছে পানি।

এক বর্ষায় ফেনীতে দুই দফা বন্যা prokritibarta

গত ১ জুলাই প্রথম বন্যার কবলে পড়েছিল ফেনীর ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলাবাসী। শুক্রবার (২ আগস্ট) দ্বিতীয় দফায় ফেনীর মহুরী নদী, কহুয় নদী ও ছিলনিয়া নদীর বাঁধ ভেঙে আবারও বন্যার কবলে পড়েছে এ দুই উপজেলার বাসিন্দা। টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে এসব নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ফেনীর মহুরী নদী, কহুয় নদী ও ছিলনিয়া নদীর দুই পাড়ের বাসিন্দাদের নিরাপত্তায় ১২২ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু সে বাঁধ এখন বাসিন্দাদের জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাঁধ নির্মাণে ত্রুটি ছিল। নদী থেকে যতটুকু দূরে বাঁধ নির্মাণ করার কথা ছিল সেটা মানা হয়নি। এছাড়া নদীর সংস্কার কাজে অবহেলা ও দখলসহ নানান অনিয়মের কারণে বর্ষায় উজানের ঢল নামলে নদীর ধারণ ক্ষমতা হারিয়ে যায় এবং পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়। এতে অতিদ্রুত ভাঙন দেখা দেয় এবং বন্যায় লোকালয় তলিয়ে যায়। শুধু বছরে একবার নয়, একাধিকবার বন্যার কবলে পড়ে এসব এলাকার বাসিন্দাদের মানবেতর জীবন কাটাতে হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত

এক বর্ষায় ফেনীতে দুই দফা বন্যা

আপডেট সময় ১২:৪৮:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অগাস্ট ২০২৪

চলতি বর্ষা মৌসুমে প্রবল বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে আরেক দফা প্লাবিত হলো ফেনী। জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহের মতো অগাস্টের প্রথম সপ্তাহেও ঢলের তোড়ে প্লাবিত জেলাটির দুই উপজেলা। ফেনীর ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলার মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনীয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ১৬টি স্থান ভেঙে ৭৬টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে ২৮ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

সারাদেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ফেনীতে ২৩১ মিলিমিটার। এতে ফেনীতে মুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বইছে। রোববার সকালে নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্তত ১০টি স্থানে বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে ঢুকছে পানি।

এক বর্ষায় ফেনীতে দুই দফা বন্যা prokritibarta

গত ১ জুলাই প্রথম বন্যার কবলে পড়েছিল ফেনীর ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলাবাসী। শুক্রবার (২ আগস্ট) দ্বিতীয় দফায় ফেনীর মহুরী নদী, কহুয় নদী ও ছিলনিয়া নদীর বাঁধ ভেঙে আবারও বন্যার কবলে পড়েছে এ দুই উপজেলার বাসিন্দা। টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে এসব নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ফেনীর মহুরী নদী, কহুয় নদী ও ছিলনিয়া নদীর দুই পাড়ের বাসিন্দাদের নিরাপত্তায় ১২২ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু সে বাঁধ এখন বাসিন্দাদের জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাঁধ নির্মাণে ত্রুটি ছিল। নদী থেকে যতটুকু দূরে বাঁধ নির্মাণ করার কথা ছিল সেটা মানা হয়নি। এছাড়া নদীর সংস্কার কাজে অবহেলা ও দখলসহ নানান অনিয়মের কারণে বর্ষায় উজানের ঢল নামলে নদীর ধারণ ক্ষমতা হারিয়ে যায় এবং পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়। এতে অতিদ্রুত ভাঙন দেখা দেয় এবং বন্যায় লোকালয় তলিয়ে যায়। শুধু বছরে একবার নয়, একাধিকবার বন্যার কবলে পড়ে এসব এলাকার বাসিন্দাদের মানবেতর জীবন কাটাতে হয়।