সংবাদ শিরোনাম ::

বিশ্ব ওজোন দিবস ২০২৪ উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টার বাণী

বিশ্ব ওজোন দিবস ২০২৪ উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টার বাণী

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মন্ট্রিল প্রটোকলের কিগালি সংশোধনীর বিষয়ে অগ্রগামী দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশও বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে।

তিনি বলেন, ‘মন্ট্রিল প্রটোকলের কিগালি সংশোধনীর মাধ্যমে ওজোন স্তর ক্ষয়কারী দ্রব্যের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত বৈশ্বিক উষ্ণায়নে নেতিবাচক ভূমিকা পালনকারী উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এইচএফসি-র ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাস এবং শক্তি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি গ্রহণের মাধ্যমে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।’

বিশ্ব ওজোন দিবস ২০২৪ উপলক্ষ্যে আজ দেয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “বাংলাদেশে বিশ্ব ওজোন দিবস পালনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। এ উপলক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। বিশ্ব ওজোন দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘করবো ওজোন স্তর সংরক্ষণ, রুখবো জলবায়ু পরিবর্তন’ যা সময়োপযোগী ও প্রশংসার দাবি রাখে।”

তিনি বলেন, বায়ুম-লের ওজোন স্তর সূর্য থেকে নিঃসরিত ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি আটকে দিয়ে মানুষ, প্রাণী ও উদ্ভিদ জগৎকে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা দেয়।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, রেফ্রিজারেটর, এরোসল ও ফোম তৈরিসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে ব্যবহৃত কিছু দ্রব্যের কারণে অতি গুরুত্বপূর্ণ ওজোন স্তরে ক্ষয়সাধন ঘটেছে। ওজোন স্তর ক্ষয়কারী এ সকল দ্রব্যের ব্যবহার বন্ধে জাতিসংঘের ভিয়েনা কনভেনশনের আওতায় ১৯৮৭ সাল হতে মন্ট্রিল প্রটোকল বাস্তবায়িত হচ্ছে। ফলে পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ওজোন স্তর ধীরে ধীরে পুনর্গঠিত হতে শুরু করেছে।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ‘এবারের বিশ্ব ওজোন দিবস পালনের মাধ্যমে মন্ট্রিল প্রটোকল বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সাফল্য তুলে ধরার পাশাপাশি ওজোন স্তর রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।’

প্রধান উপদেষ্টা ‘বিশ্ব ওজোন দিবস ২০২৪’ উদ্যাপন উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।

মাঝারি রূপ নিচ্ছে তাপপ্রবাহ,তাপমাত্রা হতে পারে ৩৬ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস

বিশ্ব ওজোন দিবস ২০২৪ উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টার বাণী

আপডেট সময় ০৩:২৩:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মন্ট্রিল প্রটোকলের কিগালি সংশোধনীর বিষয়ে অগ্রগামী দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশও বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে।

তিনি বলেন, ‘মন্ট্রিল প্রটোকলের কিগালি সংশোধনীর মাধ্যমে ওজোন স্তর ক্ষয়কারী দ্রব্যের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত বৈশ্বিক উষ্ণায়নে নেতিবাচক ভূমিকা পালনকারী উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এইচএফসি-র ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাস এবং শক্তি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি গ্রহণের মাধ্যমে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।’

বিশ্ব ওজোন দিবস ২০২৪ উপলক্ষ্যে আজ দেয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “বাংলাদেশে বিশ্ব ওজোন দিবস পালনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। এ উপলক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। বিশ্ব ওজোন দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘করবো ওজোন স্তর সংরক্ষণ, রুখবো জলবায়ু পরিবর্তন’ যা সময়োপযোগী ও প্রশংসার দাবি রাখে।”

তিনি বলেন, বায়ুম-লের ওজোন স্তর সূর্য থেকে নিঃসরিত ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি আটকে দিয়ে মানুষ, প্রাণী ও উদ্ভিদ জগৎকে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা দেয়।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, রেফ্রিজারেটর, এরোসল ও ফোম তৈরিসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে ব্যবহৃত কিছু দ্রব্যের কারণে অতি গুরুত্বপূর্ণ ওজোন স্তরে ক্ষয়সাধন ঘটেছে। ওজোন স্তর ক্ষয়কারী এ সকল দ্রব্যের ব্যবহার বন্ধে জাতিসংঘের ভিয়েনা কনভেনশনের আওতায় ১৯৮৭ সাল হতে মন্ট্রিল প্রটোকল বাস্তবায়িত হচ্ছে। ফলে পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ওজোন স্তর ধীরে ধীরে পুনর্গঠিত হতে শুরু করেছে।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ‘এবারের বিশ্ব ওজোন দিবস পালনের মাধ্যমে মন্ট্রিল প্রটোকল বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সাফল্য তুলে ধরার পাশাপাশি ওজোন স্তর রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।’

প্রধান উপদেষ্টা ‘বিশ্ব ওজোন দিবস ২০২৪’ উদ্যাপন উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।