সংবাদ শিরোনাম ::

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণে কমিটি গঠন

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণে কমিটি গঠন

সরকারি চাকরিতে বয়সসীমা বৃদ্ধির দাবির বিষয়ে বিবেচনার জন্য একজন সাবেক সচিবকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোখলেস উর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।

সোমবার সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করার বিষয়ে আন্দোলন ও দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এই কমিটি করা হয়েছে।

কমিটির প্রধান সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী। এটিকে আগামী ৭ দিনের মধ্যে সুপারিশ সম্বলিত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে বলেও জানান সিনিয়র সচিব।

এদিকে, সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ বছর করার দাবিতে আন্দোলনকারী চাকরিপ্রত্যাশীরা শাহবাগে অবস্থানের পর প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নেন। সেখান থেকে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে।

আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থী ও শিক্ষার্থীরা প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাক্ষাৎ চান। প্রধান উপদেষ্টা ছাড়া কারো সঙ্গে তারা আলোচনা করতে রাজি নন।

গোলাপী ফ্রক পরা পরীর কোলে গন্ধগোকুল, পেছনে হাঁটছে সজারু!

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণে কমিটি গঠন

আপডেট সময় ০৫:৪৪:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪
সরকারি চাকরিতে বয়সসীমা বৃদ্ধির দাবির বিষয়ে বিবেচনার জন্য একজন সাবেক সচিবকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোখলেস উর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।

সোমবার সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করার বিষয়ে আন্দোলন ও দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এই কমিটি করা হয়েছে।

কমিটির প্রধান সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী। এটিকে আগামী ৭ দিনের মধ্যে সুপারিশ সম্বলিত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে বলেও জানান সিনিয়র সচিব।

এদিকে, সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ বছর করার দাবিতে আন্দোলনকারী চাকরিপ্রত্যাশীরা শাহবাগে অবস্থানের পর প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নেন। সেখান থেকে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে।

আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থী ও শিক্ষার্থীরা প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাক্ষাৎ চান। প্রধান উপদেষ্টা ছাড়া কারো সঙ্গে তারা আলোচনা করতে রাজি নন।