সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু Logo হাম হলে শিশুকে যেসব খাবার খাওয়াবেন Logo ২২০০ পিঁপড়া পাচার চেষ্টায় চীনা নাগরিকের এক বছরের জেল Logo চট্টগ্রামে নিজেই হাসপাতালে এসে ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা নিলো কাক! Logo বাংলাদেশে প্রতি তিন শিশুর মধ্যে এক জন মারাত্মকভাবে জলবায়ু ঝুঁকির মুখে Logo এপ্রিল এখন পর্যন্ত সহনীয়, দেশে এবছরের গ্রীষ্ম কম ভোগাবে আশা আবহাওয়াবিদের   Logo আজ স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo ‘ধান খাওয়ায়’ মেরে ফেলা হলো বাবুই পাখির ২৯ বাচ্চা, এক জনের কারাদণ্ড Logo পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া Logo জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

সুপারশপে পলিথিন বন্ধ যুগান্তকারী একটি উদ্যোগ: বস্ত্র ও পাট উপদেষ্টা

সুপারশপে পলিথিন বন্ধ যুগান্তকারী একটি উদ্যোগ: বস্ত্র ও পাট উপদেষ্টা

বস্ত্র ও পাট উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন,  সুপারশপে পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ করার সিদ্ধান্ত একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ। এখন থেকে বিষয়টি নিয়মিত মনিটর করা হবে।

মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর গুলশান-১ নম্বরের ইউনিমার্ট সুপারশপে পলিথিনের পরিবর্তে পাটের ব্যাগ ব্যবহারে ক্রেতাদের উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের কোনো সুপারশপে ১ অক্টোবর থেকে পলিথিন ব্যাগ রাখা যাবে না। এটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ। আগামী নভেম্বর থেকে দেশে পাটের ব্যাগ ও বস্তার ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। পাটের ব্যবহার দেশব্যাপী বাড়াতে হবে। গোল্ডেন ফাইবার হারিয়ে গেছে। পরিবেশ রক্ষায় পলিথিন বন্ধ করা একটি যুগান্তকারী কাজ।

উপদেষ্টা আরও বলেন, পাটের সোনালী অতীত ফিরে আনতে এটি খুব জরুরি পদক্ষেপ। এজন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। পাটের ব্যবহার বাড়ানো গেলে দেশের অর্থনীতি ও কৃষক লাভবান হবে। উপদেষ্টা বলেন, পাটের ব্যাগ সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব। তাই এটি ব্যবহারে উদ্যোগী হতে সবাইকে আহ্বান জানান।

সুপারশপে পলিথিন বন্ধ যুগান্তকারী একটি উদ্যোগ: বস্ত্র ও পাট উপদেষ্টা prokritibarta

জানা গেছে, রাজধানীর সুপারশপগুলো পলিথিন ব্যাগের পরিবর্তে কাগজ, পাট ও কাপড়ের ব্যাগে পণ্য দেওয়া হচ্ছে। তবে আগে বিনামূল্যে পলিথিন ব্যাগ দেওয়া হলেও এখন পাট বা কাপড়ের শপিং ব্যাগের জন্য নেওয়া হচ্ছে মূল্য।

সুপারশপ কর্তৃপক্ষ বলছেন, কেনা দামে এসব ব্যাগের মূল্য রাখা হচ্ছে। আর মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন ক্রেতারা। কেউ কেউ বলছেন, পরিবেশের স্বার্থে কিছুটা বাড়তি খরচ করতে সমস্যা নেই। আবার কেউ বলছেন, বিকল্প এসব ব্যাগের দাম বাড়তি খরচ যোগ করছে ক্রেতার ওপর। ফলে সহজলভ্য ও সস্তায় বিকল্প পণ্য সরবরাহে সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু

সুপারশপে পলিথিন বন্ধ যুগান্তকারী একটি উদ্যোগ: বস্ত্র ও পাট উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৭:০৭:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর ২০২৪
বস্ত্র ও পাট উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন,  সুপারশপে পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ করার সিদ্ধান্ত একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ। এখন থেকে বিষয়টি নিয়মিত মনিটর করা হবে।

মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর গুলশান-১ নম্বরের ইউনিমার্ট সুপারশপে পলিথিনের পরিবর্তে পাটের ব্যাগ ব্যবহারে ক্রেতাদের উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের কোনো সুপারশপে ১ অক্টোবর থেকে পলিথিন ব্যাগ রাখা যাবে না। এটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ। আগামী নভেম্বর থেকে দেশে পাটের ব্যাগ ও বস্তার ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। পাটের ব্যবহার দেশব্যাপী বাড়াতে হবে। গোল্ডেন ফাইবার হারিয়ে গেছে। পরিবেশ রক্ষায় পলিথিন বন্ধ করা একটি যুগান্তকারী কাজ।

উপদেষ্টা আরও বলেন, পাটের সোনালী অতীত ফিরে আনতে এটি খুব জরুরি পদক্ষেপ। এজন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। পাটের ব্যবহার বাড়ানো গেলে দেশের অর্থনীতি ও কৃষক লাভবান হবে। উপদেষ্টা বলেন, পাটের ব্যাগ সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব। তাই এটি ব্যবহারে উদ্যোগী হতে সবাইকে আহ্বান জানান।

সুপারশপে পলিথিন বন্ধ যুগান্তকারী একটি উদ্যোগ: বস্ত্র ও পাট উপদেষ্টা prokritibarta

জানা গেছে, রাজধানীর সুপারশপগুলো পলিথিন ব্যাগের পরিবর্তে কাগজ, পাট ও কাপড়ের ব্যাগে পণ্য দেওয়া হচ্ছে। তবে আগে বিনামূল্যে পলিথিন ব্যাগ দেওয়া হলেও এখন পাট বা কাপড়ের শপিং ব্যাগের জন্য নেওয়া হচ্ছে মূল্য।

সুপারশপ কর্তৃপক্ষ বলছেন, কেনা দামে এসব ব্যাগের মূল্য রাখা হচ্ছে। আর মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন ক্রেতারা। কেউ কেউ বলছেন, পরিবেশের স্বার্থে কিছুটা বাড়তি খরচ করতে সমস্যা নেই। আবার কেউ বলছেন, বিকল্প এসব ব্যাগের দাম বাড়তি খরচ যোগ করছে ক্রেতার ওপর। ফলে সহজলভ্য ও সস্তায় বিকল্প পণ্য সরবরাহে সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন।