বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তায় জমে কোমড় পানি। রাজধানী ঢাকার বর্ষা মৌসুমে গত কয়েক বছরের নিত্যদিনের চিত্র এমনটাই। তবে বর্ষা মৌসুমে যাতে রাজধানীবাসীর দুর্ভোগ লাঘব হয়, সেজন্য উদ্যোগ নিয়েছে দুই সিটি কর্পোরেশন। আজ বুধবার ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের জন্য ৬ হাজার ৭৬০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। এর মধ্যে জলাবদ্ধতা নিরসনে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে দক্ষিণের নগর কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (৩১ জুলাই) ডিএসসিসির মেয়র মোহাম্মদ হানিফ মিলনায়তনে দক্ষিণের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস এই বাজেট ঘোষণা করেন। এতে সব কাউন্সিলর, বিভাগীয় প্রধান ও আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের বাজেট বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বাজেটে জলাবদ্ধতা নিরসনে সরাসরি বরাদ্দ রাখা হয়েছে মাত্র ১০০ কোটি টাকা। এছাড়া জলাবদ্ধতা নিরসনে পানির পাম্প ক্রয় ও স্থাপনে বরাদ্দ রাখা হয়েছে আরও এক কোটি টাকা। এর আগের বাজেটে ডিএসসিসি ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে জলাবদ্ধতা নিরসনে ৯০ কোটি টাকার বরাদ্দ রেখেছিল। এছাড়া, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের (খাল, জলাশয়, নর্দমা পরিষ্কার) জন্য বরাদ্দ রাখা হয় ৩০ কোটি টাকা। খাল-পুকুর ও জলাশয় পুনরুদ্ধারে আরও দুই কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়।
২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর থেকে ওয়াসার দায়িত্বে থাকা সব নালা ও খাল ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন; রাজধানীতে জলাবদ্ধতার নেপথ্যে অবৈধভাবে খাল দখল ও ভরাট হয়ে যাওয়া। খাল, জলাধার ও নিম্নাঞ্চল ভরাটের কারণে ঢাকা শহরে বর্ষা মৌসুমে প্রায়ই জলাবদ্ধতা হচ্ছে। এছাড়া প্রাকৃতিক পানি নিষ্কাশন নালাগুলোয় নিয়মিত দখলদারিত্ব চলছে। ঢাকার জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানের জন্য চারপাশের নদী ও খালগুলোকে দখলমুক্ত করে নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নিজস্ব সংবাদ : 




















