ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক ডি. লিট ডিগ্রি দিলো চবি

ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক ডি. লিট ডিগ্রি দিলো চবি

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক ডি-লিট ডিগ্রি দিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)। বুধবার (১৪ মে) দুপুর ২টা ১৮ মিনিটে চবির পঞ্চম সমাবর্তনে ড. ইউনূসকে এই ডিগ্রি তুলে দেন সমাবর্তনের সভাপতি ও ভিসি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহইয়া আখতার।

বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য বিমোচন ও অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ড. ইউনূসকে ডি-লিট ডিগ্রি দেওয়া হয়েছে বলে জানান উপাচার্য। উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম সমাবর্তনে ২২ হাজার ৫৮৬ শিক্ষার্থীকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া এতে ৪২ জন পিএইচডি ও ৩৩ জনকে এমফিল ডিগ্রিধারী রয়েছেন।

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন সরকারের আরও চার উপদেষ্টা অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল আবরার, ফারুক-ই-আজম, মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, নূরজাহান বেগম এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজ।

দেশের সর্ববৃহৎ এই সমাবর্তনে অংশ নিয়েছেন প্রায় ২৩ হাজার গ্র্যাজুয়েট। ২০১১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে অনার্স, মাস্টার্স এবং ২০১৪ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে এমফিল, পিএইচডি সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীরা সমাবর্তনে অংশগ্রহণ করেছেন।

মরেও রক্ষা পেলো না হাতিটি! দেশের বন্যপ্রাণী অব্যবস্থাপনার বাস্তব উদাহরণ

ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক ডি. লিট ডিগ্রি দিলো চবি

আপডেট সময় ০৬:২৪:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক ডি-লিট ডিগ্রি দিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)। বুধবার (১৪ মে) দুপুর ২টা ১৮ মিনিটে চবির পঞ্চম সমাবর্তনে ড. ইউনূসকে এই ডিগ্রি তুলে দেন সমাবর্তনের সভাপতি ও ভিসি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহইয়া আখতার।

বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য বিমোচন ও অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ড. ইউনূসকে ডি-লিট ডিগ্রি দেওয়া হয়েছে বলে জানান উপাচার্য। উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম সমাবর্তনে ২২ হাজার ৫৮৬ শিক্ষার্থীকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া এতে ৪২ জন পিএইচডি ও ৩৩ জনকে এমফিল ডিগ্রিধারী রয়েছেন।

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন সরকারের আরও চার উপদেষ্টা অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল আবরার, ফারুক-ই-আজম, মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, নূরজাহান বেগম এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজ।

দেশের সর্ববৃহৎ এই সমাবর্তনে অংশ নিয়েছেন প্রায় ২৩ হাজার গ্র্যাজুয়েট। ২০১১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে অনার্স, মাস্টার্স এবং ২০১৪ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে এমফিল, পিএইচডি সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীরা সমাবর্তনে অংশগ্রহণ করেছেন।