সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গাজায় ‘গণহত্যার’ অভিযোগ করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো এ বিষয়ে প্রকাশ্যে এমন কঠোর প্রতিক্রিয়া জানালো সৌদি আরব। মুসলিম ও আরব নেতাদের এক সম্মেলনে তিনি লেবানন ও ইরানে ইসরায়েলের হামলার সমালোচনা করেছেন।
শুধু কড়া প্রতিক্রিয়াতেই থেমে যাননি সালমান, এমনকি রিয়াদ ও তেহরানের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষণ প্রকাশ করে ইরানের মাটিতে হামলার বিষয়ে ইসরায়েলকে সতর্কও সৌদি যুবরাজ। তিনি অন্য নেতাদের সঙ্গে সুর মিলিয়ে পশ্চিম তীর ও গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনাদের পূর্ণাঙ্গ প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা বলছে, আরব লীগ ও ওআইসির যৌথ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সৌদি আরবের আসল শাসক (ডি ফ্যাক্টো)।
আরব লীগের মহাসচিব আহমেদ আবুল ঘেইতও গাজা ও লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের নিন্দা জানান। তিনি বলেন, ‘কোনো শব্দ দিয়ে ফিলিস্তিনিদের এই দুর্দশা প্রকাশ করা যাবে না। ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের গৃহীত পদক্ষেপগুলো দীর্ঘস্থায়ী শান্তি অর্জনের প্রচেষ্টাকে বাধা দিচ্ছে। ন্যায়বিচারের মাধ্যমেই আমরা স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারব।’

গাজা যুদ্ধ বন্ধ ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে গত বছরের অক্টোবরের শেষদিকে রিয়াদে আরব নেতাদের একটি সম্মেলন হয়। সেই সম্মেলনের এক বছর পেরিয়ে গেলেও গাজা যুদ্ধ বন্ধে আরব রাষ্ট্রগুলোকে সেভাবে কঠোর অবস্থান নিতে দেখা যায়নি। ধারণা করা হয় ইসরায়েলের সঙ্গে মুসলিমপ্রধান কয়েকটি দেশের বিভিন্ন সম্পর্কের কারণে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি।
ডেস্ক রিপোর্ট 




















