সংবাদ শিরোনাম ::
Logo হাম ও হামের উপসর্গে মারা গেল আরও ১৬ শিশু, মোট মৃত্যু ৫২৮ Logo কাজী নজরুলের অনন্য প্রকৃতিপ্রেম Logo ছাতিমকে কেন ‘শয়তানের গাছ’ বলে? Logo শিশু রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল Logo পাকিস্তানে সেনাসদস্যদের বহনকারী ট্রেনে শক্তিশালী গাড়িবোমা হামলা, নিহত ২৪ Logo বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল শক্তি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ: ঢাকায় ১২ ঘণ্টার মধ্যেই পরিষ্কার হবে কোরবানির বর্জ্য Logo ঈদের আগে শেষ কর্মদিবস আজ, কাল থেকে টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু Logo ফরিদপুরে বাস-অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫ জন নিহত Logo আগামী এক মাসের মধ্যে রামিসা হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

তিলক বর্মার ৬৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংসকে মনে রাখবে পুরো ক্রিকেট বিশ্ব

তিলক বর্মার ৬৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংসটি মনে রাখবে এশিয়া কাপ

দ্বিতীয় ওভারে ড্রেসিং রুমে ফিরে গেলেন অভিষেক শর্মা। পরের ওভারে একই পথে অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। তখন ব্যাটিংয়ে নামলেন তিলক ভার্মা। কিছুক্ষণ পর দলের চাপ বাড়িয়ে আউট হয়ে গেলেন শুবমান গিলও। মাত্র ২০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে তখন মহা বিপদে ভারত। তবে তিলক বর্মা ছিলেন খুব ধৈর্য নিয়ে। এক প্রান্ত আগলে রেখে রয়েসয়ে তিনি এগিয়ে যান জয়ের পথে। চমৎকার ব্যাটিংয়ে খেলেন ৫৩ বলে ৬৯ রানের অপরাজিত এক ইনিংস।

পাকিস্তানের বিপক্ষে এশিয়া কাপের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ভারতের ৫ উইকেটের জয়ে বড় পার্থক্য গড়ে দেয় তিলকের এই ইনিংস। এর আগে ফিল্ডিংয়েও দুটি ক্যাচ নেন তিলক। তাই ফাইনালের ম্যাচ সেরার পুরস্কারও ওঠে ২২ বছর বয়সী ব্যাটারের হাতে।

চার নম্বরে নেমে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকা ইনিংসে ৩ চারের সঙ্গে ৪টি ছক্কা মারেন তিলক। পরে ম্যাচ সেরার পুরস্কার গ্রহণ করে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বার্তা দেন তরুণ এই ব্যাটার।

“এটি আমার জীবনের সবচেয়ে স্পেশাল ইনিংসগুলোর একটি। বেশি কিছু বলার নেই। চাক দে ইন্ডিয়া।”

এসময় শুরুর চাপের কথাও স্বীকার করে নেন তিলক।

“অবশ্যই চাপ ছিল। তারা ভালো বোলিং করছিল। গতির তারতম্য কাজে লাগচ্ছিল। আমি শান্ত থাকার চেষ্টা করছিলাম। নিজের খেলার ওপর আস্থা রেখেছিলাম।”

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাম ও হামের উপসর্গে মারা গেল আরও ১৬ শিশু, মোট মৃত্যু ৫২৮

তিলক বর্মার ৬৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংসকে মনে রাখবে পুরো ক্রিকেট বিশ্ব

আপডেট সময় ১১:৪০:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

দ্বিতীয় ওভারে ড্রেসিং রুমে ফিরে গেলেন অভিষেক শর্মা। পরের ওভারে একই পথে অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। তখন ব্যাটিংয়ে নামলেন তিলক ভার্মা। কিছুক্ষণ পর দলের চাপ বাড়িয়ে আউট হয়ে গেলেন শুবমান গিলও। মাত্র ২০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে তখন মহা বিপদে ভারত। তবে তিলক বর্মা ছিলেন খুব ধৈর্য নিয়ে। এক প্রান্ত আগলে রেখে রয়েসয়ে তিনি এগিয়ে যান জয়ের পথে। চমৎকার ব্যাটিংয়ে খেলেন ৫৩ বলে ৬৯ রানের অপরাজিত এক ইনিংস।

পাকিস্তানের বিপক্ষে এশিয়া কাপের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ভারতের ৫ উইকেটের জয়ে বড় পার্থক্য গড়ে দেয় তিলকের এই ইনিংস। এর আগে ফিল্ডিংয়েও দুটি ক্যাচ নেন তিলক। তাই ফাইনালের ম্যাচ সেরার পুরস্কারও ওঠে ২২ বছর বয়সী ব্যাটারের হাতে।

চার নম্বরে নেমে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকা ইনিংসে ৩ চারের সঙ্গে ৪টি ছক্কা মারেন তিলক। পরে ম্যাচ সেরার পুরস্কার গ্রহণ করে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বার্তা দেন তরুণ এই ব্যাটার।

“এটি আমার জীবনের সবচেয়ে স্পেশাল ইনিংসগুলোর একটি। বেশি কিছু বলার নেই। চাক দে ইন্ডিয়া।”

এসময় শুরুর চাপের কথাও স্বীকার করে নেন তিলক।

“অবশ্যই চাপ ছিল। তারা ভালো বোলিং করছিল। গতির তারতম্য কাজে লাগচ্ছিল। আমি শান্ত থাকার চেষ্টা করছিলাম। নিজের খেলার ওপর আস্থা রেখেছিলাম।”