সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রাণী নির্যাতন বন্ধে সরকারের কাছে আইনি নোটিশ Logo কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপার ক্ষোভ: এই পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণী মানুষ Logo পহেলা বৈশাখে আকাশ থাকতে পারে মেঘলা, তাপপ্রবাহ চলছে, সঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা Logo পহেলা বৈশাখে বন্ধ থাকবে মেট্রোরেলের দুটি স্টেশন Logo বিডব্লিউওটির দাবি: দেশে সক্রিয় তাপপ্রবাহ ‘দহন’ ও বৃষ্টিবলয় ‘ঝংকার’   Logo বাউল শিল্পী শফি মণ্ডলের বাড়িতে পুলিশ মোতায়েন Logo ইরানের ওপর নৌ অবরোধের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের, আবার যুদ্ধ শুরুর শঙ্কা Logo কুকুরকে কুমিরের মুখে ফেলে দেয়া নিয়ে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া, তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর Logo বাংলা নববর্ষ উদযাপনে দেশব্যাপী সরকারের নানা কর্মসূচি গ্রহণ Logo জামিন পেলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

বর্ষায় ত্বক ও চুলের পরিচর্যায় করণীয়

চলছে বর্ষাকাল, এই বর্ষায় শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার পাশাপাশি বেড়ে যায় ত্বক ও চুলের সমস্যা। এজন্য এ সময় সঠিকভাবে ত্বক ও চুলের পরিচর্যা করা অত্যন্ত জরুরি। এমনিতেই বর্ষাকালে চুল পড়ার সমস্যা বাড়ে। একই সঙ্গে দেখা দেয় খুশকি ও চুল রুক্ষ হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা।

ঠিক একইভাবে বর্ষায় ঠিকভাবে ত্বক পরিষ্কার করা না হলেও একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই বর্ষায় কীভাবে বাড়িতেই সহজে চুল ও ত্বকের যত্ন নিতে পারবেন তা জানিয়েছেন ভারতের এক কসমেটোলজিস্ট সায়ন্তন দাস। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

সানস্ক্রিন মাস্ট

ত্বকের যত্নে সানস্ক্রিন ব্যবহারের বিকল্প নেই। গরমে যেমন সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন, বর্ষাতেও করতে হবে। রোদের তাপ কম বলে সানস্ক্রিন ব্যবহার করবেন না বর্ষার দিনে, এই ভুলটা করা যাবে না।

ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন

দিনে অন্তত দু’বার মুখ ভালোভাবে ফেসওয়াশ দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করতে হবে। গোসলের ক্ষেত্রে অনীহা দেখাবেন না। এমনিতেই বর্ষায় বিভিন্ন ধরনের ফাঙ্গাল ইনফেকশন হওয়ার প্রবণতা থাকে। তাই দিনে অন্তত একবার হলেও গোসল করুন।

শ্যাম্পু করুন

যেহেতু এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকে। তাই ত্বক ও চুল দুইই চিটচিটে হয়ে যেতে পারে। যারা প্রতিদিন বাড়ির বাইরে যান তারা নিয়মিত শ্যাম্পু করুন। অন্তত সপ্তাহে তিনদিন শ্যাম্পু করে মাথার তালুতে বসে যাওয়ার নোংরা পরিষ্কার করতেই হবে।

নখ পরিষ্কার রাখুন

নখে বিভিন্ন ধরনের জীবণু জমে থাকে, সঠিকভাবে তা পরিষ্কার না করলে নানা রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বর্ষায় নখের মধ্যে জমে থাকা নোংরা ও ময়লা পরিষ্কার করে নিন। না হলে সংক্রমণ হওয়ার ঝুঁকি থাকবে। বিশেষ করে নখ মুখে লাগালে তাতে থাকা জীবাণু ব্রণের সমস্যা বাড়াতে পারে।

ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন

বর্ষাকালেও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে ত্বকে। এ সময় যেহেতু বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি তাই অয়েল ফ্রি ওয়াটার বেসড ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করুন। জেল জাতীয় কিছু ব্যবহার না করাই ভালো ত্বকে ও চুলে। এতে ত্বক ও চুল আরও চিটচিটে হয়ে যেতে পারে।

স্ক্রাব করুন

বর্ষায় ত্বকে স্ক্রাব করা জরুরি। কারণ এই আর্দ্র আবহাওয়ায় এক্সফোলিয়েশন দরকার। এতে ত্বকের মরা কোষের সঙ্গে ঝরে যাবে নোংরা, ময়লাও। ফলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বজায় থাকবে। ত্বক মোলায়েম থাকবে। কালচে দাগছোপ দূর হবে। ত্বকে কোনো ইনফেকশনও হবে না।

চুলে কন্ডিশনার বা সিরাম ব্যবহার করুন

বাতাসে আর্দ্রতা বলে চুলে শ্যাম্পুর পর কন্ডিশনার বা সিরাম ব্যবহার করবেন না কিংবা হেয়ার প্যাক লাগাবেন না, এমনটি নয়। তবে আপনার চুল ও মাথার তালু অর্থাৎ স্ক্যাল্প তেলতেলে হলে একটু সতর্ক থাকুন। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। না হলে চুল পড়ার সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।

মেকআপেও খেয়াল রাখুন

বর্ষায় মেকআপ করার ব্যাপারেও সতর্ক থাকতে হবে। এক্ষেত্রে মেকআপের সরঞ্জাম ভালোভাবে পরিষ্কার রাখা দরকার। বিশেষ করে বিউটি ব্লেন্ডার ও মেকআপ ব্রাশ পরিষ্কার রাখুন।

পর্যাপ্ত পানি পান করুন

সঠিক পরিমাণে পানি পান খেতে হবে কারণ শরীর হাইড্রেটেড রাখতে হবে। স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া উচিত। বাইরের পানি খাবেন না। কারণ বর্ষায় পানিবাহিত রোগই সবচেয়ে বেশি হয়।

 

প্রাণী নির্যাতন বন্ধে সরকারের কাছে আইনি নোটিশ

বর্ষায় ত্বক ও চুলের পরিচর্যায় করণীয়

আপডেট সময় ০৫:১৯:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০২৪
চলছে বর্ষাকাল, এই বর্ষায় শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার পাশাপাশি বেড়ে যায় ত্বক ও চুলের সমস্যা। এজন্য এ সময় সঠিকভাবে ত্বক ও চুলের পরিচর্যা করা অত্যন্ত জরুরি। এমনিতেই বর্ষাকালে চুল পড়ার সমস্যা বাড়ে। একই সঙ্গে দেখা দেয় খুশকি ও চুল রুক্ষ হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা।

ঠিক একইভাবে বর্ষায় ঠিকভাবে ত্বক পরিষ্কার করা না হলেও একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই বর্ষায় কীভাবে বাড়িতেই সহজে চুল ও ত্বকের যত্ন নিতে পারবেন তা জানিয়েছেন ভারতের এক কসমেটোলজিস্ট সায়ন্তন দাস। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

সানস্ক্রিন মাস্ট

ত্বকের যত্নে সানস্ক্রিন ব্যবহারের বিকল্প নেই। গরমে যেমন সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন, বর্ষাতেও করতে হবে। রোদের তাপ কম বলে সানস্ক্রিন ব্যবহার করবেন না বর্ষার দিনে, এই ভুলটা করা যাবে না।

ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন

দিনে অন্তত দু’বার মুখ ভালোভাবে ফেসওয়াশ দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করতে হবে। গোসলের ক্ষেত্রে অনীহা দেখাবেন না। এমনিতেই বর্ষায় বিভিন্ন ধরনের ফাঙ্গাল ইনফেকশন হওয়ার প্রবণতা থাকে। তাই দিনে অন্তত একবার হলেও গোসল করুন।

শ্যাম্পু করুন

যেহেতু এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকে। তাই ত্বক ও চুল দুইই চিটচিটে হয়ে যেতে পারে। যারা প্রতিদিন বাড়ির বাইরে যান তারা নিয়মিত শ্যাম্পু করুন। অন্তত সপ্তাহে তিনদিন শ্যাম্পু করে মাথার তালুতে বসে যাওয়ার নোংরা পরিষ্কার করতেই হবে।

নখ পরিষ্কার রাখুন

নখে বিভিন্ন ধরনের জীবণু জমে থাকে, সঠিকভাবে তা পরিষ্কার না করলে নানা রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বর্ষায় নখের মধ্যে জমে থাকা নোংরা ও ময়লা পরিষ্কার করে নিন। না হলে সংক্রমণ হওয়ার ঝুঁকি থাকবে। বিশেষ করে নখ মুখে লাগালে তাতে থাকা জীবাণু ব্রণের সমস্যা বাড়াতে পারে।

ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন

বর্ষাকালেও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে ত্বকে। এ সময় যেহেতু বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি তাই অয়েল ফ্রি ওয়াটার বেসড ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করুন। জেল জাতীয় কিছু ব্যবহার না করাই ভালো ত্বকে ও চুলে। এতে ত্বক ও চুল আরও চিটচিটে হয়ে যেতে পারে।

স্ক্রাব করুন

বর্ষায় ত্বকে স্ক্রাব করা জরুরি। কারণ এই আর্দ্র আবহাওয়ায় এক্সফোলিয়েশন দরকার। এতে ত্বকের মরা কোষের সঙ্গে ঝরে যাবে নোংরা, ময়লাও। ফলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বজায় থাকবে। ত্বক মোলায়েম থাকবে। কালচে দাগছোপ দূর হবে। ত্বকে কোনো ইনফেকশনও হবে না।

চুলে কন্ডিশনার বা সিরাম ব্যবহার করুন

বাতাসে আর্দ্রতা বলে চুলে শ্যাম্পুর পর কন্ডিশনার বা সিরাম ব্যবহার করবেন না কিংবা হেয়ার প্যাক লাগাবেন না, এমনটি নয়। তবে আপনার চুল ও মাথার তালু অর্থাৎ স্ক্যাল্প তেলতেলে হলে একটু সতর্ক থাকুন। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। না হলে চুল পড়ার সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।

মেকআপেও খেয়াল রাখুন

বর্ষায় মেকআপ করার ব্যাপারেও সতর্ক থাকতে হবে। এক্ষেত্রে মেকআপের সরঞ্জাম ভালোভাবে পরিষ্কার রাখা দরকার। বিশেষ করে বিউটি ব্লেন্ডার ও মেকআপ ব্রাশ পরিষ্কার রাখুন।

পর্যাপ্ত পানি পান করুন

সঠিক পরিমাণে পানি পান খেতে হবে কারণ শরীর হাইড্রেটেড রাখতে হবে। স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া উচিত। বাইরের পানি খাবেন না। কারণ বর্ষায় পানিবাহিত রোগই সবচেয়ে বেশি হয়।