সংবাদ শিরোনাম ::
Logo হাম ও হামের উপসর্গে মারা গেল আরও ১৬ শিশু, মোট মৃত্যু ৫২৮ Logo কাজী নজরুলের অনন্য প্রকৃতিপ্রেম Logo ছাতিমকে কেন ‘শয়তানের গাছ’ বলে? Logo শিশু রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল Logo পাকিস্তানে সেনাসদস্যদের বহনকারী ট্রেনে শক্তিশালী গাড়িবোমা হামলা, নিহত ২৪ Logo বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল শক্তি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ: ঢাকায় ১২ ঘণ্টার মধ্যেই পরিষ্কার হবে কোরবানির বর্জ্য Logo ঈদের আগে শেষ কর্মদিবস আজ, কাল থেকে টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু Logo ফরিদপুরে বাস-অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫ জন নিহত Logo আগামী এক মাসের মধ্যে রামিসা হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

১১ মাসে সারা দেশে পুলিশের বিরুদ্ধে ৭৬১টি মামলা

১১ মাসে সারা দেশে পুলিশের বিরুদ্ধে ৭৬১টি মামলা

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পরবর্তী ১১ মাসে পুলিশের বিরুদ্ধে সারা দেশে ৭৬১টি মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

সংস্থাটি বলছে, এসব মামলায় আসামি করা হয়েছে ১ হাজার ১৬৮ পুলিশকে। তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৬১ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। এ ছাড়া ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় ১ হাজার ৬০২টি মামলা হয়েছে।

এর মধ্যে ৬৩৮টি হত্যা মামলা রয়েছে। এসব মামলায় পতিত সরকারের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যসহ আনুমানিক ৮৭ জন গ্রেপ্তার রয়েছেন। ৭০ শতাংশ মামলার তদন্তে ‘সন্তোষজনক অগ্রগতি’ রয়েছে। ৬০-৭০টি হত্যা মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

সোমবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর মাইডাস সেন্টারে টিআইবির সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘নতুন বাংলাদেশ : কর্তৃত্ববাদী সরকার পতন-পরবর্তী এক বছরের ওপর পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়।

এ সময় টিআইবির ফেলো শাহজাদা এম আকরাম বলেন, এক বছরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করা হয়েছে ৪২৯টি ও মামলা ২৭টি। শেখ হাসিনাসহ ২০৬ জন আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৭৩ জন। আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন সংশোধনের আগেই বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

তবে ট্রাইব্যুনালের বিচারকাজে ধীরগতি আছে। কিছু কিছু বিভাগীয় পদক্ষেপের বাইরে বাস্তবে পুলিশের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর জবাবদিহির অগ্রগতি না থাকা সরকারের সদিচ্ছা ও সক্ষমতার ঘাটতি দেখা গেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শাহজাদা এম আকরাম বলেন, শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠিত, বিচার শুরু হয়েছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় (১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত) সারা দেশে দায়ের করা প্রায় সব হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, ফেলো মো. জুলকারনাইন, ফারহানা রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাম ও হামের উপসর্গে মারা গেল আরও ১৬ শিশু, মোট মৃত্যু ৫২৮

১১ মাসে সারা দেশে পুলিশের বিরুদ্ধে ৭৬১টি মামলা

আপডেট সময় ০১:৪০:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পরবর্তী ১১ মাসে পুলিশের বিরুদ্ধে সারা দেশে ৭৬১টি মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

সংস্থাটি বলছে, এসব মামলায় আসামি করা হয়েছে ১ হাজার ১৬৮ পুলিশকে। তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৬১ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। এ ছাড়া ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় ১ হাজার ৬০২টি মামলা হয়েছে।

এর মধ্যে ৬৩৮টি হত্যা মামলা রয়েছে। এসব মামলায় পতিত সরকারের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যসহ আনুমানিক ৮৭ জন গ্রেপ্তার রয়েছেন। ৭০ শতাংশ মামলার তদন্তে ‘সন্তোষজনক অগ্রগতি’ রয়েছে। ৬০-৭০টি হত্যা মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

সোমবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর মাইডাস সেন্টারে টিআইবির সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘নতুন বাংলাদেশ : কর্তৃত্ববাদী সরকার পতন-পরবর্তী এক বছরের ওপর পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়।

এ সময় টিআইবির ফেলো শাহজাদা এম আকরাম বলেন, এক বছরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করা হয়েছে ৪২৯টি ও মামলা ২৭টি। শেখ হাসিনাসহ ২০৬ জন আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৭৩ জন। আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন সংশোধনের আগেই বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

তবে ট্রাইব্যুনালের বিচারকাজে ধীরগতি আছে। কিছু কিছু বিভাগীয় পদক্ষেপের বাইরে বাস্তবে পুলিশের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর জবাবদিহির অগ্রগতি না থাকা সরকারের সদিচ্ছা ও সক্ষমতার ঘাটতি দেখা গেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শাহজাদা এম আকরাম বলেন, শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠিত, বিচার শুরু হয়েছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় (১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত) সারা দেশে দায়ের করা প্রায় সব হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, ফেলো মো. জুলকারনাইন, ফারহানা রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।