প্লাস্টিক বর্জ্যকে আধুনিক প্রযুক্তি ও সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মূল্যবান সম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব, তবে এর জন্য সমাজের সব স্তরের অংশীদারদের ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে। বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠকে এই মন্তব্য করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ড. মো. লুৎফর রহমান। তিনি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) থেকে শুরু করে দেশের বড় বড় শিল্প মালিকদের এই রিসাইক্লিং ও পরিবেশ রক্ষা কার্যক্রমে শামিল হওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানান।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত পরিবেশ অধিদপ্তর ভবনে ‘বাংলাদেশ টেকসই প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: চ্যালেঞ্জ ও অংশীদারদের দায়িত্ব’ শীর্ষক এই বিশেষ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। পরিবেশ অধিদপ্তর এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগ্রুপ প্রাণ-আরএফএল যৌথভাবে এই আলোচনার আয়োজন করে, যেখানে সংবাদ মাধ্যম অংশীদার (মিডিয়া পার্টনার) হিসেবে যুক্ত ছিল জাগো নিউজ।
বৈঠকে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, “প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেবল কোনো একটি নির্দিষ্ট দিবসের কর্মসূচি নয়, বরং সারা বছরই আমাদের এই বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে। আজকের এই গোলটেবিল আলোচনা থেকে যে সমস্ত দূরদর্শী ও কার্যকর সুপারিশ উঠে আসবে, তা আমাদের নীতি নির্ধারণী (পলিসি) পর্যায়ে সরাসরি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে।”
টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্বের ওপর জোর দিয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সবাই মিলে একসাথে কাজ করলে প্লাস্টিক দূষণের চ্যালেঞ্জকে অর্থনৈতিক সম্ভাবনায় রূপ দেওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র।
উক্ত নীতি-নির্ধারণী সংলাপে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জিয়াউল হক, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল, ইউনিলিভার বাংলাদেশের কান্ট্রি প্রকিওরমেন্ট লিড দিলরুবা আহমেদ এবং ব্র্যাকের পরিচালক ড. মো. লিয়াকত আলী। এছাড়া জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল কাদের ইবনে কামাল, ঢাকা দক্ষিণ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাবৃন্দ এবং নেসলে বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নানা কারিগরি ও বাস্তবমুখী দিক নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।
প্রকৃতিবার্তা ডেস্ক 









