সংবাদ শিরোনাম ::

সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রায় নতুন রেকর্ড! জলবায়ু ঝুঁকির নতুন অধ্যায়

সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রায় নতুন রেকর্ড! জলবায়ু ঝুঁকির নতুন অধ্যায়

বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের তীব্রতার মাঝে এবার জুনেই সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেকর্ড স্পর্শ করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থা ‘কোপারনিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিস’-এর বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

কোপারনিকাস জানায়, গত ২১ জুন মেরু অঞ্চল বাদে বিশ্বের সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় তাপমাত্রা ২০২৩ ও ২০২৪ সালের একই সময়ের সব রেকর্ড অতিক্রম করেছে।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, মানবসৃষ্ট দূষণ এবং তেল, কয়লা ও গ্যাসের মতো জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যাপক ব্যবহারের কারণে মহাসাগরগুলো দ্রুত উষ্ণ হয়ে উঠছে।

সমুদ্র বিশ্বের সবচেয়ে ভরসার হিট সিংক। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে সৃষ্ট অতিরিক্ত তাপশক্তির ৯০ শতাংশের বেশি শোষণ করে সমুদ্র।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫টি হিরোশিমা বোমার সমপরিমাণ তাপ সমুদ্রে যুক্ত হতো, যা বর্তমানে বেড়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১১টি হিরোশিমা বোমার শক্তির সমান তাপে পৌঁছেছে।

গত বছর মহাসাগরে সঞ্চিত অতিরিক্ত তাপের পরিমাণ ছিল রেকর্ড ২৩ জেটাজুল, যা বিগত দুই দশকের গড়ের দ্বিগুণেরও বেশি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সমুদ্রের এই অস্বাভাবিক উষ্ণতা এবং ‘এল নিনো’ আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে আগামী মাসগুলোতে বিশ্বজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ, বন্যা ও শক্তিশালী সামুদ্রিক ঝড়ের ঝুঁকি আরও বাড়বে।

এই পরিস্থিতিকে জলবায়ুর এক নতুন ও বিপজ্জনক অধ্যায়ের সূচনা বলে উল্লেখ করেছেন কোপারনিকাসের পরিচালক কার্লো বুওনটেম্পো।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রায় নতুন রেকর্ড! জলবায়ু ঝুঁকির নতুন অধ্যায়

সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রায় নতুন রেকর্ড! জলবায়ু ঝুঁকির নতুন অধ্যায়

আপডেট সময় ০৫:৫৫:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের তীব্রতার মাঝে এবার জুনেই সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেকর্ড স্পর্শ করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থা ‘কোপারনিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিস’-এর বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

কোপারনিকাস জানায়, গত ২১ জুন মেরু অঞ্চল বাদে বিশ্বের সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় তাপমাত্রা ২০২৩ ও ২০২৪ সালের একই সময়ের সব রেকর্ড অতিক্রম করেছে।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, মানবসৃষ্ট দূষণ এবং তেল, কয়লা ও গ্যাসের মতো জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যাপক ব্যবহারের কারণে মহাসাগরগুলো দ্রুত উষ্ণ হয়ে উঠছে।

সমুদ্র বিশ্বের সবচেয়ে ভরসার হিট সিংক। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে সৃষ্ট অতিরিক্ত তাপশক্তির ৯০ শতাংশের বেশি শোষণ করে সমুদ্র।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫টি হিরোশিমা বোমার সমপরিমাণ তাপ সমুদ্রে যুক্ত হতো, যা বর্তমানে বেড়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১১টি হিরোশিমা বোমার শক্তির সমান তাপে পৌঁছেছে।

গত বছর মহাসাগরে সঞ্চিত অতিরিক্ত তাপের পরিমাণ ছিল রেকর্ড ২৩ জেটাজুল, যা বিগত দুই দশকের গড়ের দ্বিগুণেরও বেশি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সমুদ্রের এই অস্বাভাবিক উষ্ণতা এবং ‘এল নিনো’ আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে আগামী মাসগুলোতে বিশ্বজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ, বন্যা ও শক্তিশালী সামুদ্রিক ঝড়ের ঝুঁকি আরও বাড়বে।

এই পরিস্থিতিকে জলবায়ুর এক নতুন ও বিপজ্জনক অধ্যায়ের সূচনা বলে উল্লেখ করেছেন কোপারনিকাসের পরিচালক কার্লো বুওনটেম্পো।