সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু Logo হাম হলে শিশুকে যেসব খাবার খাওয়াবেন Logo ২২০০ পিঁপড়া পাচার চেষ্টায় চীনা নাগরিকের এক বছরের জেল Logo চট্টগ্রামে নিজেই হাসপাতালে এসে ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা নিলো কাক! Logo বাংলাদেশে প্রতি তিন শিশুর মধ্যে এক জন মারাত্মকভাবে জলবায়ু ঝুঁকির মুখে Logo এপ্রিল এখন পর্যন্ত সহনীয়, দেশে এবছরের গ্রীষ্ম কম ভোগাবে আশা আবহাওয়াবিদের   Logo আজ স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo ‘ধান খাওয়ায়’ মেরে ফেলা হলো বাবুই পাখির ২৯ বাচ্চা, এক জনের কারাদণ্ড Logo পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া Logo জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

বিশ্বের বিরলতম তিমির দেখা মিলল

প্রতিবছরই তিমিদের রহস্যময় মৃত্যুর খবর আসছে বিশ্বগণমাধ্যমে। মাঝে মাঝে শত শত তিমি আটকে পড়ছে কোনো দেশের সমুদ্র সৈকতে। কেন এমন হচ্ছে এর কোনো জবাব এখনো পাননি গবেষকরা। এবার নিউজিল্যান্ডের সৈকতে পাওয়া গেল বিশ্বের বিরলতম এক তিমির মরদেহ। এই তিমি এতোই বিরল যে এই প্রজাতির আর কোনো জীবিত তিমির দেখাই পাওয়া যায়নি। স্পেড-টিথ বা কোদাল-দাঁতের এই তিমিটি এই মাসের শুরুতে নিউজিল্যান্ডের সৈকতে পাওয়া গেছে। শুরুতে তিমিটির প্রজাতি সনাক্ত করতে পারেননি গবেষকরা। এরপর তারা নিশ্চিত হয়েছেন এটি একেবারেই বিরল প্রজাতির স্পেড-টিথ তিমি।

৫ মিটার দীর্ঘ তিমিটির মুখ ডলফিনের মতো, দেখতেও ডলফিনের সঙ্গে মিল আছে। তবে ডলফিন এত বড় হয় না। এটির দাঁত, গায়ের রং ও চোয়ালের গঠন পরীক্ষা করে বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত হয়েছেন তিমিটি বিরলতম স্পেড-টিথ প্রজাতির। সৈকত থেকে তিমির মরদেহটি উদ্ধার করে কোল্ড স্টোরেজে নিয়ে করা হয় ডিএনএ টেস্ট। এতে বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত হন এটি স্পেড টিথ।

এই প্রজাতির তিমি যে আসলেই বেঁচে আছে এই মরদেহ তারই প্রমাণ। প্রজাতিটি এতটা বিলুপ্ত যে একে বলতে গেলে জীবিত দেখা যায়নি বহু বছর। স্বাভাবিকভাবেই তিমিটি সম্পর্কে জানাশোনা বেশ কম। গবেষকরা আশা করছেন, সদ্য পাওয়া স্পেড টিথের মরদেহ থেকে অজানা তথ্য মিলবে, বোঝা যাবে এই প্রজাতি সম্পর্কে।

নিউজিল্যান্ডের ডিপার্টমেন্ট অব কনজারভেশনের কর্মকর্তা গ্যাবে ডাভিয়েস বলেন, ‘সামুদ্রিক স্তন্যপায়ীদের মধ্যে স্পেড-টিথ তিমিদের সম্পর্কে মানুষের জ্ঞান খুবই সামান্য। এখন পর্যন্ত বিশ্বে এই প্রজাতির মাত্র ছয়টি তিমির খোঁজ পাওয়া গেছে।’

তাই নিউজিল্যান্ডের ওটাগো প্রদেশের তাইয়ারি নদীর মোহনায় পাওয়া এই তিমিটি গবেষণা ও সংরক্ষণের প্রশ্নে বিশাল এক প্রাপ্তি বলে মনে করেন গ্যাবে।
১৮৭৪ সালে নিউজিল্যান্ডের চাথাম আইল্যান্ডস থেকে সাধারণ তিমির চেয়ে অন্যরকম দেখতে এক তিমির দেহাবশেষ উদ্ধার হয়। তিমিটির নিচের চোয়াল ও দাঁত ছিল ভিন্নধাচের। এরপর নিউজিল্যান্ডের আরেকটি জায়গা এবং চিলি থেকে আরও দু’টি তিমির দেহাবশেষ পাওয়া যায়। পরে জানা যায়, আসলে এরা ছিল বিরল স্পেড-টিথ তিমি।

তিমি নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী মাউরিদের কাছে পবিত্র প্রাণী। সদ্য উদ্ধার হওয়া স্পেড-টিথের মরদেহটির আসলে কী হবে তা ঠিক করা হবে মাউরিদের অনুমতি নিয়েই।

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু

বিশ্বের বিরলতম তিমির দেখা মিলল

আপডেট সময় ০৬:৫০:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪

প্রতিবছরই তিমিদের রহস্যময় মৃত্যুর খবর আসছে বিশ্বগণমাধ্যমে। মাঝে মাঝে শত শত তিমি আটকে পড়ছে কোনো দেশের সমুদ্র সৈকতে। কেন এমন হচ্ছে এর কোনো জবাব এখনো পাননি গবেষকরা। এবার নিউজিল্যান্ডের সৈকতে পাওয়া গেল বিশ্বের বিরলতম এক তিমির মরদেহ। এই তিমি এতোই বিরল যে এই প্রজাতির আর কোনো জীবিত তিমির দেখাই পাওয়া যায়নি। স্পেড-টিথ বা কোদাল-দাঁতের এই তিমিটি এই মাসের শুরুতে নিউজিল্যান্ডের সৈকতে পাওয়া গেছে। শুরুতে তিমিটির প্রজাতি সনাক্ত করতে পারেননি গবেষকরা। এরপর তারা নিশ্চিত হয়েছেন এটি একেবারেই বিরল প্রজাতির স্পেড-টিথ তিমি।

৫ মিটার দীর্ঘ তিমিটির মুখ ডলফিনের মতো, দেখতেও ডলফিনের সঙ্গে মিল আছে। তবে ডলফিন এত বড় হয় না। এটির দাঁত, গায়ের রং ও চোয়ালের গঠন পরীক্ষা করে বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত হয়েছেন তিমিটি বিরলতম স্পেড-টিথ প্রজাতির। সৈকত থেকে তিমির মরদেহটি উদ্ধার করে কোল্ড স্টোরেজে নিয়ে করা হয় ডিএনএ টেস্ট। এতে বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত হন এটি স্পেড টিথ।

এই প্রজাতির তিমি যে আসলেই বেঁচে আছে এই মরদেহ তারই প্রমাণ। প্রজাতিটি এতটা বিলুপ্ত যে একে বলতে গেলে জীবিত দেখা যায়নি বহু বছর। স্বাভাবিকভাবেই তিমিটি সম্পর্কে জানাশোনা বেশ কম। গবেষকরা আশা করছেন, সদ্য পাওয়া স্পেড টিথের মরদেহ থেকে অজানা তথ্য মিলবে, বোঝা যাবে এই প্রজাতি সম্পর্কে।

নিউজিল্যান্ডের ডিপার্টমেন্ট অব কনজারভেশনের কর্মকর্তা গ্যাবে ডাভিয়েস বলেন, ‘সামুদ্রিক স্তন্যপায়ীদের মধ্যে স্পেড-টিথ তিমিদের সম্পর্কে মানুষের জ্ঞান খুবই সামান্য। এখন পর্যন্ত বিশ্বে এই প্রজাতির মাত্র ছয়টি তিমির খোঁজ পাওয়া গেছে।’

তাই নিউজিল্যান্ডের ওটাগো প্রদেশের তাইয়ারি নদীর মোহনায় পাওয়া এই তিমিটি গবেষণা ও সংরক্ষণের প্রশ্নে বিশাল এক প্রাপ্তি বলে মনে করেন গ্যাবে।
১৮৭৪ সালে নিউজিল্যান্ডের চাথাম আইল্যান্ডস থেকে সাধারণ তিমির চেয়ে অন্যরকম দেখতে এক তিমির দেহাবশেষ উদ্ধার হয়। তিমিটির নিচের চোয়াল ও দাঁত ছিল ভিন্নধাচের। এরপর নিউজিল্যান্ডের আরেকটি জায়গা এবং চিলি থেকে আরও দু’টি তিমির দেহাবশেষ পাওয়া যায়। পরে জানা যায়, আসলে এরা ছিল বিরল স্পেড-টিথ তিমি।

তিমি নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী মাউরিদের কাছে পবিত্র প্রাণী। সদ্য উদ্ধার হওয়া স্পেড-টিথের মরদেহটির আসলে কী হবে তা ঠিক করা হবে মাউরিদের অনুমতি নিয়েই।