সংবাদ শিরোনাম ::
Logo হাম ও হামের উপসর্গে মারা গেল আরও ১৬ শিশু, মোট মৃত্যু ৫২৮ Logo কাজী নজরুলের অনন্য প্রকৃতিপ্রেম Logo ছাতিমকে কেন ‘শয়তানের গাছ’ বলে? Logo শিশু রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল Logo পাকিস্তানে সেনাসদস্যদের বহনকারী ট্রেনে শক্তিশালী গাড়িবোমা হামলা, নিহত ২৪ Logo বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল শক্তি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ: ঢাকায় ১২ ঘণ্টার মধ্যেই পরিষ্কার হবে কোরবানির বর্জ্য Logo ঈদের আগে শেষ কর্মদিবস আজ, কাল থেকে টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু Logo ফরিদপুরে বাস-অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫ জন নিহত Logo আগামী এক মাসের মধ্যে রামিসা হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

লিভারের ৭৫ শতাংশ অকেজো থাকার পরেও যেভাবে বেঁচে আছেন অমিতাভ বচ্চন

লিভারের ৭৫ শতাংশ অকেজো থাকার পরেও যেভাবে বেঁচে আছেন অমিতাভ বচ্চন

বয়সকে কখনো পাত্তাই দেননি বলিউডের মহানায়ক অমিতাভ বচ্চন। ৮২ বছরেও অসাধারণ অভিনয় দক্ষতায় দর্শকদের কাবু করে যাচ্ছেন তিনি। পর্দায় তার উপস্থিতি সবসময়ই বড় চমক। এখনো কঠোর পরিশ্রম করেন প্রতিদিন।

তবে দীর্ঘদিন ধরেই অনেক রোগের সঙ্গে লড়াই করছেন অমিতাভ। যা কখনো প্রকাশ্যে আনেননি অভিনেতা। চার দশক আগে তিনি মৃত্যুর হাত থেকে অল্পের জন্য বেঁচেছিলেন। এরপর থেকেই এক যন্ত্রনা আজও বয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, ১৯৮২ সালে ‘কুলি’ ছবির শুটিংয়ের সময়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়েছিলেন অমিতাভ। সেই সময়ে তাঁর পেটে গুরুতর চোট লাগে। এমনকী একটা সময়ে চিকিৎসকেরা তাঁকে ‘মৃত’ বলেও ঘোষণা করেছিলেন। তবে জানেন কি ৪৩ বছর আগে কারো একটি ভুলের শাস্তি ভোগ করতে হচ্ছে অমিতাভকে?
রিপোর্ট অনুসারে, ‘কুলি’ সিনেমার শুটিংয়ে স্টান্ট করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হওয়ার সময় ‘হেপাটাইটিস বি’ রোগে আক্রান্ত হন অমিতাভ। তাতেই নষ্ট হয়ে লিভারের একটা বড় অংশ। সুস্থ থাকতে খাওয়া-দাওয়া কমিয়ে দিয়েছেন তিনি। মাছ-মাংসও খান না। ডাল, সবজি, রুটি খান। বেশিরভাগ দিন দই-ভাত খান। এ ছাড়াও আমলা, তুলসীর রস খান। মদ্যপান, ধূমপান সম্পূর্ণভাবে ত্যাগ করেছেন।
১৯৮২ সালে এই ছবির শুটিংয়ের সময় যে অঘটন ঘটে, তার জন্য সেই সময় তাকে ২০০ জন ৬০ ব্যাগ রক্ত দিয়েছিলেন। অমিতাভ জানিয়েছেন, এই ২০০ জনের মধ্যে একজনের শরীরে ছিল ‘হেপাটাইটিস বি’ ভাইরাস। সেখান থেকেই তার শরীরে সংক্রমিত হয় এই রোগ। ধীরে ধীরে কার্যক্ষমতা হারিয়েছে তার লিভার। ২০০০ সালের আগে পর্যন্ত এই ভয়ানক বিষয়টি জানতে পারেননি তিনি। সেই সময় আবার যক্ষায় আক্রান্ত হন তিনি। দিনে ৮-১০টা করে ওষুধ খেয়ে সঞ্চালনার কাজ চালিয়ে গিয়েছেন। ফলে গত কয়েক বছরে অনেকটাই অকেজো হয়ে এসেছে তার লিভার।
অমিতাভ আরো বলেন, ‘১৯৮২ সালের ঘটনা। পরবর্তীকালে নিয়মিত চেকআপের সময়ে জানা যায় আমার লিভারের ৭৫ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই এখন আমি আমার ২৫ শতাংশ লিভারের সাহায্যে বেঁচে আছি।’ এই ঘটনার পর থেকেই লাইফস্টাইল বদলেছেন অমিতাভ। কাজের পাশাপাশি ফিটনেসের প্রতিও দিয়েছেন অতিরিক্ত নজর। তাই ৮২ বছর বয়সেও দিব্যি সুস্থ রয়েছেন এ বর্ষীয়ান অভিনেতা।
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাম ও হামের উপসর্গে মারা গেল আরও ১৬ শিশু, মোট মৃত্যু ৫২৮

লিভারের ৭৫ শতাংশ অকেজো থাকার পরেও যেভাবে বেঁচে আছেন অমিতাভ বচ্চন

আপডেট সময় ০৪:৪৬:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
বয়সকে কখনো পাত্তাই দেননি বলিউডের মহানায়ক অমিতাভ বচ্চন। ৮২ বছরেও অসাধারণ অভিনয় দক্ষতায় দর্শকদের কাবু করে যাচ্ছেন তিনি। পর্দায় তার উপস্থিতি সবসময়ই বড় চমক। এখনো কঠোর পরিশ্রম করেন প্রতিদিন।

তবে দীর্ঘদিন ধরেই অনেক রোগের সঙ্গে লড়াই করছেন অমিতাভ। যা কখনো প্রকাশ্যে আনেননি অভিনেতা। চার দশক আগে তিনি মৃত্যুর হাত থেকে অল্পের জন্য বেঁচেছিলেন। এরপর থেকেই এক যন্ত্রনা আজও বয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, ১৯৮২ সালে ‘কুলি’ ছবির শুটিংয়ের সময়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়েছিলেন অমিতাভ। সেই সময়ে তাঁর পেটে গুরুতর চোট লাগে। এমনকী একটা সময়ে চিকিৎসকেরা তাঁকে ‘মৃত’ বলেও ঘোষণা করেছিলেন। তবে জানেন কি ৪৩ বছর আগে কারো একটি ভুলের শাস্তি ভোগ করতে হচ্ছে অমিতাভকে?
রিপোর্ট অনুসারে, ‘কুলি’ সিনেমার শুটিংয়ে স্টান্ট করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হওয়ার সময় ‘হেপাটাইটিস বি’ রোগে আক্রান্ত হন অমিতাভ। তাতেই নষ্ট হয়ে লিভারের একটা বড় অংশ। সুস্থ থাকতে খাওয়া-দাওয়া কমিয়ে দিয়েছেন তিনি। মাছ-মাংসও খান না। ডাল, সবজি, রুটি খান। বেশিরভাগ দিন দই-ভাত খান। এ ছাড়াও আমলা, তুলসীর রস খান। মদ্যপান, ধূমপান সম্পূর্ণভাবে ত্যাগ করেছেন।
১৯৮২ সালে এই ছবির শুটিংয়ের সময় যে অঘটন ঘটে, তার জন্য সেই সময় তাকে ২০০ জন ৬০ ব্যাগ রক্ত দিয়েছিলেন। অমিতাভ জানিয়েছেন, এই ২০০ জনের মধ্যে একজনের শরীরে ছিল ‘হেপাটাইটিস বি’ ভাইরাস। সেখান থেকেই তার শরীরে সংক্রমিত হয় এই রোগ। ধীরে ধীরে কার্যক্ষমতা হারিয়েছে তার লিভার। ২০০০ সালের আগে পর্যন্ত এই ভয়ানক বিষয়টি জানতে পারেননি তিনি। সেই সময় আবার যক্ষায় আক্রান্ত হন তিনি। দিনে ৮-১০টা করে ওষুধ খেয়ে সঞ্চালনার কাজ চালিয়ে গিয়েছেন। ফলে গত কয়েক বছরে অনেকটাই অকেজো হয়ে এসেছে তার লিভার।
অমিতাভ আরো বলেন, ‘১৯৮২ সালের ঘটনা। পরবর্তীকালে নিয়মিত চেকআপের সময়ে জানা যায় আমার লিভারের ৭৫ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই এখন আমি আমার ২৫ শতাংশ লিভারের সাহায্যে বেঁচে আছি।’ এই ঘটনার পর থেকেই লাইফস্টাইল বদলেছেন অমিতাভ। কাজের পাশাপাশি ফিটনেসের প্রতিও দিয়েছেন অতিরিক্ত নজর। তাই ৮২ বছর বয়সেও দিব্যি সুস্থ রয়েছেন এ বর্ষীয়ান অভিনেতা।