শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। রাজশাহীতে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়। একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি রাজশাহী জেলা ও মহানগরের উদ্যোগে দিনটি পালন করা হয়।

বুধবার (২৬ জুন) সকাল সাড়ে ৮টায় মহানগরীর লক্ষ্মীপুর মোড়ে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এরপর আগে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে সেখানে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের মৃত্যুবার্ষিকী জাতীয়ভাবে পালনের দাবি জানানো হয়। এতে বক্তারা বলেন, শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি গঠন করে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি রাজাকার-আলবদর-আলশামসদের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হয়েছিল। কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমের বিরুদ্ধে গণআদালত গঠন করে প্রতীকী বিচার শুরু করা হয়েছিল। তার আন্দোলনের কারণেই আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার পেয়েছি। তাই মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনরুদ্ধারে শহীদ জননীর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

এই কর্মসূচিতে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ কামারুজ্জামান, জেলা সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান আলী বরজাহান, মহানগর সভাপতি আবদুল লতিফ চঞ্চল, জেলা সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোসনা আরা খাতুন, মহানগর সাধারণ সম্পাদক ও প্রকৌশলী তামিম শিরাজীসহ মহানগর, দপ্তর সম্পাদক ওয়ালিউর শেখ, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাহী ইলাহি, যুব ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক মাহাফুজ রহমান, স্টুডেন্ট ফ্রন্টের সভাপতি ইখতিয়ার প্রামাণিকসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে রক্ষা পেল তিন হাজারের বেশি গাছ

শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আপডেট সময় ০৬:৪৮:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুন ২০২৪
শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। রাজশাহীতে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়। একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি রাজশাহী জেলা ও মহানগরের উদ্যোগে দিনটি পালন করা হয়।

বুধবার (২৬ জুন) সকাল সাড়ে ৮টায় মহানগরীর লক্ষ্মীপুর মোড়ে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এরপর আগে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে সেখানে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের মৃত্যুবার্ষিকী জাতীয়ভাবে পালনের দাবি জানানো হয়। এতে বক্তারা বলেন, শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি গঠন করে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি রাজাকার-আলবদর-আলশামসদের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হয়েছিল। কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমের বিরুদ্ধে গণআদালত গঠন করে প্রতীকী বিচার শুরু করা হয়েছিল। তার আন্দোলনের কারণেই আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার পেয়েছি। তাই মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনরুদ্ধারে শহীদ জননীর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

এই কর্মসূচিতে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ কামারুজ্জামান, জেলা সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান আলী বরজাহান, মহানগর সভাপতি আবদুল লতিফ চঞ্চল, জেলা সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোসনা আরা খাতুন, মহানগর সাধারণ সম্পাদক ও প্রকৌশলী তামিম শিরাজীসহ মহানগর, দপ্তর সম্পাদক ওয়ালিউর শেখ, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাহী ইলাহি, যুব ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক মাহাফুজ রহমান, স্টুডেন্ট ফ্রন্টের সভাপতি ইখতিয়ার প্রামাণিকসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।