সংবাদ শিরোনাম ::
Logo হাম ও হামের উপসর্গে মারা গেল আরও ১৬ শিশু, মোট মৃত্যু ৫২৮ Logo কাজী নজরুলের অনন্য প্রকৃতিপ্রেম Logo ছাতিমকে কেন ‘শয়তানের গাছ’ বলে? Logo শিশু রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল Logo পাকিস্তানে সেনাসদস্যদের বহনকারী ট্রেনে শক্তিশালী গাড়িবোমা হামলা, নিহত ২৪ Logo বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল শক্তি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ: ঢাকায় ১২ ঘণ্টার মধ্যেই পরিষ্কার হবে কোরবানির বর্জ্য Logo ঈদের আগে শেষ কর্মদিবস আজ, কাল থেকে টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু Logo ফরিদপুরে বাস-অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫ জন নিহত Logo আগামী এক মাসের মধ্যে রামিসা হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

সাবেক সেনাপ্রধান এম হারুন-অর-রশীদ মারা গেছেন

সাবেক সেনাপ্রধান এম হারুন-অর-রশীদ মারা গেছেন

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক প্রধান এম হারুন-অর-রশীদ মারা গেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। সোমবার (৪ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রাম ক্লাবের একটি কক্ষে তাঁর মরদেহ পাওয়া যায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম ক্লাবের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফ উদ্দিন।

তিনি বলেন, “সাবেক সেনাপ্রধান এম হারুন-অর-রশীদ ক্লাবের গেস্টহাউসের একটি কক্ষে একা ছিলেন। আজ অনেক বেলা পর্যন্ত তিনি কক্ষ থেকে বের না হওয়ায় ক্লাবের লোকজন বিচলিত হন। দুপুর ১২টার পর পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে কক্ষের তালা খুলে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়।”

তিনি আরও বলেন, “চিকিৎসকদের ধারণা কক্ষের মধ্যে রাতে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।”

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল করিম বলেন, “সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল চট্টগ্রামের চিকিৎসকদের একটি দল চট্টগ্রাম ক্লাবে এসে সাবেক সেনাপ্রধানের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। পরে তারা সাবেক সেনাপ্রধানকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে এটি স্বাভাবিক মৃত্যু বলে তারা জানিয়েছেন।”

এম হারুন-অর-রশীদ ১৯৪৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চট্টগ্রামের হাটহাজারীর বাসিন্দা। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য তিনি বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত হন। ২০০০ সালের ২৪ ডিসেম্বর তিনি লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে উন্নীত হয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান নিযুক্ত হন। ২০০২ সালের জুনে জেনারেল হাসান মশহুদ তার স্থলাভিষিক্ত হন। অবসর গ্রহণের পর এম হারুন-অর-রশীদ অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও ফিজিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এছাড়াও এম হারুন-অর-রশীদ ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট হিসেবে যোগ দেন ২০০৬ সালে। পরের কয়েক বছরে আরও বহু ক্ষেত্রে ডেসটিনির ব্যবসা বিস্তৃত হতে দেখা যায়। কিন্তু জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগ এবং ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের ক্ষোভ-বিক্ষোভ তুঙ্গে উঠলে ২০১২ সালে হারুনকে কারাগারেও যেতে হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাম ও হামের উপসর্গে মারা গেল আরও ১৬ শিশু, মোট মৃত্যু ৫২৮

সাবেক সেনাপ্রধান এম হারুন-অর-রশীদ মারা গেছেন

আপডেট সময় ০৩:৩২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক প্রধান এম হারুন-অর-রশীদ মারা গেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। সোমবার (৪ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রাম ক্লাবের একটি কক্ষে তাঁর মরদেহ পাওয়া যায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম ক্লাবের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফ উদ্দিন।

তিনি বলেন, “সাবেক সেনাপ্রধান এম হারুন-অর-রশীদ ক্লাবের গেস্টহাউসের একটি কক্ষে একা ছিলেন। আজ অনেক বেলা পর্যন্ত তিনি কক্ষ থেকে বের না হওয়ায় ক্লাবের লোকজন বিচলিত হন। দুপুর ১২টার পর পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে কক্ষের তালা খুলে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়।”

তিনি আরও বলেন, “চিকিৎসকদের ধারণা কক্ষের মধ্যে রাতে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।”

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল করিম বলেন, “সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল চট্টগ্রামের চিকিৎসকদের একটি দল চট্টগ্রাম ক্লাবে এসে সাবেক সেনাপ্রধানের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। পরে তারা সাবেক সেনাপ্রধানকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে এটি স্বাভাবিক মৃত্যু বলে তারা জানিয়েছেন।”

এম হারুন-অর-রশীদ ১৯৪৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চট্টগ্রামের হাটহাজারীর বাসিন্দা। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য তিনি বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত হন। ২০০০ সালের ২৪ ডিসেম্বর তিনি লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে উন্নীত হয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান নিযুক্ত হন। ২০০২ সালের জুনে জেনারেল হাসান মশহুদ তার স্থলাভিষিক্ত হন। অবসর গ্রহণের পর এম হারুন-অর-রশীদ অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও ফিজিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এছাড়াও এম হারুন-অর-রশীদ ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট হিসেবে যোগ দেন ২০০৬ সালে। পরের কয়েক বছরে আরও বহু ক্ষেত্রে ডেসটিনির ব্যবসা বিস্তৃত হতে দেখা যায়। কিন্তু জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগ এবং ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের ক্ষোভ-বিক্ষোভ তুঙ্গে উঠলে ২০১২ সালে হারুনকে কারাগারেও যেতে হয়।