সংবাদ শিরোনাম ::
Logo হাম ও হামের উপসর্গে মারা গেল আরও ১৬ শিশু, মোট মৃত্যু ৫২৮ Logo কাজী নজরুলের অনন্য প্রকৃতিপ্রেম Logo ছাতিমকে কেন ‘শয়তানের গাছ’ বলে? Logo শিশু রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল Logo পাকিস্তানে সেনাসদস্যদের বহনকারী ট্রেনে শক্তিশালী গাড়িবোমা হামলা, নিহত ২৪ Logo বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল শক্তি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ: ঢাকায় ১২ ঘণ্টার মধ্যেই পরিষ্কার হবে কোরবানির বর্জ্য Logo ঈদের আগে শেষ কর্মদিবস আজ, কাল থেকে টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু Logo ফরিদপুরে বাস-অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫ জন নিহত Logo আগামী এক মাসের মধ্যে রামিসা হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী
প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

নতুন প্রজন্মকে সাথে নিয়ে এবছরের ‘সবুজে সাজাই বাংলাদেশ’ শুরু 

  • নাসিমুল শুভ
  • আপডেট সময় ০৭:৩৯:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫
  • 667

নতুন প্রজন্মকে সাথে নিয়ে এবছরের ‘সবুজে সাজাই বাংলাদেশ’ শুরু

বৃহস্পতিবার (১৫ মে) সকাল, রাজধানীর অদূরে পূর্বাচলের আশালয় হাউজিংয়ের সবুজ প্রকৃতির মাঝে যেন প্রাণোচ্ছল জারুল ফুলেরা হেঁটে বেড়াচ্ছে!  বেগুনী রঙের স্কুলড্রেসে ফুটফুটে শিশুদের বৃষ্টিধোয়া জারুল ফুলের মতোই লাগছিল।

সকাল সকাল তাদের সবার হাতে হাতে ফলদ, বনজ, ঔষধি গাছের চারা তুলে দেয় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব। হাউজিং সোসাইটির রাস্তার পাশেই তাদেরকে সাথে নিয়ে এবছরের ‘সবুজে সাজাই বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকিত মজুমদার বাবু।

 এর মাধ্যমে প্রতিবছরের মতো এবারও পরিবেশ দিবস ও আসন্ন বর্ষা ঋতুর আগে সামাজিক বনায়নের বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু করলো প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব। এবারের লক্ষ্য দেশব্যাপী প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবগুলোর মাধ্যমে কমপক্ষে ২০ লাখ গাছের চারা রোপণ করা।

এবছরের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুরুটা হলো নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের পিতলগঞ্জে অবস্থিত আব্দুল হক ভূঞা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে। মুকিত মজুমদার বাবুর নেতৃত্বে তাদের হাতে গাছের চারা তুলে দেন প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব সদস্য, প্রকৃতিবিদ এবং প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন টিমের সদস্যরা। এরপর শিক্ষার্থীদের নিয়েই আশালয় হাউজিংয়ের রাস্তার ধারে গাছের চারাগুলো রোপণ করা হয়।

চারা রোপণের পর মুকিত মজুমদার বাবু প্রকৃতিবার্তাকে বলেন, ‘উষ্ণতা কমাতে, অক্সিজেনের যোগান নিশ্চিত করতে গাছ আমাদের লাগবেই। প্রকৃতি রক্ষা করতে হলে গাছের বিকল্প নাই, গাছে ফল হচ্ছে, ফুল হচ্ছে, এই গাছের কারণেই আমাদের যে প্রাণীকূল আছে তারা জীবনধারণ করছে। কীটপতঙ্গও গাছের ওপর নির্ভরশীল। আর মানুষের জন্য বিশাল উপকারী ভূমিকা রেখে চলেছে গাছ।’

সবুজে সাজাই বাংলাদেশ প্রতিপাদ্যে শুরু এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন প্রতিবছরের মতো এবছরও প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করলো। এই কর্মসূচী দেশব্যাপী চলবে, ৬৪ টি জেলাতেই আমরা বৃক্ষরোপণ করবো, এবার কমপক্ষে ২০ লাখ বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এই কর্মসূচী শুরু হলো। সামনে বিশ্ব পরিবেশ দিবস, দিবসটিকে সামনে রেখে প্রাক বর্ষার এই সময়টাকে বৃক্ষরোপণের জন্য বেছে নেয়া।’

প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকিত মজুমদার বাবু

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে আসা শিক্ষার্থীদের উদ্দীপনায় আশাবাদী প্রকৃতিবন্ধু । তিনি বলেন, ‘পরিবেশ-প্রকৃতি রক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধি প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের একার কাজ নয়। নিজেদের অস্তিত্ব, ভালো থাকার স্বার্থে পরিবেশের জন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে, বিশেষ করে নতুন প্রজন্মকে, ছাত্র-ছাত্রীদের।

আজকে যেমন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা প্রবল উৎসাহ-উদ্দীপনায় আমাদের সাথে গাছ রোপণ করলো সেভাবে সব জায়গায় নতুন প্রজন্মের মাঝে প্রকৃতির উচ্ছ্বাসে পরিবেশ রক্ষার প্রত্যয় জাগবে আশা করি। ওদের মধ্যে সবুজের যে জাগরণ তা সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক। আশা করি সব স্কুল-কলেজ-মাদরাসাও এই কাজে যুক্ত হবে।’

শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে যোগ দেন আব্দুল হক ভূঞা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ও কলেজের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মো: মনিরুল হক মনির এবং অধ্যক্ষ ফেরদৌস আরা খান।

ফেরদৌস আরা খান, অধ্যক্ষ আব্দুল হক ভূঞা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ও কলেজ।

দিন দিন উত্তপ্ত হয়ে ওঠা আবহাওয়ায় গাছের প্রয়োজন তুলে ধরে অধ্যক্ষ ফেরদৌস আরা খান বলেন, ‘বর্ষার মৌসুমে বেশি করে গাছ লাগানো অবশ্যই উচিৎ, কেবল গাছ রোপণ করলেই হবে না সেসবের রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। বৃক্ষরোপণে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন একা নয়, সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে, ফাঁকা জায়গায় গাছ রোপণ করতে হবে। প্রতিবছর যদি এমন কর্মসূচী আমরা বাস্তবায়ন করতে পারি তাহলে মনে হয় বাংলাদেশে এই তাপপ্রবাহের সমস্যাটা এতো তীব্র হবে না।’

প্রকৃতি ও জীবনের এই কর্মসূচিতে বরাবরের মতোই উপস্থিত ছিলেন প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য বিশেষজ্ঞ এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক এম. মনিরুল এইচ খান।

তিনি বলেন, ‘আজ যেসব গাছের চারা রোপিত হলো সেসব যদি আমরা যত্নে রাখি তাহলে এসব বৃক্ষ কেবল মানুষেরই কাজে লাগবে না বরং এই এলাকায় যে পশুপাখি আছে তাদের খাদ্য-আশ্রয়ে পরিণত হবে। এই আশা নিয়েই আজকের এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি।’

২০২৫ সালের সবুজে সাজাই বাংলাদেশ কর্মযজ্ঞের প্রথম দিনে উপস্থিত ছিলেন প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব ঢাকার বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য প্রকৃতিপ্রেমী আব্দুল হাই খান।

তিনি দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির জন্য প্রকৃতি ও জীবনের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং সবুজে সাজাই বাংলাদেশ প্রতিপাদ্য বাস্তবায়নে সর্বতোভাবে পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আগামীর পরিকল্পিত ও বিস্তৃত ঢাকার পূর্বাচলের আশালয় হাউজিংকে সবুজে সাজানোর উদ্যোগ নেয়ায় প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন, বিশেষ করে মুকিত মজুমদার বাবুর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন হাউজিংয়ের প্লট মালিক সমিতির প্রেসিডেন্ট গোলাম হাবিব।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

হাম ও হামের উপসর্গে মারা গেল আরও ১৬ শিশু, মোট মৃত্যু ৫২৮

প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

নতুন প্রজন্মকে সাথে নিয়ে এবছরের ‘সবুজে সাজাই বাংলাদেশ’ শুরু 

আপডেট সময় ০৭:৩৯:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫

বৃহস্পতিবার (১৫ মে) সকাল, রাজধানীর অদূরে পূর্বাচলের আশালয় হাউজিংয়ের সবুজ প্রকৃতির মাঝে যেন প্রাণোচ্ছল জারুল ফুলেরা হেঁটে বেড়াচ্ছে!  বেগুনী রঙের স্কুলড্রেসে ফুটফুটে শিশুদের বৃষ্টিধোয়া জারুল ফুলের মতোই লাগছিল।

সকাল সকাল তাদের সবার হাতে হাতে ফলদ, বনজ, ঔষধি গাছের চারা তুলে দেয় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব। হাউজিং সোসাইটির রাস্তার পাশেই তাদেরকে সাথে নিয়ে এবছরের ‘সবুজে সাজাই বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকিত মজুমদার বাবু।

 এর মাধ্যমে প্রতিবছরের মতো এবারও পরিবেশ দিবস ও আসন্ন বর্ষা ঋতুর আগে সামাজিক বনায়নের বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু করলো প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব। এবারের লক্ষ্য দেশব্যাপী প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবগুলোর মাধ্যমে কমপক্ষে ২০ লাখ গাছের চারা রোপণ করা।

এবছরের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুরুটা হলো নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের পিতলগঞ্জে অবস্থিত আব্দুল হক ভূঞা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে। মুকিত মজুমদার বাবুর নেতৃত্বে তাদের হাতে গাছের চারা তুলে দেন প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব সদস্য, প্রকৃতিবিদ এবং প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন টিমের সদস্যরা। এরপর শিক্ষার্থীদের নিয়েই আশালয় হাউজিংয়ের রাস্তার ধারে গাছের চারাগুলো রোপণ করা হয়।

চারা রোপণের পর মুকিত মজুমদার বাবু প্রকৃতিবার্তাকে বলেন, ‘উষ্ণতা কমাতে, অক্সিজেনের যোগান নিশ্চিত করতে গাছ আমাদের লাগবেই। প্রকৃতি রক্ষা করতে হলে গাছের বিকল্প নাই, গাছে ফল হচ্ছে, ফুল হচ্ছে, এই গাছের কারণেই আমাদের যে প্রাণীকূল আছে তারা জীবনধারণ করছে। কীটপতঙ্গও গাছের ওপর নির্ভরশীল। আর মানুষের জন্য বিশাল উপকারী ভূমিকা রেখে চলেছে গাছ।’

সবুজে সাজাই বাংলাদেশ প্রতিপাদ্যে শুরু এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন প্রতিবছরের মতো এবছরও প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করলো। এই কর্মসূচী দেশব্যাপী চলবে, ৬৪ টি জেলাতেই আমরা বৃক্ষরোপণ করবো, এবার কমপক্ষে ২০ লাখ বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এই কর্মসূচী শুরু হলো। সামনে বিশ্ব পরিবেশ দিবস, দিবসটিকে সামনে রেখে প্রাক বর্ষার এই সময়টাকে বৃক্ষরোপণের জন্য বেছে নেয়া।’

প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকিত মজুমদার বাবু

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে আসা শিক্ষার্থীদের উদ্দীপনায় আশাবাদী প্রকৃতিবন্ধু । তিনি বলেন, ‘পরিবেশ-প্রকৃতি রক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধি প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের একার কাজ নয়। নিজেদের অস্তিত্ব, ভালো থাকার স্বার্থে পরিবেশের জন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে, বিশেষ করে নতুন প্রজন্মকে, ছাত্র-ছাত্রীদের।

আজকে যেমন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা প্রবল উৎসাহ-উদ্দীপনায় আমাদের সাথে গাছ রোপণ করলো সেভাবে সব জায়গায় নতুন প্রজন্মের মাঝে প্রকৃতির উচ্ছ্বাসে পরিবেশ রক্ষার প্রত্যয় জাগবে আশা করি। ওদের মধ্যে সবুজের যে জাগরণ তা সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক। আশা করি সব স্কুল-কলেজ-মাদরাসাও এই কাজে যুক্ত হবে।’

শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে যোগ দেন আব্দুল হক ভূঞা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ও কলেজের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মো: মনিরুল হক মনির এবং অধ্যক্ষ ফেরদৌস আরা খান।

ফেরদৌস আরা খান, অধ্যক্ষ আব্দুল হক ভূঞা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ও কলেজ।

দিন দিন উত্তপ্ত হয়ে ওঠা আবহাওয়ায় গাছের প্রয়োজন তুলে ধরে অধ্যক্ষ ফেরদৌস আরা খান বলেন, ‘বর্ষার মৌসুমে বেশি করে গাছ লাগানো অবশ্যই উচিৎ, কেবল গাছ রোপণ করলেই হবে না সেসবের রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। বৃক্ষরোপণে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন একা নয়, সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে, ফাঁকা জায়গায় গাছ রোপণ করতে হবে। প্রতিবছর যদি এমন কর্মসূচী আমরা বাস্তবায়ন করতে পারি তাহলে মনে হয় বাংলাদেশে এই তাপপ্রবাহের সমস্যাটা এতো তীব্র হবে না।’

প্রকৃতি ও জীবনের এই কর্মসূচিতে বরাবরের মতোই উপস্থিত ছিলেন প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য বিশেষজ্ঞ এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক এম. মনিরুল এইচ খান।

তিনি বলেন, ‘আজ যেসব গাছের চারা রোপিত হলো সেসব যদি আমরা যত্নে রাখি তাহলে এসব বৃক্ষ কেবল মানুষেরই কাজে লাগবে না বরং এই এলাকায় যে পশুপাখি আছে তাদের খাদ্য-আশ্রয়ে পরিণত হবে। এই আশা নিয়েই আজকের এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি।’

২০২৫ সালের সবুজে সাজাই বাংলাদেশ কর্মযজ্ঞের প্রথম দিনে উপস্থিত ছিলেন প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব ঢাকার বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য প্রকৃতিপ্রেমী আব্দুল হাই খান।

তিনি দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির জন্য প্রকৃতি ও জীবনের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং সবুজে সাজাই বাংলাদেশ প্রতিপাদ্য বাস্তবায়নে সর্বতোভাবে পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আগামীর পরিকল্পিত ও বিস্তৃত ঢাকার পূর্বাচলের আশালয় হাউজিংকে সবুজে সাজানোর উদ্যোগ নেয়ায় প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন, বিশেষ করে মুকিত মজুমদার বাবুর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন হাউজিংয়ের প্লট মালিক সমিতির প্রেসিডেন্ট গোলাম হাবিব।