সরকারের কোনো হাত নেই কোটা বিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণে : ওবায়দুল কাদের

সরকারের কোনো হাত নেই কোটা বিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণে , আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেছেন, শিক্ষার্থীরা যে বিষয়ে আন্দোলন করছে, সে সিদ্ধান্ত সরকারেই চলমান ছিল। এটা দিয়েছে আদালত। আমরা এই সিদ্ধান্ত নেইনি। তারপরও আমরা দেশের পরিস্থিতি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং নানা দিক পর্যবেক্ষণ করছি।
গতকাল রোববার (৭ জুলাই) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শুদ্ধাচার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে সরকারি চাকরিতে নারী কোটা ১০ শতাংশ,মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ এবং জেলা কোটা ১০ শতাংশ বাতিল করে পরিপত্র জারি করে সরকার।
মুক্তিযোদ্ধার সন্তান অহিদুল ইসলামসহ সাতজন ওই পরিপত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে রিট আবেদন করেন ২০২১ সালে ।

গত ৫ জুন আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাই কোর্টের একটি বেঞ্চ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন। এখন এই রায়কে প্রত্যাখ্যান করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ষাশিক্র্থীরা আন্দোলনে নেমেছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সেটা তো সরকারেরই সিদ্ধান্ত ছিল তারা যেই ইস্যুতে আন্দোলন করছে । আদালত দিয়েছে ভিন্ন রায় । আপিল বিভাগে আছে আদালতের ব্যাপারটা । বিচারাধীন বিষয় নিয়ে আমার কথা বলা উচিত নয়। এটা এখন আদালতের এখতিয়ার।

শিক্ষার্থীদের কোটা বিরোধী এবং শিক্ষকদের ‘প্রত্যয়’ পেনশন বিরোধী আন্দোলনে বিএনপি নৈতিক সমর্থন দিয়েছে । সরকার আদালতকে ব্যবহার করে কোটা ফিরিয়ে এনেছে, দলটি দাবি করেছে ।ওবায়দুল কাদের বলেন: আন্দোলনে ব্যর্থ বিএনপি ও সমমনা দল নিজেরা কিছু করতে পারে না। তাই আজকে তারা পরজীবী আন্দোলন করে দেশের ক্ষতি করার চেষ্টা করছে ।

আপলোডকারীর তথ্য

প্লাস্টিক বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের আহ্বান পরিবেশ অধিদপ্তরের

সরকারের কোনো হাত নেই কোটা বিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণে : ওবায়দুল কাদের

আপডেট সময় ০৪:৩৭:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুলাই ২০২৪

সরকারের কোনো হাত নেই কোটা বিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণে , আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেছেন, শিক্ষার্থীরা যে বিষয়ে আন্দোলন করছে, সে সিদ্ধান্ত সরকারেই চলমান ছিল। এটা দিয়েছে আদালত। আমরা এই সিদ্ধান্ত নেইনি। তারপরও আমরা দেশের পরিস্থিতি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং নানা দিক পর্যবেক্ষণ করছি।
গতকাল রোববার (৭ জুলাই) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শুদ্ধাচার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে সরকারি চাকরিতে নারী কোটা ১০ শতাংশ,মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ এবং জেলা কোটা ১০ শতাংশ বাতিল করে পরিপত্র জারি করে সরকার।
মুক্তিযোদ্ধার সন্তান অহিদুল ইসলামসহ সাতজন ওই পরিপত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে রিট আবেদন করেন ২০২১ সালে ।

গত ৫ জুন আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাই কোর্টের একটি বেঞ্চ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন। এখন এই রায়কে প্রত্যাখ্যান করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ষাশিক্র্থীরা আন্দোলনে নেমেছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সেটা তো সরকারেরই সিদ্ধান্ত ছিল তারা যেই ইস্যুতে আন্দোলন করছে । আদালত দিয়েছে ভিন্ন রায় । আপিল বিভাগে আছে আদালতের ব্যাপারটা । বিচারাধীন বিষয় নিয়ে আমার কথা বলা উচিত নয়। এটা এখন আদালতের এখতিয়ার।

শিক্ষার্থীদের কোটা বিরোধী এবং শিক্ষকদের ‘প্রত্যয়’ পেনশন বিরোধী আন্দোলনে বিএনপি নৈতিক সমর্থন দিয়েছে । সরকার আদালতকে ব্যবহার করে কোটা ফিরিয়ে এনেছে, দলটি দাবি করেছে ।ওবায়দুল কাদের বলেন: আন্দোলনে ব্যর্থ বিএনপি ও সমমনা দল নিজেরা কিছু করতে পারে না। তাই আজকে তারা পরজীবী আন্দোলন করে দেশের ক্ষতি করার চেষ্টা করছে ।