সংবাদ শিরোনাম ::
Logo হাম ও হামের উপসর্গে মারা গেল আরও ১৬ শিশু, মোট মৃত্যু ৫২৮ Logo কাজী নজরুলের অনন্য প্রকৃতিপ্রেম Logo ছাতিমকে কেন ‘শয়তানের গাছ’ বলে? Logo শিশু রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল Logo পাকিস্তানে সেনাসদস্যদের বহনকারী ট্রেনে শক্তিশালী গাড়িবোমা হামলা, নিহত ২৪ Logo বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল শক্তি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ: ঢাকায় ১২ ঘণ্টার মধ্যেই পরিষ্কার হবে কোরবানির বর্জ্য Logo ঈদের আগে শেষ কর্মদিবস আজ, কাল থেকে টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু Logo ফরিদপুরে বাস-অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫ জন নিহত Logo আগামী এক মাসের মধ্যে রামিসা হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

রোজা রেখে ঈদের শপিংয়ের ক্লান্তি এড়ানোর জন্য যে টিপসগুলো মেনে চলতে হবে

রোজা রেখে ঈদের শপিংয়ের ক্লান্তি এড়ানোর জন্য যে টিপসগুলো মেনে চলতে হবে

ঈদের সময় এমনিতেই মার্কেটগুলোতে অনেক ভিড় হয়। পাশাপাশি গরমও পড়ে গিয়েছে। তাই এই অবস্থায় রোজা রেখে কেনাকাটা করতে গিয়ে কিছুটা সতর্ক হতেই হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় গরম পরিবেশে থাকলে শরীর দ্রুত পানি ও শক্তি হারায়। আবার সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন সতর্ক করেছে – ডিহাইড্রেশন হলে দুর্বলতা, মাথাব্যথা ও মনোযোগের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তাই রোজা রেখে শপিংয়ে গেলে কিছু কৌশল মেনে চলা জরুরি। জেনে নিন –

১. তালিকা তৈরি করা

কী কী কিনতে হবে সেগুলোর তালিকা আগে থেকে তৈরি করলে অযথা বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে হয় না। প্রয়োজন মতো নির্দিষ্ট স্থানে গিয়ে পছন্দের জিনিস সংগ্রহ করা যায়। এতে অযথা খাটনি কমে।

২. সময় বেছে নিন বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে
দুপুরের তীব্র গরম এড়িয়ে বিকেল বা ইফতারের পর শপিংয়ে গেলে শরীরের ওপর চাপ কম পড়ে। রোদ ও তাপমাত্রা কম থাকলে পানিশূন্যতার ঝুঁকিও কমে। সম্ভব হলে এয়ার-কন্ডিশনড মার্কেট বা শপিংমল বেছে নিন।

৩. ইফতার ও সেহরিতে পানি ও পুষ্টিতে জোর দিন
দিনে পানি পান সম্ভব না হলেও সেহরি ও ইফতারে পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ জরুরি। ডাবের পানি, লেবু-পানি, ফল ও আঁশযুক্ত খাবার শরীরের পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে। অতিরিক্ত ভাজাপোড়া বা অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার শরীরকে আরও ক্লান্ত করতে পারে।
৪. শপিং লিস্ট তৈরি করুন
হুট করে বের হলে অপ্রয়োজনীয় ঘোরাঘুরি বাড়ে। আগে থেকে তালিকা বানালে সময় বাঁচে, অযথা হাঁটাহাঁটি কম হয়। এতে শক্তিও কম খরচ হয় এবং সিদ্ধান্ত নিতে মানসিক চাপও কমে।

৫. আরামদায়ক পোশাক ও জুতা পরুন
হালকা, ঢিলেঢালা পোশাক এবং নরম সোলের জুতা পরলে শরীর কম ক্লান্ত হয়। গরমে গাঢ় রঙের বদলে হালকা রঙের পোশাক তাপ শোষণ কম করে। ছোট একটি হাতপাখা বা ভেজা টিস্যু সঙ্গে রাখতে পারেন।

৬. শরীরের সংকেতকে গুরুত্ব দিন
মাথা ঘোরা, অতিরিক্ত দুর্বল লাগা, চোখে ঝাপসা দেখা – এসব উপসর্গকে অবহেলা করবেন না। প্রয়োজনে কিছুক্ষণ বসে বিশ্রাম নিন। মনে রাখবেন, ঈদের প্রস্তুতি গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু সুস্থ থাকা তার চেয়েও বেশি জরুরি। রোজার সময় শরীর স্বাভাবিকের চেয়ে ভিন্ন ছন্দে চলে। তাই ঈদের কেনাকাটার উচ্ছ্বাসের মাঝেও নিজের শারীরিক সীমাবদ্ধতার দিকে খেয়াল রাখা প্রয়োজন।

 

 

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাম ও হামের উপসর্গে মারা গেল আরও ১৬ শিশু, মোট মৃত্যু ৫২৮

রোজা রেখে ঈদের শপিংয়ের ক্লান্তি এড়ানোর জন্য যে টিপসগুলো মেনে চলতে হবে

আপডেট সময় ০৯:৫৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

ঈদের সময় এমনিতেই মার্কেটগুলোতে অনেক ভিড় হয়। পাশাপাশি গরমও পড়ে গিয়েছে। তাই এই অবস্থায় রোজা রেখে কেনাকাটা করতে গিয়ে কিছুটা সতর্ক হতেই হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় গরম পরিবেশে থাকলে শরীর দ্রুত পানি ও শক্তি হারায়। আবার সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন সতর্ক করেছে – ডিহাইড্রেশন হলে দুর্বলতা, মাথাব্যথা ও মনোযোগের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তাই রোজা রেখে শপিংয়ে গেলে কিছু কৌশল মেনে চলা জরুরি। জেনে নিন –

১. তালিকা তৈরি করা

কী কী কিনতে হবে সেগুলোর তালিকা আগে থেকে তৈরি করলে অযথা বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে হয় না। প্রয়োজন মতো নির্দিষ্ট স্থানে গিয়ে পছন্দের জিনিস সংগ্রহ করা যায়। এতে অযথা খাটনি কমে।

২. সময় বেছে নিন বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে
দুপুরের তীব্র গরম এড়িয়ে বিকেল বা ইফতারের পর শপিংয়ে গেলে শরীরের ওপর চাপ কম পড়ে। রোদ ও তাপমাত্রা কম থাকলে পানিশূন্যতার ঝুঁকিও কমে। সম্ভব হলে এয়ার-কন্ডিশনড মার্কেট বা শপিংমল বেছে নিন।

৩. ইফতার ও সেহরিতে পানি ও পুষ্টিতে জোর দিন
দিনে পানি পান সম্ভব না হলেও সেহরি ও ইফতারে পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ জরুরি। ডাবের পানি, লেবু-পানি, ফল ও আঁশযুক্ত খাবার শরীরের পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে। অতিরিক্ত ভাজাপোড়া বা অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার শরীরকে আরও ক্লান্ত করতে পারে।
৪. শপিং লিস্ট তৈরি করুন
হুট করে বের হলে অপ্রয়োজনীয় ঘোরাঘুরি বাড়ে। আগে থেকে তালিকা বানালে সময় বাঁচে, অযথা হাঁটাহাঁটি কম হয়। এতে শক্তিও কম খরচ হয় এবং সিদ্ধান্ত নিতে মানসিক চাপও কমে।

৫. আরামদায়ক পোশাক ও জুতা পরুন
হালকা, ঢিলেঢালা পোশাক এবং নরম সোলের জুতা পরলে শরীর কম ক্লান্ত হয়। গরমে গাঢ় রঙের বদলে হালকা রঙের পোশাক তাপ শোষণ কম করে। ছোট একটি হাতপাখা বা ভেজা টিস্যু সঙ্গে রাখতে পারেন।

৬. শরীরের সংকেতকে গুরুত্ব দিন
মাথা ঘোরা, অতিরিক্ত দুর্বল লাগা, চোখে ঝাপসা দেখা – এসব উপসর্গকে অবহেলা করবেন না। প্রয়োজনে কিছুক্ষণ বসে বিশ্রাম নিন। মনে রাখবেন, ঈদের প্রস্তুতি গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু সুস্থ থাকা তার চেয়েও বেশি জরুরি। রোজার সময় শরীর স্বাভাবিকের চেয়ে ভিন্ন ছন্দে চলে। তাই ঈদের কেনাকাটার উচ্ছ্বাসের মাঝেও নিজের শারীরিক সীমাবদ্ধতার দিকে খেয়াল রাখা প্রয়োজন।