এক বনে এক শিয়াল বাস করতো। সে ছিল খুব অলস আর কুড়ে। খাবারের জন্য অন্যের ওপর নির্ভর করতো। সারাদিন গাছের নিচে শুয়ে সময় কাটাতো। একবার গ্রীষ্মের সময় মাঠ-ঘাটের ফসল কাটা শেষ। চারিদিক পরিস্কার। তাই খাবারের জন্য দূরের জঙ্গলে যেতে হয়।
একদিন সে একটা বুদ্ধি বের করল। পাহাড়ের কাছে একটা গর্ত খুজে বের করল। সে গর্তে মুখে শিকারিদের মতো ফাঁদ তৈরি কর। গর্তের মুখে গাছের ডাল লতাপাত দিয়ে ঢেকে দিল । যাতে সহজে গর্তের ভিতর দেখা না যায়। গর্তের কাছ দিয়ে ইদুর খরগোস গেলে বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করতো। আর যখন তারা তাকে বাঁচাতে গর্তে ঢুকতো অমনি ফাঁদে আটকে যেত। তারপর সে তাদের ধরে মজা করে খেত। এভাবে সে শুয়ে বসে আরাম আয়েসে কাটাতে লাগল।
একদিন তার গর্তের পাশ দিয়ে এক খরগোশ যাচ্ছিল। তখন সে বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করলো, কিন্তু খরগোশ তাতে সাড়া দিল না। ঐ সময় গাছের ডালে একটা কাক বসেছিল। সে তার চিৎকার শুনতে পেল। কাক তাড়াতাড়ি উড়ে গিয়ে বনের সবাইকে খবর দিল। বাঘ খবর পেয়ে শিয়ালকে বাঁচাতে এগিলে এল।
বাঘ দেখল সে গর্তের মুখে ফাঁদ পেতে বসে আছে। তখন সে শিয়ালের চালাকি বুঝতে পেরে শিয়ালকে অনেক শাস্তি দিল এবং ফাঁদে ঝুলিয়ে রাখল।
নিজস্ব সংবাদ : 










