ইরানকে এক রাতে ধ্বংস করা দেয়ার হুঙ্কার দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং সেই রাত মঙ্গলবারই হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তেহরানকে চুক্তিতে রাজি হতে মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত যে আলটিমেটাম দিয়েছেন সেটাই চূড়ান্ত বলেও জানান ট্রাম্প। রয়টার্স জানিয়েছে এ খবর।
সোমবার হোয়াইট হাউজে এক অনুষ্ঠানে ইরান যুদ্ধবিরতির যে প্রস্তাব দিয়েছে তা যথেষ্ট নয় বলেও মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইরানের সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং অন্যান্য বেসামরিক অবকাঠামোতে আবারও হামলার হুমকি দিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, আমি আপনাদের এটুকু বলতে পারি- আমাদের ধারণা অনুযায়ী, তারা সৎ উদ্দেশ্য নিয়েই আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। দ্রুতই এর সত্যতা জানতে পারব।
তিনি বলেন, আমরা বেশ কিছু অসাধারণ দেশের সহায়তা নিচ্ছি, যারা চায় এই পরিস্থিতির অবসান ঘটুক; কারণ এই সংকট তাদের ওপরও প্রভাব ফেলছে। বহু মানুষ এর দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবে ইরানকে সময়সীমা বেঁধে দিচ্ছি। এরপর, তাদের কোনো সেতু অবশিষ্ট থাকবে না, কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্রও আর অক্ষত থাকবে না।
এদিকে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ট্রাম্পের ডেডলাইনের মধ্যে চুক্তির সম্ভাবনা নেই। কারণ দুই দেশের মধ্যে যেসব ইস্যু নিয়ে মতপার্থক্য আছে সেগুলো ব্যবধান অনেক বেশি। আর মঙ্গলবার রাতের মধ্যে তারা ইস্যুগুলো নিয়ে একমত হতে পারবে না।
সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, ট্রাম্প তার কাছের লোকদের কাছে বলেছেন চুক্তি হওয়া নিয়ে তিনি খুব বেশি আশাবাদী নন। যদিও আলোচনার মাধ্যমে বর্তমান পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে।
প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি আরও বলেছেন, ট্রাম্প হয়ত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইরানের ব্রিজ ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে হামলার নির্দেশ দিতে পারেন। কিন্তু এ নিয়ে ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির সদস্যরা উদ্বিগ্ন। তারা আশঙ্কা করছেন ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসের দাম বেড়ে যাবে। যার প্রভাব পড়তে পারে আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচনে।
ট্রাম্পের সম্ভাব্য হামলার নির্দেশের ব্যাপারে জানতে চাইলে হোয়াইট হাউজের প্রেসসচিব ক্যারোলিন লেভেট বলেন, “শুধুমাত্র প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানেন তিনি কি করবেন। তার সিদ্ধান্তের বিষয়টি দ্রুতই স্পষ্ট হবে।”
প্রকৃতিবার্তা ডেস্ক 










