চট্টগ্রামে নিজেই হাসপাতালে এসে ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা নিলো কাক!

চট্টগ্রামে নিজেই হাসপাতালে এসে ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা নিলো কাক!

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে সকাল ১০ টার দিকে ঘটেছে এক অদ্ভুত ঘটনা। সেসময় একটি কাক হাসপাতালের প্রবেশমুখে ঘোরাফেরা করতে থাকে এবং ডাকতে ডাকতে চিকিৎসকদের দিকে এগিয়ে আসে। বিষয়টি লক্ষ্য করে চিকিৎসকরা কাকটিকে ধরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন।

চিকিৎসক জানান, কাকটি পক্স ভাইরাসে আক্রান্ত। তার শরীরজুড়ে ক্ষত এবং চামড়ায় পিণ্ড (বিষফোড়া) রয়েছে। পরে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুপন নন্দী এবং প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. জুলকারনাইন শাওন কাকটির চিকিৎসা করেন।

ডা. জুলকারনাইন শাওন বলেন, প্রথমে আমরা এটিকে স্বাভাবিক কাক ভেবেছিলাম। পরে এটি অস্বাভাবিক আচরণ করলে কাছে গিয়ে দেখি শরীরে ভাইরাসজনিত পক্স রয়েছে। এরপর আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিই।

তিনি জানান, কাকটির ক্ষতস্থান আয়োডিন দিয়ে পরিষ্কার করা হয় আড় পরে ব্যথানাশক ও অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করা হয়। শরীরে একাধিক চামড়া পিণ্ড থাকায় সময়মতো চিকিৎসা না পেলে এটি মারা যেতে পারত।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর কাকটিকে ছেড়ে দেওয়া হলেও সেটি হাসপাতালের আশপাশেই অবস্থান করে। পরে বিকেলে আবার তাকে ওষুধ খাওয়ানো হয় এবং সন্ধ্যায় ওষুধের পাশাপাশি একটি ডিমও খেতে দেওয়া হয়।’

ঘটনাটি স্বাভাবিকভাবেই এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং চিকিৎসকদের তৎপরতার ভিডিও ও ছবি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত

চট্টগ্রামে নিজেই হাসপাতালে এসে ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা নিলো কাক!

আপডেট সময় ০২:৫৬:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে সকাল ১০ টার দিকে ঘটেছে এক অদ্ভুত ঘটনা। সেসময় একটি কাক হাসপাতালের প্রবেশমুখে ঘোরাফেরা করতে থাকে এবং ডাকতে ডাকতে চিকিৎসকদের দিকে এগিয়ে আসে। বিষয়টি লক্ষ্য করে চিকিৎসকরা কাকটিকে ধরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন।

চিকিৎসক জানান, কাকটি পক্স ভাইরাসে আক্রান্ত। তার শরীরজুড়ে ক্ষত এবং চামড়ায় পিণ্ড (বিষফোড়া) রয়েছে। পরে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুপন নন্দী এবং প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. জুলকারনাইন শাওন কাকটির চিকিৎসা করেন।

ডা. জুলকারনাইন শাওন বলেন, প্রথমে আমরা এটিকে স্বাভাবিক কাক ভেবেছিলাম। পরে এটি অস্বাভাবিক আচরণ করলে কাছে গিয়ে দেখি শরীরে ভাইরাসজনিত পক্স রয়েছে। এরপর আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিই।

তিনি জানান, কাকটির ক্ষতস্থান আয়োডিন দিয়ে পরিষ্কার করা হয় আড় পরে ব্যথানাশক ও অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করা হয়। শরীরে একাধিক চামড়া পিণ্ড থাকায় সময়মতো চিকিৎসা না পেলে এটি মারা যেতে পারত।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর কাকটিকে ছেড়ে দেওয়া হলেও সেটি হাসপাতালের আশপাশেই অবস্থান করে। পরে বিকেলে আবার তাকে ওষুধ খাওয়ানো হয় এবং সন্ধ্যায় ওষুধের পাশাপাশি একটি ডিমও খেতে দেওয়া হয়।’

ঘটনাটি স্বাভাবিকভাবেই এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং চিকিৎসকদের তৎপরতার ভিডিও ও ছবি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।