ঢাকার ৩০০ ফিট এলাকায় বন্যপাখি বিক্রির সময় ২ জন গ্রেপ্তার

ঢাকার ৩০০ ফিট এলাকায় বন্যপাখি বিক্রির সময় ২ জন গ্রেপ্তার

বন্যপাখির অবৈধ বিক্রি বন্ধে আইন ও প্রচারণা থাকলেও দুঃখজনক বাস্তবতা হলো এখনও অবৈধভাবে বন্যপাখি বিক্রি হচ্ছে। কেউ শখ করে পাখি পুষছেন, কেউবা পাখির মাংস খাচ্ছেন রীতিমতো আয়োজন করে! বিশেষ করে শীত এলেই পরিযায়ী পাখি নিধনের কারবারে নামছে কিছু অসাধু মানুষ। বেশি লাভের আশায় গ্রামগঞ্জ থেকে শিকারকৃত এসব পাখি চলে আসছে রাজধানীতেও। তবে সম্প্রতি এসব অবৈধ কারবারের বিরুদ্ধে সক্রিয় হয়েছে বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট (ডব্লিউসিসিইউ)।

সম্প্রতি গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকার ৩০০ ফিট ও বসুন্ধরা এলাকা থেকে পাতি সরালি হাঁস সহ দুইজনকে আটক করেছে এই ইউনিট।

ডব্লিউসিসিইউ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, দীর্ঘ কয়েকদিন যাবত ঢাকার ৩০০ ফিট ও বসুন্ধরা এলাকায় একটি চক্র বন্যপাখি বিক্রি করছে। বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও অনেক সচেতন নাগরিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিষয়টি তুলে ধরে এবং ডব্লিউসিসিইউকে অবগত করে।

বিষয়টি নিয়ে ডব্লিউসিসিইউ এর গোয়েন্দা টিম ওই এলাকায় তৎপরতা শুরু করে। ফলে স্বেচ্ছাসেবী লোকজন সহ শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় ১০টি বালিহাঁস সহ দুজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

উদ্ধার করা বালিহাঁসগুলোকে প্রাকৃতিক পরিবেশ অবমুক্ত করা হবে। বালিহাঁস ক্রয়-বিক্রয়ের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত

ঢাকার ৩০০ ফিট এলাকায় বন্যপাখি বিক্রির সময় ২ জন গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ১২:২০:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫

বন্যপাখির অবৈধ বিক্রি বন্ধে আইন ও প্রচারণা থাকলেও দুঃখজনক বাস্তবতা হলো এখনও অবৈধভাবে বন্যপাখি বিক্রি হচ্ছে। কেউ শখ করে পাখি পুষছেন, কেউবা পাখির মাংস খাচ্ছেন রীতিমতো আয়োজন করে! বিশেষ করে শীত এলেই পরিযায়ী পাখি নিধনের কারবারে নামছে কিছু অসাধু মানুষ। বেশি লাভের আশায় গ্রামগঞ্জ থেকে শিকারকৃত এসব পাখি চলে আসছে রাজধানীতেও। তবে সম্প্রতি এসব অবৈধ কারবারের বিরুদ্ধে সক্রিয় হয়েছে বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট (ডব্লিউসিসিইউ)।

সম্প্রতি গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকার ৩০০ ফিট ও বসুন্ধরা এলাকা থেকে পাতি সরালি হাঁস সহ দুইজনকে আটক করেছে এই ইউনিট।

ডব্লিউসিসিইউ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, দীর্ঘ কয়েকদিন যাবত ঢাকার ৩০০ ফিট ও বসুন্ধরা এলাকায় একটি চক্র বন্যপাখি বিক্রি করছে। বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও অনেক সচেতন নাগরিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিষয়টি তুলে ধরে এবং ডব্লিউসিসিইউকে অবগত করে।

বিষয়টি নিয়ে ডব্লিউসিসিইউ এর গোয়েন্দা টিম ওই এলাকায় তৎপরতা শুরু করে। ফলে স্বেচ্ছাসেবী লোকজন সহ শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় ১০টি বালিহাঁস সহ দুজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

উদ্ধার করা বালিহাঁসগুলোকে প্রাকৃতিক পরিবেশ অবমুক্ত করা হবে। বালিহাঁস ক্রয়-বিক্রয়ের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।