দুই মাসের মধ্যে নদীর সঠিক সংখ্যা নির্ধারণের নির্দেশ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৭:৪২:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • 167

২ মাসের মধ্যে নদীর সঠিক সংখ্যা নির্ধারণের নির্দেশ

আগামী ২ মাসের মধ্যে দেশের নদীর সঠিক সংখ্যা চূড়ান্ত করতে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, বিআইডাব্লিউটিএ, নদী রক্ষা কমিশন এবং বিভাগীয় কমিশনারদের নির্দেশ দিয়েছেন পানি সম্পদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

বুধবার রাতে ভার্চুয়ালি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় পানি সম্পদ উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান এই নির্দেশনা দেন বলে বৃহস্পতিবার তার মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়: উপদেষ্টার নির্দেশনা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে এই কাজ করবে পানি উন্নয়ন বোর্ড-পাউবো, বিআইডব্লিউটিএ, নদী রক্ষা কমিশন ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়।

শুধু নদ-নদীর প্রকৃত সংখ্যা নিরুপণই নয়, যেগুলো সংকটাপন্ন, দখল ও দূষণে মৃতপ্রায়; সেগুলো শনাক্ত করে তা উদ্ধারের নির্দেশনাও দিয়েছেন রিজওয়ানা হাসান। তিনি নির্দেশ দেন: যৌথভাবে তালিকা তৈরি করে তার ওপর জনমত ও আপত্তি দাখিলের সুযোগ দেওয়ার জন্য ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। আপত্তি এলে প্রয়োজনে শুনানি করতে হবে।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, “৬৪ জেলায় অন্তত ৬৪টি নদী চিহ্নিত করে নদীর অবৈধ দখলদারকে উচ্ছেদ করতে আগামী ২ মাসের মধ্যে সময়ভিত্তিক, ব্যয়সাশ্রয়ী কর্মপরিকল্পনা দাখিল করতে এবং পরবর্তীতে সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে দখল উচ্ছেদ করবেন।”

সভায় পানি সম্পদ উপদেষ্টা আরও বলেন, “পরিবেশ অধিদপ্তর দেশের সবচাইতে দূষিত নদীর তালিকা প্রণয়ন করবে এবং দূষণকারী ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করে দূষণ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান ও তদারকি করবে।প্লাস্টিক দূষণে আক্রান্ত নদীর তালিকা করে দূষণ থেকে পরিত্রাণে কর্মপরিকল্পনা করবে। পরিবেশ অধিদপ্তর সকল নদীর জন্য ‘হেলথ কার্ড’ প্রস্তুত করবে, যা নদীর প্রাণ সত্ত্বার পরিচয়। অভিযান পরিচালনার পরবর্তীতে আবারও দখল-দূষণ রোধ করতে এলাকাবাসী, তরুণ প্রজন্ম, সামাজিক সংগঠন, এনজিওদের সম্পৃক্ত করতে হবে ও পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব দিতে হবে।”

এছাড়াও এই সভায় ঢাকা সার্কুলার নৌপথের প্রস্তাবনার সর্বশেষ অবস্থা ও এই প্রস্তাবনার সম্ভাব্যতা বিষয়ে বিআইডাব্লিউটিএ-কে  বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মত বিনিময় করার নির্দেশনা দেন রিজওয়ানা হাসান।

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমুল আহসানের পরিচালনার ভার্চুয়াল সভায় নৌপরিবহন এবং পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম. সাখাওয়াত হোসেন, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব,  ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিআইডাব্লিউটিএ এর চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, নদী রক্ষা কমিশনের প্রতিনিধি এবং বিভাগীয় কমিশনাররা রাখেন।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত

দুই মাসের মধ্যে নদীর সঠিক সংখ্যা নির্ধারণের নির্দেশ

আপডেট সময় ০৭:৪২:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪

আগামী ২ মাসের মধ্যে দেশের নদীর সঠিক সংখ্যা চূড়ান্ত করতে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, বিআইডাব্লিউটিএ, নদী রক্ষা কমিশন এবং বিভাগীয় কমিশনারদের নির্দেশ দিয়েছেন পানি সম্পদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

বুধবার রাতে ভার্চুয়ালি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় পানি সম্পদ উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান এই নির্দেশনা দেন বলে বৃহস্পতিবার তার মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়: উপদেষ্টার নির্দেশনা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে এই কাজ করবে পানি উন্নয়ন বোর্ড-পাউবো, বিআইডব্লিউটিএ, নদী রক্ষা কমিশন ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়।

শুধু নদ-নদীর প্রকৃত সংখ্যা নিরুপণই নয়, যেগুলো সংকটাপন্ন, দখল ও দূষণে মৃতপ্রায়; সেগুলো শনাক্ত করে তা উদ্ধারের নির্দেশনাও দিয়েছেন রিজওয়ানা হাসান। তিনি নির্দেশ দেন: যৌথভাবে তালিকা তৈরি করে তার ওপর জনমত ও আপত্তি দাখিলের সুযোগ দেওয়ার জন্য ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। আপত্তি এলে প্রয়োজনে শুনানি করতে হবে।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, “৬৪ জেলায় অন্তত ৬৪টি নদী চিহ্নিত করে নদীর অবৈধ দখলদারকে উচ্ছেদ করতে আগামী ২ মাসের মধ্যে সময়ভিত্তিক, ব্যয়সাশ্রয়ী কর্মপরিকল্পনা দাখিল করতে এবং পরবর্তীতে সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে দখল উচ্ছেদ করবেন।”

সভায় পানি সম্পদ উপদেষ্টা আরও বলেন, “পরিবেশ অধিদপ্তর দেশের সবচাইতে দূষিত নদীর তালিকা প্রণয়ন করবে এবং দূষণকারী ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করে দূষণ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান ও তদারকি করবে।প্লাস্টিক দূষণে আক্রান্ত নদীর তালিকা করে দূষণ থেকে পরিত্রাণে কর্মপরিকল্পনা করবে। পরিবেশ অধিদপ্তর সকল নদীর জন্য ‘হেলথ কার্ড’ প্রস্তুত করবে, যা নদীর প্রাণ সত্ত্বার পরিচয়। অভিযান পরিচালনার পরবর্তীতে আবারও দখল-দূষণ রোধ করতে এলাকাবাসী, তরুণ প্রজন্ম, সামাজিক সংগঠন, এনজিওদের সম্পৃক্ত করতে হবে ও পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব দিতে হবে।”

এছাড়াও এই সভায় ঢাকা সার্কুলার নৌপথের প্রস্তাবনার সর্বশেষ অবস্থা ও এই প্রস্তাবনার সম্ভাব্যতা বিষয়ে বিআইডাব্লিউটিএ-কে  বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মত বিনিময় করার নির্দেশনা দেন রিজওয়ানা হাসান।

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমুল আহসানের পরিচালনার ভার্চুয়াল সভায় নৌপরিবহন এবং পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম. সাখাওয়াত হোসেন, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব,  ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিআইডাব্লিউটিএ এর চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, নদী রক্ষা কমিশনের প্রতিনিধি এবং বিভাগীয় কমিশনাররা রাখেন।