বিশ্ব নদী দিবস-২০২৪ উদযাপন ও রিভার অ্যাওয়ার্ড ২০২৪ প্রদান

নদী রক্ষায় আইনের কঠোর প্রয়োগ করা হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা

নদী রক্ষায় আইনের কঠোর প্রয়োগ করা হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা prokritibarta

দেশের নদী রক্ষায় আইনের কঠোর প্রয়োগ করা হবে বলে উল্লেখ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। আজ শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবনে ‘বিশ্ব নদী দিবস উদযাপন ও মার্ক অ্যাঞ্জেলো রিভার অ্যাওয়ার্ড-২০২৪’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, বাংলাদেশের নদীগুলোকে রক্ষা ও দখল হওয়া নদী পুনরুদ্ধার করতে হবে। এলক্ষ্যে আইনের কঠোর প্রয়োগ শুরু করা হবে। এ কার্যক্রমে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। নদীকে দূষণমুক্ত করতে ব্যয় সাশ্রয়ী পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে।

নদী রক্ষায় আইনের কঠোর প্রয়োগ করা হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা prokritibarta

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘নদীকে দূষণমুক্ত করতে ব্যয় সাশ্রয়ী পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে। পলিথিন, প্লাস্টিকের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হবে। নদী শুধু প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, আমাদের সংস্কৃতি ও জীবিকার সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিতের অংশ হিসেবে নদীকে দূষণমুক্ত করতে হবে। নদী রক্ষা ও দূষণমুক্ত করতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।’

তিনি বলেন, আমি আমার একমাস দুই সপ্তাহে সব থেকে বেশি অভিযোগ পেয়েছি, নদী থেকে বালু উত্তোলনের। সিলেটে যাদুকাটা নামে একটা নদী আছে, শুধু বালু উত্তোলন নয়, নদীর পাড় পর্যন্ত কেটে নিয়ে যায়। সেখানে একটা অভিযানে ২৫ জনকে জেল-জরিমানা করা হলো, ভাবলাম সমস্যার সমাধান হলো, গতকাল আবার জানলাম বালু উত্তোলন শুরু হয়েছে। এখন কঠিনভাবে যদি আইনের প্রয়োগ করি, তখন আমাদের পাশে থাকবেন। কঠিনভাবে আইনের প্রয়োগ না করলে এই দুর্বৃত্তায়ন কোনোভাবেই আমাদের পক্ষে ভাঙা সম্ভব নয়।

নদী রক্ষায় আইনের কঠোর প্রয়োগ করা হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা prokritibarta

নদী নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা তিনজন ব্যক্তিকে মার্ক এঞ্জেলো রিভার এওয়ার্ড ২০২৪ প্রদান করা হয় । এ বছর ব্যক্তি ক্যাটাগরিতে মার্ক অ্যাঞ্জেলো রিভার অ্যাওয়ার্ড পান প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু, গবেষণা ক্যাটাগরিতে গবেষণা সংস্থা রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এজাজ এবং সাংবাদিকতা ক্যাটাগরিতে প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি ইফতেখার মাহমুদ।

নদী রক্ষায় আইনের কঠোর প্রয়োগ করা হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা prokritibarta

বাংলাদেশ রিভার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মনির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সুইডেন অ্যাম্বাসির পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক ফার্স্ট সেক্রেটারি নায়োকা মার্টিনেজ ব্যাকস্ট্রম, আয়োজক প্রতিষ্ঠান নেচার কনজারভেশন ম্যানেজমেন্টের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আব্দুর রব মোল্লা, হালদা রিভার রিসার্চ ল্যাবরেটরির সমন্বয়কারী প্রফেসর ড. মো. মনজুরুল কিবরীয়া, বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দলের সভাপতি প্রকৌশলী মো. হাবিবুর রহমান, পরিবেশ ও নদী রক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এইচ এম সুমন, কর্ণফুলী সুরক্ষা পরিষদের সেক্রেটারি শেখ দিদারুল ইসলাম চৌধুরী ও বিআইডব্লউিটিএয়ের পরিচালক একেএম আরিফ উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন এর নির্মিত বাংলাদেশের নদীর ওপর প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন পর্যায়ের পরিবেশবিদ, শিক্ষাবিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

প্লাস্টিক বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের আহ্বান পরিবেশ অধিদপ্তরের

বিশ্ব নদী দিবস-২০২৪ উদযাপন ও রিভার অ্যাওয়ার্ড ২০২৪ প্রদান

নদী রক্ষায় আইনের কঠোর প্রয়োগ করা হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৫:০৫:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪
দেশের নদী রক্ষায় আইনের কঠোর প্রয়োগ করা হবে বলে উল্লেখ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। আজ শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবনে ‘বিশ্ব নদী দিবস উদযাপন ও মার্ক অ্যাঞ্জেলো রিভার অ্যাওয়ার্ড-২০২৪’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, বাংলাদেশের নদীগুলোকে রক্ষা ও দখল হওয়া নদী পুনরুদ্ধার করতে হবে। এলক্ষ্যে আইনের কঠোর প্রয়োগ শুরু করা হবে। এ কার্যক্রমে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। নদীকে দূষণমুক্ত করতে ব্যয় সাশ্রয়ী পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে।

নদী রক্ষায় আইনের কঠোর প্রয়োগ করা হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা prokritibarta

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘নদীকে দূষণমুক্ত করতে ব্যয় সাশ্রয়ী পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে। পলিথিন, প্লাস্টিকের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হবে। নদী শুধু প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, আমাদের সংস্কৃতি ও জীবিকার সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিতের অংশ হিসেবে নদীকে দূষণমুক্ত করতে হবে। নদী রক্ষা ও দূষণমুক্ত করতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।’

তিনি বলেন, আমি আমার একমাস দুই সপ্তাহে সব থেকে বেশি অভিযোগ পেয়েছি, নদী থেকে বালু উত্তোলনের। সিলেটে যাদুকাটা নামে একটা নদী আছে, শুধু বালু উত্তোলন নয়, নদীর পাড় পর্যন্ত কেটে নিয়ে যায়। সেখানে একটা অভিযানে ২৫ জনকে জেল-জরিমানা করা হলো, ভাবলাম সমস্যার সমাধান হলো, গতকাল আবার জানলাম বালু উত্তোলন শুরু হয়েছে। এখন কঠিনভাবে যদি আইনের প্রয়োগ করি, তখন আমাদের পাশে থাকবেন। কঠিনভাবে আইনের প্রয়োগ না করলে এই দুর্বৃত্তায়ন কোনোভাবেই আমাদের পক্ষে ভাঙা সম্ভব নয়।

নদী রক্ষায় আইনের কঠোর প্রয়োগ করা হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা prokritibarta

নদী নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা তিনজন ব্যক্তিকে মার্ক এঞ্জেলো রিভার এওয়ার্ড ২০২৪ প্রদান করা হয় । এ বছর ব্যক্তি ক্যাটাগরিতে মার্ক অ্যাঞ্জেলো রিভার অ্যাওয়ার্ড পান প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু, গবেষণা ক্যাটাগরিতে গবেষণা সংস্থা রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এজাজ এবং সাংবাদিকতা ক্যাটাগরিতে প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি ইফতেখার মাহমুদ।

নদী রক্ষায় আইনের কঠোর প্রয়োগ করা হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা prokritibarta

বাংলাদেশ রিভার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মনির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সুইডেন অ্যাম্বাসির পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক ফার্স্ট সেক্রেটারি নায়োকা মার্টিনেজ ব্যাকস্ট্রম, আয়োজক প্রতিষ্ঠান নেচার কনজারভেশন ম্যানেজমেন্টের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আব্দুর রব মোল্লা, হালদা রিভার রিসার্চ ল্যাবরেটরির সমন্বয়কারী প্রফেসর ড. মো. মনজুরুল কিবরীয়া, বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দলের সভাপতি প্রকৌশলী মো. হাবিবুর রহমান, পরিবেশ ও নদী রক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এইচ এম সুমন, কর্ণফুলী সুরক্ষা পরিষদের সেক্রেটারি শেখ দিদারুল ইসলাম চৌধুরী ও বিআইডব্লউিটিএয়ের পরিচালক একেএম আরিফ উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন এর নির্মিত বাংলাদেশের নদীর ওপর প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন পর্যায়ের পরিবেশবিদ, শিক্ষাবিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।