নোয়াখালীতে বন অধিদপ্তরের অভিযানে ৭৩টি কচ্ছপ উদ্ধার, একজন আটক

বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের (ডব্লিউসিসিইউ)একটি বিশেষ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার জমিদারহাট এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে মোট ৭৩টি বিভিন্ন প্রজাতির কচ্ছপ উদ্ধার করা হয়। অভিযানে একজন পাচারকারীকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

 

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ডব্লিউসিসিইউ জানিয়েছে:  

“মঙ্গলবার (২০ মে) চালানো অভিযানে উদ্ধারকৃত কচ্ছপগুলোর মধ্যে রয়েছে: কড়ি কাইট্যা – ২৫টি, সুন্ধি কাছিম – ৪২টি এবং হলুদ কাইট্যা – ৬টি যাদের মোট ওজন প্রায় ৮০ কেজি।

 

আটক একজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তিনি নিয়মিতভাবে নোয়াখালীর বিভিন্ন জলাশয় থেকে কচ্ছপ সংগ্রহ করে মজুদ করতেন এবং দেশের বাইরে পাচারের জন্য প্রস্তুত করছিলেন।’

কচ্ছপ পাচার বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ এর ধারা ৬ এবং ৩৪(খ) অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

 

উদ্ধারকৃত কচ্ছপগুলোর স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর দ্রুত প্রকৃতিতে অবমুক্ত করার ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট তৎপর এবং ভবিষ্যতেও এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত

নোয়াখালীতে বন অধিদপ্তরের অভিযানে ৭৩টি কচ্ছপ উদ্ধার, একজন আটক

আপডেট সময় ০৭:০৬:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫

বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের (ডব্লিউসিসিইউ)একটি বিশেষ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার জমিদারহাট এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে মোট ৭৩টি বিভিন্ন প্রজাতির কচ্ছপ উদ্ধার করা হয়। অভিযানে একজন পাচারকারীকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

 

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ডব্লিউসিসিইউ জানিয়েছে:  

“মঙ্গলবার (২০ মে) চালানো অভিযানে উদ্ধারকৃত কচ্ছপগুলোর মধ্যে রয়েছে: কড়ি কাইট্যা – ২৫টি, সুন্ধি কাছিম – ৪২টি এবং হলুদ কাইট্যা – ৬টি যাদের মোট ওজন প্রায় ৮০ কেজি।

 

আটক একজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তিনি নিয়মিতভাবে নোয়াখালীর বিভিন্ন জলাশয় থেকে কচ্ছপ সংগ্রহ করে মজুদ করতেন এবং দেশের বাইরে পাচারের জন্য প্রস্তুত করছিলেন।’

কচ্ছপ পাচার বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ এর ধারা ৬ এবং ৩৪(খ) অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

 

উদ্ধারকৃত কচ্ছপগুলোর স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর দ্রুত প্রকৃতিতে অবমুক্ত করার ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট তৎপর এবং ভবিষ্যতেও এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।”