পরিবেশ উপদেষ্টার আপত্তি, একনেকে অনুমোদন পায়নি বিতর্কিত জলবায়ু সহনশীল প্রকল্প

পরিবেশ উপদেষ্টার আপত্তি, একনেকে অনুমোদন পায়নি বিতর্কিত জলবায়ু সহনশীল প্রকল্প

হাওর ও খরাপ্রবণ বরেন্দ্র অঞ্চলে জলবায়ু সহনশীল জীবনমান গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে প্রস্তাবিত ‘জলবায়ু সহনশীল জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্প (সিআরএলইপি)’ একনেক সভায় অনুমোদন পায়নি।

 

জাগোনিউজের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, একনেক সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান প্রকল্পটির কাঠামো নিয়ে আপত্তি জানান।

 

তিনি বলেন, জলবায়ু সহনশীলতার নামে এই প্রকল্পে মূল গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ইট-পাথর ও অবকাঠামো নির্মাণে। কিন্তু টেকসই জীবিকা উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসের বিষয়টি প্রায় উপেক্ষিত।

তার এই আপত্তির পর সভায় সিদ্ধান্ত হয়, হাওর অঞ্চলের প্রকৃত চাহিদা অনুযায়ী অবকাঠামো নির্মাণের অংশ কমিয়ে প্রকল্পটি পুনর্গঠন করে পুনরায় একনেকে উপস্থাপন করতে হবে।

 

এর আগে গণমাধ্যমে এ বিষয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ‘জলবায়ু সহনশীলতার আড়ালে ইট-পাথরের প্রকল্প’ শিরোনামের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রকল্পের নামে জলবায়ু সহনশীলতার কথা থাকলেও বাস্তবে এটি আরেকটি ‘ইট-পাথরের’ উন্নয়ন উদ্যোগ। হাওর এলাকায় অতিরিক্ত রাস্তা বা ভবন নির্মাণ দীর্ঘদিন ধরেই পরিবেশবিদদের উদ্বেগের কারণ। বন্যা মৌসুমে পানি নামা ও ওঠার স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হয়। ফলে কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং মাছের প্রজননও ব্যাহত হয়।

 

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) প্রধান উপদেষ্টা ও একনেক চেয়ারপারসন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পে খরচ ধরা হয়েছে এক হাজার ৯৮৮ কোটি টাকা।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত

পরিবেশ উপদেষ্টার আপত্তি, একনেকে অনুমোদন পায়নি বিতর্কিত জলবায়ু সহনশীল প্রকল্প

আপডেট সময় ০৬:২২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

হাওর ও খরাপ্রবণ বরেন্দ্র অঞ্চলে জলবায়ু সহনশীল জীবনমান গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে প্রস্তাবিত ‘জলবায়ু সহনশীল জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্প (সিআরএলইপি)’ একনেক সভায় অনুমোদন পায়নি।

 

জাগোনিউজের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, একনেক সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান প্রকল্পটির কাঠামো নিয়ে আপত্তি জানান।

 

তিনি বলেন, জলবায়ু সহনশীলতার নামে এই প্রকল্পে মূল গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ইট-পাথর ও অবকাঠামো নির্মাণে। কিন্তু টেকসই জীবিকা উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসের বিষয়টি প্রায় উপেক্ষিত।

তার এই আপত্তির পর সভায় সিদ্ধান্ত হয়, হাওর অঞ্চলের প্রকৃত চাহিদা অনুযায়ী অবকাঠামো নির্মাণের অংশ কমিয়ে প্রকল্পটি পুনর্গঠন করে পুনরায় একনেকে উপস্থাপন করতে হবে।

 

এর আগে গণমাধ্যমে এ বিষয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ‘জলবায়ু সহনশীলতার আড়ালে ইট-পাথরের প্রকল্প’ শিরোনামের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রকল্পের নামে জলবায়ু সহনশীলতার কথা থাকলেও বাস্তবে এটি আরেকটি ‘ইট-পাথরের’ উন্নয়ন উদ্যোগ। হাওর এলাকায় অতিরিক্ত রাস্তা বা ভবন নির্মাণ দীর্ঘদিন ধরেই পরিবেশবিদদের উদ্বেগের কারণ। বন্যা মৌসুমে পানি নামা ও ওঠার স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হয়। ফলে কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং মাছের প্রজননও ব্যাহত হয়।

 

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) প্রধান উপদেষ্টা ও একনেক চেয়ারপারসন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পে খরচ ধরা হয়েছে এক হাজার ৯৮৮ কোটি টাকা।