পরিবেশ বাঁচাতে আবর্জনার স্তূপে ফ্যাশন শো

পরিবেশ দূষণের কারণে দিনদিন অসহনীয় হয়ে উঠছে পৃথিবীর তাপমাত্রা। জলবায়ূর বিরূপ প্রভাবে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে “সহায়-সম্বলহীন” দেশগুলো। জলবায়ু রক্ষায় বিশ্বনেতারা জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে আসছেন।

এবার সেই ধারাবাহিকতায় চিলির জলবায়ু রক্ষায় আয়জিত হয়েছে এক অভিনব ফ্যাশন শো”র।

 

চিলির আতাকামা মরুভূমি। বিশাল মরুভূমির এক বিরাট অংশ জুড়ে আবর্জনার স্তূপ। পোশাক ফেলার কারণে এই স্তূপ এতই বিরাট হয়েছে যে, মহাকাশ থেকেও নজরে পড়বে! এই পোশাকগুলো আনা হয়েছে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো হাজার হাজার মাইল দূরের দেশ থেকে।

এইসব পোশাকের কিছু অংশ বিক্রি হয় সেকেন্ডহ্যান্ড মার্কেটগুলোতে; তবে অন্তত ৩৯ হাজার টন পোশাককে অবৈধভাবে স্তূপ করে ফেলে দেওয়া হয় আতাকামায়।

দ্য গার্ডিয়ান’সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছর ৬০ হাজার টন ব্যবহৃত পোশাকপণ্যের শেষ গন্তব্য হয় চিলি। জাতিসংঘের সর্বশেষ তথ্যমতে, সেকেন্ডহ্যান্ড কাপড়ের তৃতীয় বৃহত্তম আমদানিকারক দেশ এটি।

এই মরুভূমির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য জন্য সারা দুনিয়ার পর্যটকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে। অথচ এই বিশাল আবর্জনার স্তূপের পাশে যাদের বসবাস, তাদের জীবন দিন দিন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।

এমন পরিস্থিতিতে সচেতনতা বাড়াতে সম্প্রতি এক ব্যতিক্রমী ফ্যাশন শো অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ওই আবর্জনার স্তূপে। ‘আতাকামা ফ্যাশন উইক ২০২৪’ শিরোনামে। তাতে ব্রাজিলিয়ান স্টাইলিস্ট ও ভিজ্যুয়াল আর্টিস্ট মায়া রামোসের নকশাকৃত পোশাক পরে ক্যাটওয়াক করেন আটজন চিলিয়ান মডেল।

মায়া তার এই কালেকশন তৈরি করেছেন ওই স্তূপ থেকে বেছে নেওয়া পোশাকপণ্য দিয়ে। যা ইতোমধ্যে অনেকের নজর কেড়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত

পরিবেশ বাঁচাতে আবর্জনার স্তূপে ফ্যাশন শো

আপডেট সময় ০৪:৪৫:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪

পরিবেশ দূষণের কারণে দিনদিন অসহনীয় হয়ে উঠছে পৃথিবীর তাপমাত্রা। জলবায়ূর বিরূপ প্রভাবে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে “সহায়-সম্বলহীন” দেশগুলো। জলবায়ু রক্ষায় বিশ্বনেতারা জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে আসছেন।

এবার সেই ধারাবাহিকতায় চিলির জলবায়ু রক্ষায় আয়জিত হয়েছে এক অভিনব ফ্যাশন শো”র।

 

চিলির আতাকামা মরুভূমি। বিশাল মরুভূমির এক বিরাট অংশ জুড়ে আবর্জনার স্তূপ। পোশাক ফেলার কারণে এই স্তূপ এতই বিরাট হয়েছে যে, মহাকাশ থেকেও নজরে পড়বে! এই পোশাকগুলো আনা হয়েছে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো হাজার হাজার মাইল দূরের দেশ থেকে।

এইসব পোশাকের কিছু অংশ বিক্রি হয় সেকেন্ডহ্যান্ড মার্কেটগুলোতে; তবে অন্তত ৩৯ হাজার টন পোশাককে অবৈধভাবে স্তূপ করে ফেলে দেওয়া হয় আতাকামায়।

দ্য গার্ডিয়ান’সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছর ৬০ হাজার টন ব্যবহৃত পোশাকপণ্যের শেষ গন্তব্য হয় চিলি। জাতিসংঘের সর্বশেষ তথ্যমতে, সেকেন্ডহ্যান্ড কাপড়ের তৃতীয় বৃহত্তম আমদানিকারক দেশ এটি।

এই মরুভূমির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য জন্য সারা দুনিয়ার পর্যটকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে। অথচ এই বিশাল আবর্জনার স্তূপের পাশে যাদের বসবাস, তাদের জীবন দিন দিন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।

এমন পরিস্থিতিতে সচেতনতা বাড়াতে সম্প্রতি এক ব্যতিক্রমী ফ্যাশন শো অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ওই আবর্জনার স্তূপে। ‘আতাকামা ফ্যাশন উইক ২০২৪’ শিরোনামে। তাতে ব্রাজিলিয়ান স্টাইলিস্ট ও ভিজ্যুয়াল আর্টিস্ট মায়া রামোসের নকশাকৃত পোশাক পরে ক্যাটওয়াক করেন আটজন চিলিয়ান মডেল।

মায়া তার এই কালেকশন তৈরি করেছেন ওই স্তূপ থেকে বেছে নেওয়া পোশাকপণ্য দিয়ে। যা ইতোমধ্যে অনেকের নজর কেড়েছে।