পলিথিন বিরোধী অভিযানে প্রায় ২৯ লাখ টাকা জরিমানা, জব্দ ৬০ হাজার কেজি

পলিথিন বিরোধী অভিযানে প্রায় ২৯ লাখ টাকা জরিমানা, জব্দ ৬০ হাজার কেজি

অবৈধ পলিথিন শপিং ব্যাগ উৎপাদন বন্ধে অভিযান জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং কমিটির সভাপতি ও অতিরিক্ত সচিব তপন কুমার বিশ্বাস। তিনি বলেন, এজন্য মোবাইল কোর্টের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। অবৈধ পলিথিন পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তপন কুমার বিশ্বাস বলেন, ৩ নভেম্বর থেকে দেশব্যাপী ২১৬টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে ৪৩৮টি প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ২৮ লাখ ৭৩ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং ৫৯ হাজার ৯৫৯ কেজি পলিথিন জব্দ করা হয়েছে।

শনিবার রাজধানীর হাতিরপুল ও পলাশী কাঁচাবাজারে পলিথিন ব্যবহার রোধে পরিচালিত মনিটরিং কার্যক্রম শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।

তিনি আরও বলেন, পলিথিনের কারণে পরিবেশ দূষণ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এটি নদী-খালের প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করছে এবং মাটির উর্বরতা নষ্ট করছে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে জনসচেতনতা বাড়ানো ও বিকল্প ব্যাগ ব্যবহারে অভ্যস্ততা গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, বাজারে গেলে নিজের ব্যাগ নিয়ে যেতে হবে। পাটের, কাপড়ের ব্যাগের পাশাপাশি মোমপালিশ করা কাগজের ব্যাগে মাছ-মাংস নেওয়া যায়। গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, আমরা পলিথিন বন্ধে সফল হতে সকলের সহযোগিতা চাই।

মনিটরিং কার্যক্রমে পরিবেশ মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগণ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এবং সংশ্লিষ্ট বাজার কমিটির প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

মনিটরিং টিম বাজারের দোকানগুলোতে পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার পর্যবেক্ষণ করে। দোকানিদের পাট ও কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহারে উৎসাহিত করতে প্রচারণাও চালানো হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত

পলিথিন বিরোধী অভিযানে প্রায় ২৯ লাখ টাকা জরিমানা, জব্দ ৬০ হাজার কেজি

আপডেট সময় ১২:০২:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫

অবৈধ পলিথিন শপিং ব্যাগ উৎপাদন বন্ধে অভিযান জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং কমিটির সভাপতি ও অতিরিক্ত সচিব তপন কুমার বিশ্বাস। তিনি বলেন, এজন্য মোবাইল কোর্টের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। অবৈধ পলিথিন পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তপন কুমার বিশ্বাস বলেন, ৩ নভেম্বর থেকে দেশব্যাপী ২১৬টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে ৪৩৮টি প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ২৮ লাখ ৭৩ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং ৫৯ হাজার ৯৫৯ কেজি পলিথিন জব্দ করা হয়েছে।

শনিবার রাজধানীর হাতিরপুল ও পলাশী কাঁচাবাজারে পলিথিন ব্যবহার রোধে পরিচালিত মনিটরিং কার্যক্রম শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।

তিনি আরও বলেন, পলিথিনের কারণে পরিবেশ দূষণ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এটি নদী-খালের প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করছে এবং মাটির উর্বরতা নষ্ট করছে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে জনসচেতনতা বাড়ানো ও বিকল্প ব্যাগ ব্যবহারে অভ্যস্ততা গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, বাজারে গেলে নিজের ব্যাগ নিয়ে যেতে হবে। পাটের, কাপড়ের ব্যাগের পাশাপাশি মোমপালিশ করা কাগজের ব্যাগে মাছ-মাংস নেওয়া যায়। গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, আমরা পলিথিন বন্ধে সফল হতে সকলের সহযোগিতা চাই।

মনিটরিং কার্যক্রমে পরিবেশ মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগণ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এবং সংশ্লিষ্ট বাজার কমিটির প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

মনিটরিং টিম বাজারের দোকানগুলোতে পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার পর্যবেক্ষণ করে। দোকানিদের পাট ও কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহারে উৎসাহিত করতে প্রচারণাও চালানো হয়।