ফাঁদে আটকা সেই বাঘের চিকিৎসা চলছে, ফিরছে বন্য ক্ষিপ্রতা

ফাঁদে আটকা সেই বাঘের চিকিৎসা চলছে, ফিরছে বন্য ক্ষিপ্রতা

সুন্দরবনে হরিণ শিকারিদের পাতা ফাঁদে আটকে পড়া বাঘটিকে উদ্ধার করে খুলনায় চিকিৎসা চলছে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) বনবিভাগের খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক ইমরান আহমেদ এই তথ্য জানিয়েছেন।

 

তিনি জানান, সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জ থেকে উদ্ধার হওয়া আহত বাঘটি বন বিভাগের বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্র খুলনায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। ধীরে ধীরে বাঘটির অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। বাঘটি প্রাথমিক অবস্থায় অত্যন্ত দুর্বল থাকলেও চিকিৎসার পর এটি পানি পান ও খাদ্য গ্রহণ শুরু করেছে। ধীরে ধীরে এর ভেতর বন্য ক্ষিপ্রতা আসতে শুরু করেছে।

 

তিনি আরও জানান, বাঘটি বন বিভাগের ভেটেরিনারি অফিসার হাতেম সাজ্জাদ জুলকারনাইনের নিবিড় তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। বাঘটি সম্পূর্ণ শংকামুক্ত না হওয়ায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদের প্রফেসর ড. হাদী নুর আলী খানের নেতৃত্বে ঢাকা থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাতে খুলনা পৌঁছান এবং আহত বাঘটিকে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ করেন। ফাঁদে আটকে থাকার কারণে বাঘের সামনের বাম পা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

 

তবে বাঘটির চলনভঙ্গি দেখে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল ধারণা করছে এটির কোনো হাড় ভাঙেনি। চিকিৎসক দল জানিয়েছে, স্বল্প সময়ের মধ্যেই বাঘটি সুস্থ হয়ে বনে ফিরে যেতে পারবে। তবে বর্তমানে এটির ক্ষত শুকানোর প্রক্রিয়া চলছে। বিধায় এটির কাছে মানুষের সমাগম হলে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যাবে।

 

এর আগে সুন্দরবন থেকে গত ৪ জানুয়ারি উদ্ধার করা হয় ফাঁদে আটকে থাকা বাঘটি। ওইদিন খুলনায় এনে বাঘটির চিকিৎসা শুরু করা হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

অবহেলার জীবনগাছে পরিবেশবান্ধব অর্থনীতির নতুন আশা

ফাঁদে আটকা সেই বাঘের চিকিৎসা চলছে, ফিরছে বন্য ক্ষিপ্রতা

আপডেট সময় ১১:৪১:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

সুন্দরবনে হরিণ শিকারিদের পাতা ফাঁদে আটকে পড়া বাঘটিকে উদ্ধার করে খুলনায় চিকিৎসা চলছে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) বনবিভাগের খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক ইমরান আহমেদ এই তথ্য জানিয়েছেন।

 

তিনি জানান, সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জ থেকে উদ্ধার হওয়া আহত বাঘটি বন বিভাগের বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্র খুলনায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। ধীরে ধীরে বাঘটির অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। বাঘটি প্রাথমিক অবস্থায় অত্যন্ত দুর্বল থাকলেও চিকিৎসার পর এটি পানি পান ও খাদ্য গ্রহণ শুরু করেছে। ধীরে ধীরে এর ভেতর বন্য ক্ষিপ্রতা আসতে শুরু করেছে।

 

তিনি আরও জানান, বাঘটি বন বিভাগের ভেটেরিনারি অফিসার হাতেম সাজ্জাদ জুলকারনাইনের নিবিড় তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। বাঘটি সম্পূর্ণ শংকামুক্ত না হওয়ায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদের প্রফেসর ড. হাদী নুর আলী খানের নেতৃত্বে ঢাকা থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাতে খুলনা পৌঁছান এবং আহত বাঘটিকে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ করেন। ফাঁদে আটকে থাকার কারণে বাঘের সামনের বাম পা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

 

তবে বাঘটির চলনভঙ্গি দেখে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল ধারণা করছে এটির কোনো হাড় ভাঙেনি। চিকিৎসক দল জানিয়েছে, স্বল্প সময়ের মধ্যেই বাঘটি সুস্থ হয়ে বনে ফিরে যেতে পারবে। তবে বর্তমানে এটির ক্ষত শুকানোর প্রক্রিয়া চলছে। বিধায় এটির কাছে মানুষের সমাগম হলে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যাবে।

 

এর আগে সুন্দরবন থেকে গত ৪ জানুয়ারি উদ্ধার করা হয় ফাঁদে আটকে থাকা বাঘটি। ওইদিন খুলনায় এনে বাঘটির চিকিৎসা শুরু করা হয়।