হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়া, হিজবুল্লাহর অন্যতম শীর্ষ কমান্ডার হত্যাকাণ্ডের জেরে বড় ধরনের যুদ্ধের শঙ্কা বাড়ছেই। ইরান ইসরায়েলে হামলা চালাতে পারে পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমে এমন আশঙ্কাও দেখা যাচ্ছে। এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে একটি গাইডেড মিসাইল সাবমেরিন পাঠিয়েছে ইসরায়েলের প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া একটি বিমানবাহী রণতরীকে আরও দ্রুত সেখানে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন। ইতোমধ্যে এই বিমানবাহী রণতরীটি মধ্যপ্রাচ্যের কাছাকাছি রয়েছে।
গত ৩১ জুলাই ইরানের তেহরানে হামাসের প্রধান ইসমাইল হানিয়ার বাসভবনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হলে তিনি নিহত হন। এই হামলায় তার একজন দেহরক্ষীও প্রাণ হারান। এই হামলার জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করে কঠোর জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে ইরান, হিজবুল্লাহ ও হামাস। তবে এখনো এই হামলার পেছনে জড়িত থাকার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার কিংবা অস্বীকার করেনি তেল আবিব।
এ ঘটনার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা করছে পশ্চিমারা। এমন পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি জোরদার করে চলেছে মার্কিন বাহিনী।
মূলত ইরানের যেকোনো হামলা থেকে ইসরায়েলকে রক্ষায় এগিয়ে যেতে এসব পদক্ষেপ নিয়েছে জো বাইডেন প্রশাসন। অস্টিনের ভাষায় মিত্র ইসরায়েলকে রক্ষা করার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেবে যুক্তরাষ্ট্র।
রোববার (১১ অগাস্ট) এক বিবৃতিতে মার্কিন সেনা সদর দপ্তর পেন্টাগন জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে ইউএসএস জর্জিয়া গাইডেড মিসাইল সাবমেরিন পাঠিয়েছেন অস্টিন। এ ছাড়া এফ-৩৫সি যুদ্ধবিমান বহনকারী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপকেও মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে যাত্রার গতি দ্রুততর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইসরায়েলের সুরক্ষায় গেলো জুলাইতেই ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক শক্তিচালিত একটি সাবমেরিন। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের এসব তৎপরতায় ইরান আদৌ কী করছে তা স্পষ্ট নয়।
ডেস্ক রিপোর্ট 










