জাপানের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ইনফেকশিয়াস ডিজিজ জানিয়েছে, চলতি বছর ২ জুন পর্যন্ত জাপানে ৯৭৭ জন আক্রান্ত হয়েছে এই রোগে। গত বছর জাপানে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৯৪১ জন। বিরল এই রোগের নাম স্ট্রেপটোকোকাল টক্সিক শক সিনড্রোম।
এই সংক্রমণের প্রাথমিক উপসর্গ হল, গলা ব্যথা বা গলা ফুলে যাওয়া। কিন্তু দ্রুত শারীরিক অবনতি হতে থাকে। হাত-পায়ের পেশীতে ব্যাথা, ফুলে যাওয়া, জ্বর, রক্তচাপ কমে যাওয়ার পর উপসর্গ দেখা যায়। শেষ পর্যায়ে নেক্রোসিস (কোষের মৃত্যু), শ্বাসকষ্ট, অঙ্গ-প্রতঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়া এবং মৃত্যু হয়। পঞ্চাশোর্ধ্ব ব্যক্তিদেরও এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
গবেষকরা বলছেন, শিশুরা এই রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। আক্রান্ত হলে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু হয় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই। ধরা যাক রোগী সকালে লক্ষ্য করলেন যে পা ফুলে গিয়েছে। দুপুরের মধ্যে তা হাঁটু পর্যন্ত ছড়িয়ে যাবে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সংক্রমণে তার মৃত্যু হতে পারে।
আক্রান্ত ৩০ শতাংশ রোগীরই মৃত্যু হয়। ২০২৪ সালে জাপানে এই বিরল রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ২৫০০ পার করতে পারে বলেই শঙ্কা গবেষকদের। এই ব্যাকটেরিয়া থেকে বাঁচতে নিয়মিত ভালভাবে হাত ধোয়া এবং কোন খোলা ক্ষতস্থান থাকলে, তার দ্রুত চিকিৎসা করার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
নিজস্ব সংবাদ : 










