প্রবল শক্তিশালী টাইফুন গেইমি আছড়ে পড়েছে এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশে। বুধবার আঘাত হানা এই টাইফুনের প্রভাবে ফিলিপাইন, তাইওয়ান ও ভিয়েতনামে এখন পর্যন্ত ১৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছে ৩ শতাধিক মানুষ।
ঘূর্ণিঝড়টি বুধবার ফিলিপাইনে আঘাত হানার পর এটি বৃহস্পতিবার তাইওয়ান ও ভিয়েতনাম উপকূল গ্রাস করে। প্রবল টাইফুনের কারণে দেশগু্লোর শত শত ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
শক্তিশালী এই টাইফুনের আঘাতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলা ও আশপাশের বেশ কয়েকটি শহর। এছাড়া রাস্তাঘাটের পাশাপাশি তলিয়ে গেছে ঘরবাড়ি ও গুরুত্বপূর্ণ নানা স্থাপনা। সম্ভাব্য ক্ষতি এড়াতে বন্ধ রাখা হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি দপ্তর। ফিলিপাইনে মৃতের সংখ্যা এখন পর্যন্ত ১৩ জন।
ফিলিপাইন ছাড়াও গেইমি আঘাত হেনেছে জাপানে। দেশটির ওকিনাওয়া ও ইশিগাকা অঞ্চলে ঝড়ের কারণে জারি করা হয়েছে সর্বোচ্চ সতর্কতা। স্থানীয় সময় বুধবার মধ্যরাতে ২৫০ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানে মৌসুমি ঝড়টি। এর প্রভাবে প্লাবিত হয়েছে নিচু এলাকা, আবহাওয়ার পূর্বাভাসে করা ভূমিধস নিয়েও সতর্ক করা হয়েছে। জাপানের ইশিগাকা অঞ্চল থেকে খুব দ্রুত তাইওয়ান প্রণালীর দিকে পৌঁছেছে গেইমি। এরই মধ্যে প্রণালীটিতে অন্তত একজনের মৃত্যু ও ৫৮ জন আহত হয়েছেন।
এদিকে ভয়াবহ জলোচ্ছ্বাসে বেশ কয়েকজন হতাহতের ঘটনা ঘটেছে এশিয়ার আরেক দেশ ভিয়েতনামে। একই অবস্থা দেখা দিয়েছে চীনের গানসু প্রদেশে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাস্তাঘাট ও ঘরবাড়ি। ভেঙে গেছে বেশ কয়েকটি সেতু ও সংযোগ সড়ক। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন বাসিন্দারা। এরমধ্যেই উপকূলীয় অঞ্চলে টাইফুন গেইমি মোকাবিলায় নেওয়া হয়েছে নানা প্রস্তুতি।
ডেস্ক রিপোর্ট 










