সেন্ট মার্টিন-কুয়াকাটা-সুন্দরবন হবে প্লাস্টিক-পলিথিন মুক্ত: পরিবেশ উপদেষ্টা

সেন্ট মার্টিন-কুয়াকাটা-সুন্দরবন হবে প্লাস্টিক-পলিথিন মুক্ত: পরিবেশ উপদেষ্টা

দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন, সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা এবং ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে জরুরিভিত্তিতে একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক ও পলিথিনমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এই পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

মঙ্গলবার (২৭ অগাস্ট) সচিবালয়ে তার অফিস কক্ষে বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংস্থার সাথে অনুষ্ঠিত বৈঠকে পরিবেশ উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এসব কাজে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা ও তরুণদের অংশগ্রহণ একান্ত প্রয়োজন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাই কেবল একটি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ উপহার দিতে পারে।

সংস্থাগুলোর দাবির প্রেক্ষিতে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তার স্বার্থে বন অধিদপ্তরের অর্গানোগ্রামে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বন্যপ্রাণী কর্মকর্তা যুক্ত করার প্রস্তাব বিবেচনা করা হবে। দেশের সাফারি পার্কগুলোর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। বন্যপ্রাণীর জন্য দেশের বিচ্ছিন্ন বনগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নিরাপদ করিডোর নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।’

প্রসঙ্গত, পলিথিন ও পর্যটকদের ফেলে আসা প্লাস্টিক বর্জ্য, পলিথিনে সয়লাব হয় বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য ও জীববৈচিত্র্যময় প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনেও দেখা যায় প্লাস্টিক দূষণ।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

প্লাস্টিক বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের আহ্বান পরিবেশ অধিদপ্তরের

সেন্ট মার্টিন-কুয়াকাটা-সুন্দরবন হবে প্লাস্টিক-পলিথিন মুক্ত: পরিবেশ উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৭:১৭:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৪

দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন, সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা এবং ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে জরুরিভিত্তিতে একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক ও পলিথিনমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এই পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

মঙ্গলবার (২৭ অগাস্ট) সচিবালয়ে তার অফিস কক্ষে বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংস্থার সাথে অনুষ্ঠিত বৈঠকে পরিবেশ উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এসব কাজে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা ও তরুণদের অংশগ্রহণ একান্ত প্রয়োজন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাই কেবল একটি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ উপহার দিতে পারে।

সংস্থাগুলোর দাবির প্রেক্ষিতে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তার স্বার্থে বন অধিদপ্তরের অর্গানোগ্রামে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বন্যপ্রাণী কর্মকর্তা যুক্ত করার প্রস্তাব বিবেচনা করা হবে। দেশের সাফারি পার্কগুলোর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। বন্যপ্রাণীর জন্য দেশের বিচ্ছিন্ন বনগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নিরাপদ করিডোর নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।’

প্রসঙ্গত, পলিথিন ও পর্যটকদের ফেলে আসা প্লাস্টিক বর্জ্য, পলিথিনে সয়লাব হয় বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য ও জীববৈচিত্র্যময় প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনেও দেখা যায় প্লাস্টিক দূষণ।