হাতির বিচরণক্ষেত্রে শুটিং নিয়ে যে প্রশ্ন তুললেন জয়া আহসান

হাতির বিচরণক্ষেত্রে শুটিং নিয়ে যে প্রশ্ন তুললেন জয়া আহসান

শেরপুরের নালিতাবাড়ীর ভারতীয় সীমান্তঘেঁষা গারো পাহাড়ে একটি নতুন চলচ্চিত্রের শুটিং চলাকালীন সময় বন্য হাতির আক্রমণে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। টানা ৯ দিন ধরে চলা এই শুটিংয়ে বুধবার (২৮ মে) সকালে প্রায় ৮-৯টি হাতির একটি দল শুটিং সেটে আক্রমণ চালায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিনেমার অন্যতম অভিনেতা সজল। যেখানে বন্যহাতিসহ অনেক প্রাণীর আনাগোনা রয়েছে।

এদিকে বনের ভেতরে এভাবে শুটিং মোটেও ভালোভাবে নেয়নি দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। তিনি মনে করছেন, এই শুটিংয়ের ফলে বনের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে একটি সংবাদের ফটোকার্ড ফেসবুকে শেয়ার করে জয়া লিখেছেন, ‘এই আরেক উপদ্রব বনের ভেতর। বন বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মন চাইলেই লাইট ক্যামেরা অ্যাকশন শুরু করা যায়?’

জয়ার প্রশ্ন, ‘মাইকের শব্দ, শুটিং টিমের বর্জ্য, গান-বাজনা—এগুলো কি এলাউ (অনুমোদন) করা ঠিক হবে এ রকম একটা সেনসিটিভ জায়গায়?’ জয়ার এমন প্রশ্নের সঙ্গে অনেকেই একমত পোষণ করেছেন। তাঁরাও বলছেন, বনের পরিবেশে শুটিং পশু-পাখিদের আতঙ্কিত করে তোলে।

এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন ও বন বিভাগ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য দেয়নি।

আপলোডকারীর তথ্য

প্লাস্টিক বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের আহ্বান পরিবেশ অধিদপ্তরের

হাতির বিচরণক্ষেত্রে শুটিং নিয়ে যে প্রশ্ন তুললেন জয়া আহসান

আপডেট সময় ০৫:৩৫:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫

শেরপুরের নালিতাবাড়ীর ভারতীয় সীমান্তঘেঁষা গারো পাহাড়ে একটি নতুন চলচ্চিত্রের শুটিং চলাকালীন সময় বন্য হাতির আক্রমণে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। টানা ৯ দিন ধরে চলা এই শুটিংয়ে বুধবার (২৮ মে) সকালে প্রায় ৮-৯টি হাতির একটি দল শুটিং সেটে আক্রমণ চালায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিনেমার অন্যতম অভিনেতা সজল। যেখানে বন্যহাতিসহ অনেক প্রাণীর আনাগোনা রয়েছে।

এদিকে বনের ভেতরে এভাবে শুটিং মোটেও ভালোভাবে নেয়নি দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। তিনি মনে করছেন, এই শুটিংয়ের ফলে বনের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে একটি সংবাদের ফটোকার্ড ফেসবুকে শেয়ার করে জয়া লিখেছেন, ‘এই আরেক উপদ্রব বনের ভেতর। বন বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মন চাইলেই লাইট ক্যামেরা অ্যাকশন শুরু করা যায়?’

জয়ার প্রশ্ন, ‘মাইকের শব্দ, শুটিং টিমের বর্জ্য, গান-বাজনা—এগুলো কি এলাউ (অনুমোদন) করা ঠিক হবে এ রকম একটা সেনসিটিভ জায়গায়?’ জয়ার এমন প্রশ্নের সঙ্গে অনেকেই একমত পোষণ করেছেন। তাঁরাও বলছেন, বনের পরিবেশে শুটিং পশু-পাখিদের আতঙ্কিত করে তোলে।

এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন ও বন বিভাগ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য দেয়নি।