সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু Logo হাম হলে শিশুকে যেসব খাবার খাওয়াবেন Logo ২২০০ পিঁপড়া পাচার চেষ্টায় চীনা নাগরিকের এক বছরের জেল Logo চট্টগ্রামে নিজেই হাসপাতালে এসে ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা নিলো কাক! Logo বাংলাদেশে প্রতি তিন শিশুর মধ্যে এক জন মারাত্মকভাবে জলবায়ু ঝুঁকির মুখে Logo এপ্রিল এখন পর্যন্ত সহনীয়, দেশে এবছরের গ্রীষ্ম কম ভোগাবে আশা আবহাওয়াবিদের   Logo আজ স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo ‘ধান খাওয়ায়’ মেরে ফেলা হলো বাবুই পাখির ২৯ বাচ্চা, এক জনের কারাদণ্ড Logo পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া Logo জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

পরিবেশদূষণ বিরোধী বিশেষ অভিযান চলছে, এখন পর্যন্ত ২৫ কোটি টাকার বেশি জরিমানা, প্রায় ২ লাখ কেজি পলিথিন জব্দ

পরিবেশদূষণ বিরোধী বিশেষ অভিযান চলছে, এখন পর্যন্ত ২৫ কোটি টাকার বেশি জরিমানা, প্রায় ২ লাখ কেজি পলিথিন জব্দ

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে পরিবেশ অধিদপ্তর সারা দেশে পরিবেশদূষণ বিরোধী অভিযান চালিয়ে আসছে। এবছরের ২ জানুয়ারি থেকে শুরু করে সর্বশেষ ১৫ মে পর্যন্ত মোট ৯১৯টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে। চলমান অভিযানে কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহন, অবৈধ ইটভাটা, বায়ুদূষণকারী স্টিল মিল, শব্দ দূষণ, ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য, সীসা/ব্যাটারি কারখানা, জলাশয় ভরাট, টায়ার পাইরোলাইসিস, চারকোল কারখানা ও খোলা জায়গায় নির্মাণ সামগ্রী রেখে বায়ুদূষণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই সময়ে ২ হাজার ১৩৬টি মামলার মাধ্যমে ২৫ কোটি ৬ লাখ ৯৩ হাজার ২০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে:  

“এসব অভিযানে ৪৭১টি ইটভাটার চিমনি ভেঙে ফেলা হয় এবং কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া হয়। ২১৬টি ইটভাটাকে বন্ধ করতে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়। ১৩০টি ইটভাটার কাঁচা ইট ধ্বংস করা হয়। এছাড়া ৪টি প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ ও অন্যান্য সেবা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। ১ জনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ৬টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে ৮টি ট্রাকে থাকা সীসা/ব্যাটারী গলানোর যন্ত্রপাতি জব্দ করা হয় এবং কারখানাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।

 

এছাড়াও, গত ০৩ নভেম্বর ২০২৪ হতে এ পর্যন্ত সমগ্র বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন উৎপাদন, বিক্রয়, সরবরাহ ও বাজারজাত করার দায়ে ৩৯৬টি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে ৭৩৮টি প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৫৯ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩ শত টাকা জরিমানা ধার্যপূর্বক আদায়সহ আনুমানিক ১ লক্ষ ৯৬ হাজার ৫১৫ কেজি নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন জব্দ করা হয়।

 

সর্বশেষ গত ১৫ মে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা উৎপাদনের মাধ্যমে বায়ুদূষণের দায়ে বায়ু দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা-২০২২ অনুসারে ঢাকার আদাবর ও মোহাম্মদপুরসহ রাজবাড়ী ও ঝালকাঠি জেলায় ৪টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৪টি মামলায় ২ লাখ ২২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

একই দিনে ফরিদপুর জেলায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ১টি মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয় এবং ২টি মামলায় ২ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। কালো ধোঁয়া নির্গমনের অভিযোগে ঢাকার মিরপুর-১ এলাকায় ১টি মোবাইল কোর্ট ৪টি মামলায় ১১ হাজার টাকা জরিমানা করে।

 

এছাড়া বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০) এর ৬(ক) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে গাজীপুর জেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন উৎপাদন, বিক্রয়, সরবরাহ ও বাজারজাত করার অপরাধে ১টি মোবাইল কোর্ট ৯টি মামলা করে এবং ৩৫ কেজি পলিথিন জব্দ করে। একইসাথে বিভিন্ন সুপারশপ ও দোকান মালিকসহ সাধারণ জনগণকে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়।

 

পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক দূষণবিরোধী এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু

পরিবেশদূষণ বিরোধী বিশেষ অভিযান চলছে, এখন পর্যন্ত ২৫ কোটি টাকার বেশি জরিমানা, প্রায় ২ লাখ কেজি পলিথিন জব্দ

আপডেট সময় ০৬:৪৪:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে পরিবেশ অধিদপ্তর সারা দেশে পরিবেশদূষণ বিরোধী অভিযান চালিয়ে আসছে। এবছরের ২ জানুয়ারি থেকে শুরু করে সর্বশেষ ১৫ মে পর্যন্ত মোট ৯১৯টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে। চলমান অভিযানে কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহন, অবৈধ ইটভাটা, বায়ুদূষণকারী স্টিল মিল, শব্দ দূষণ, ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য, সীসা/ব্যাটারি কারখানা, জলাশয় ভরাট, টায়ার পাইরোলাইসিস, চারকোল কারখানা ও খোলা জায়গায় নির্মাণ সামগ্রী রেখে বায়ুদূষণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই সময়ে ২ হাজার ১৩৬টি মামলার মাধ্যমে ২৫ কোটি ৬ লাখ ৯৩ হাজার ২০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে:  

“এসব অভিযানে ৪৭১টি ইটভাটার চিমনি ভেঙে ফেলা হয় এবং কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া হয়। ২১৬টি ইটভাটাকে বন্ধ করতে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়। ১৩০টি ইটভাটার কাঁচা ইট ধ্বংস করা হয়। এছাড়া ৪টি প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ ও অন্যান্য সেবা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। ১ জনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ৬টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে ৮টি ট্রাকে থাকা সীসা/ব্যাটারী গলানোর যন্ত্রপাতি জব্দ করা হয় এবং কারখানাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।

 

এছাড়াও, গত ০৩ নভেম্বর ২০২৪ হতে এ পর্যন্ত সমগ্র বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন উৎপাদন, বিক্রয়, সরবরাহ ও বাজারজাত করার দায়ে ৩৯৬টি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে ৭৩৮টি প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৫৯ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩ শত টাকা জরিমানা ধার্যপূর্বক আদায়সহ আনুমানিক ১ লক্ষ ৯৬ হাজার ৫১৫ কেজি নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন জব্দ করা হয়।

 

সর্বশেষ গত ১৫ মে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা উৎপাদনের মাধ্যমে বায়ুদূষণের দায়ে বায়ু দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা-২০২২ অনুসারে ঢাকার আদাবর ও মোহাম্মদপুরসহ রাজবাড়ী ও ঝালকাঠি জেলায় ৪টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৪টি মামলায় ২ লাখ ২২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

একই দিনে ফরিদপুর জেলায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ১টি মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয় এবং ২টি মামলায় ২ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। কালো ধোঁয়া নির্গমনের অভিযোগে ঢাকার মিরপুর-১ এলাকায় ১টি মোবাইল কোর্ট ৪টি মামলায় ১১ হাজার টাকা জরিমানা করে।

 

এছাড়া বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০) এর ৬(ক) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে গাজীপুর জেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন উৎপাদন, বিক্রয়, সরবরাহ ও বাজারজাত করার অপরাধে ১টি মোবাইল কোর্ট ৯টি মামলা করে এবং ৩৫ কেজি পলিথিন জব্দ করে। একইসাথে বিভিন্ন সুপারশপ ও দোকান মালিকসহ সাধারণ জনগণকে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়।

 

পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক দূষণবিরোধী এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”