সংবাদ শিরোনাম ::

২২০০ পিঁপড়া পাচার চেষ্টায় চীনা নাগরিকের এক বছরের জেল

২২০০ পিঁপড়া পাচার চেষ্টায় চীনা নাগরিকের এক বছরের জেল

২২০০ টি জীবিত পিঁপড়া পাচারের চেষ্টা করায় এক চীনা নাগরিককে এক বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ শিলিং (প্রায় ৭,৭৪৬ ডলার) জরিমানা করেছে কেনিয়ার একটি আদালত।

মামলা সংশ্লিষ্ট সরকারি পক্ষের আইনজীবী বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে পিঁপড়া পাচারের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় কঠোর শাস্তি দেওয়া প্রয়োজন, যাতে এটি প্রতিরোধে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা যায়।

এ ধরনের পাচারের পেছনে রয়েছে চীনের মতো কিছু বাজার। তারা স্বচ্ছ পাত্র তৈরি করে সেখানে পিঁপড়া রাখে। এর মাধ্যমে তারা পিঁপড়ার সামাজিক গঠন ও আচরণ পর্যবেক্ষণ করে এবং এ জন্য বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করে।

গ্রেপ্তার চীনা নাগরিকের নাম ঝ্যাং কেকুন। গত মাসে নাইরোবির প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর লাগেজ থেকে ২ হাজার ২০০টিরও বেশি জীবিত পিঁপড়া জব্দ করা হয়।

ঝ্যাংয়ের আইনজীবী জানিয়েছেন, এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে। শুরুতে তিনি জীবিত বন্যপ্রাণী বেচাকেনাসহ বিভিন্ন অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরে দোষ স্বীকার করেন।

বিচারক আইরিন গিচোবি বলেন, বিপুল পরিমাণে পিঁপড়া সংগ্রহের ফলে পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, তাই এমন অপরাধ রোধে কঠোর ব্যবস্থা জরুরি।

এ ঘটনায় কেনিয়ার চার্লস মুওয়াঙ্গি নামের এক ব্যক্তিকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে, যিনি ঝ্যাংকে পিঁপড়া সরবরাহ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে জামিনে রয়েছেন।

এর আগে গত বছরও চারজনকে হাজার হাজার পিঁপড়া পাচারের চেষ্টার দায়ে একই অঙ্কের জরিমানা করা হয়। বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা তখন বলেন, হাতির দাঁতের মতো প্রচলিত ট্রফির বাইরে এখন কম পরিচিত প্রাণীর দিকেও বায়োপাইরেসি বিস্তৃত হচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

মাদারীপুর থেকে প্রায় বিলুপ্ত একটি গ্রে ঈগল আহত অবস্থায় উদ্ধার

২২০০ পিঁপড়া পাচার চেষ্টায় চীনা নাগরিকের এক বছরের জেল

আপডেট সময় ০৫:০৯:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

২২০০ টি জীবিত পিঁপড়া পাচারের চেষ্টা করায় এক চীনা নাগরিককে এক বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ শিলিং (প্রায় ৭,৭৪৬ ডলার) জরিমানা করেছে কেনিয়ার একটি আদালত।

মামলা সংশ্লিষ্ট সরকারি পক্ষের আইনজীবী বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে পিঁপড়া পাচারের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় কঠোর শাস্তি দেওয়া প্রয়োজন, যাতে এটি প্রতিরোধে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা যায়।

এ ধরনের পাচারের পেছনে রয়েছে চীনের মতো কিছু বাজার। তারা স্বচ্ছ পাত্র তৈরি করে সেখানে পিঁপড়া রাখে। এর মাধ্যমে তারা পিঁপড়ার সামাজিক গঠন ও আচরণ পর্যবেক্ষণ করে এবং এ জন্য বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করে।

গ্রেপ্তার চীনা নাগরিকের নাম ঝ্যাং কেকুন। গত মাসে নাইরোবির প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর লাগেজ থেকে ২ হাজার ২০০টিরও বেশি জীবিত পিঁপড়া জব্দ করা হয়।

ঝ্যাংয়ের আইনজীবী জানিয়েছেন, এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে। শুরুতে তিনি জীবিত বন্যপ্রাণী বেচাকেনাসহ বিভিন্ন অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরে দোষ স্বীকার করেন।

বিচারক আইরিন গিচোবি বলেন, বিপুল পরিমাণে পিঁপড়া সংগ্রহের ফলে পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, তাই এমন অপরাধ রোধে কঠোর ব্যবস্থা জরুরি।

এ ঘটনায় কেনিয়ার চার্লস মুওয়াঙ্গি নামের এক ব্যক্তিকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে, যিনি ঝ্যাংকে পিঁপড়া সরবরাহ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে জামিনে রয়েছেন।

এর আগে গত বছরও চারজনকে হাজার হাজার পিঁপড়া পাচারের চেষ্টার দায়ে একই অঙ্কের জরিমানা করা হয়। বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা তখন বলেন, হাতির দাঁতের মতো প্রচলিত ট্রফির বাইরে এখন কম পরিচিত প্রাণীর দিকেও বায়োপাইরেসি বিস্তৃত হচ্ছে।