সংবাদ শিরোনাম ::

মোদিকে মমতার চিঠি – ‘বাংলাদেশের সঙ্গে তিস্তার পানি বণ্টন অসম্ভব’

সোমবার (২৪ জুন) মোদিকে লেখা ওই চিঠিতে মমতা লিখেছেন, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মানুষকে বঞ্চিত করে বাংলাদেশকে তিস্তার পানি  দেওয়া যাবে না। রাজ্যের উত্তরাঞ্চলের মানুষের সেচ ও খাওয়ার জন্য পানির প্রয়োজন। বাংলাদেশের সঙ্গে পানি ভাগাভাগি করা হলে উত্তরবঙ্গের লাখ লাখ মানুষ সেচের পানির অপর্যাপ্ততার কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কারণ তিস্তায় পানির প্রবাহ  কমে গেছে বছরের পর বছর ধরে।

মমতা লিখেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভৌগলিক, সাংস্কৃতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। বাংলাদেশের মানুষের প্রতি সব সময়ই আমি শ্রদ্ধাশীল এবং সব সময় তাদের সম্বৃদ্ধির জন্য কামনা করি। অতীতেও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বাংলাদেশের সঙ্গে অনেক বিষয়ে সাহায্য করেছে। ভারত–বাংলাদেশ ছিটমহল বিনিময়, ইন্দো–বাংলাদেশ রেললাইন এবং বাস সার্ভিস এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এবং এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্বৃদ্ধির অজর্নের মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।

চিঠিতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে গঙ্গা এবং তিস্তা নদীর পানিবণ্টনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু রাজ্য সরকারের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। পানি অত্যন্ত মূল্যবান এবং মানুষের জীবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। মানুষের ওপর সরাসরি এবং মারাত্মক প্রভাব ফেলতে এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে  আমরা ছাড় দিতে পারি না। এ ধরনের চুক্তির ফলে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের ওপর সবচেয়ে খারাপ প্রভাব পড়বে ।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারীপুর থেকে প্রায় বিলুপ্ত একটি গ্রে ঈগল আহত অবস্থায় উদ্ধার

মোদিকে মমতার চিঠি – ‘বাংলাদেশের সঙ্গে তিস্তার পানি বণ্টন অসম্ভব’

আপডেট সময় ০৫:০৪:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪
সোমবার (২৪ জুন) মোদিকে লেখা ওই চিঠিতে মমতা লিখেছেন, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মানুষকে বঞ্চিত করে বাংলাদেশকে তিস্তার পানি  দেওয়া যাবে না। রাজ্যের উত্তরাঞ্চলের মানুষের সেচ ও খাওয়ার জন্য পানির প্রয়োজন। বাংলাদেশের সঙ্গে পানি ভাগাভাগি করা হলে উত্তরবঙ্গের লাখ লাখ মানুষ সেচের পানির অপর্যাপ্ততার কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কারণ তিস্তায় পানির প্রবাহ  কমে গেছে বছরের পর বছর ধরে।

মমতা লিখেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভৌগলিক, সাংস্কৃতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। বাংলাদেশের মানুষের প্রতি সব সময়ই আমি শ্রদ্ধাশীল এবং সব সময় তাদের সম্বৃদ্ধির জন্য কামনা করি। অতীতেও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বাংলাদেশের সঙ্গে অনেক বিষয়ে সাহায্য করেছে। ভারত–বাংলাদেশ ছিটমহল বিনিময়, ইন্দো–বাংলাদেশ রেললাইন এবং বাস সার্ভিস এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এবং এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্বৃদ্ধির অজর্নের মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।

চিঠিতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে গঙ্গা এবং তিস্তা নদীর পানিবণ্টনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু রাজ্য সরকারের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। পানি অত্যন্ত মূল্যবান এবং মানুষের জীবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। মানুষের ওপর সরাসরি এবং মারাত্মক প্রভাব ফেলতে এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে  আমরা ছাড় দিতে পারি না। এ ধরনের চুক্তির ফলে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের ওপর সবচেয়ে খারাপ প্রভাব পড়বে ।