সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু Logo হাম হলে শিশুকে যেসব খাবার খাওয়াবেন Logo ২২০০ পিঁপড়া পাচার চেষ্টায় চীনা নাগরিকের এক বছরের জেল Logo চট্টগ্রামে নিজেই হাসপাতালে এসে ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা নিলো কাক! Logo বাংলাদেশে প্রতি তিন শিশুর মধ্যে এক জন মারাত্মকভাবে জলবায়ু ঝুঁকির মুখে Logo এপ্রিল এখন পর্যন্ত সহনীয়, দেশে এবছরের গ্রীষ্ম কম ভোগাবে আশা আবহাওয়াবিদের   Logo আজ স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo ‘ধান খাওয়ায়’ মেরে ফেলা হলো বাবুই পাখির ২৯ বাচ্চা, এক জনের কারাদণ্ড Logo পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া Logo জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

অতিরিক্ত পলিতে তিস্তা নদীর তলদেশ ভরাট

আকর্ষিক বন্যার কারণে গত বর্ষায় তিস্তা নদীর পানি স্রোতে জল নয়, এসেছে শুধু কাদামাটি। সেই কাদামাটি এখন জমে গিয়ে তিস্তায় বিশাল বিশাল চর জেগেছে। তিস্তা নদীতে এখন বালুর আস্তরণের পরিবর্তে পলিমাটির আস্তরণ পড়েছে। যার পুরো সুবিধা পাচ্ছে তিস্তা পাড়ের কৃষকরা। তারা নানা জাতের ফসল ফলাচ্ছে। সেই তিস্তা পাড়ের মানুষ বর্ষা মৌসুমের আগমনকে ভয় পাচ্ছে। তিস্তা পলি পড়ে গভীরতা হারিয়ে ফেলেছে। উজানে ভারত থেকে আসা পানির কারণে লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। চলতি বন্যা মৌসুমে তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে একদিনও বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। তারপরও পানিতে ভাসছে তিস্তা পাড়ের পাঁচ জেলার মানুষ। এর কারণ কী হতে পারে তা নিয়ে নদী পাড়ের মানুষের মাঝে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এসব প্রশ্নের উত্তরে পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, গত বছর অতিরিক্ত পলি এসে নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ায় এমনটা হচ্ছে। ফলে অল্প পানিতেই বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে।

ভারতের রিভার রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (আরআরআই) তিস্তা নদীর গতিপথ বদলানো নিয়ে সমীক্ষা করেছে। গত বছরের ৪ অক্টোবর ভারতের সিকিমে প্রাকৃতিক বিপর্যয় হয়। জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বাঁধ ভেঙে যায়। সিকিমের সাউথ লোনাক হ্রদের পানি উপচে এসে পড়ে তিস্তা নদীতে ভয়ঙ্কর আকস্মিক বন্যা নেমে এসেছিল। এতে তিস্তা নদীর একাধিক জায়গায় গতিপথ বদলে ফেলে প্রবাহিত হয়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সমতলের কয়েক জায়গায় তিস্তা গতিপথ পাল্টেছে। রাজ্য সেচ দপ্তরের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েছে। ভাটির জেলা লালমনিরহাটে সেই বন্যায় সরকারিভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এক হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। ৪ অক্টোবরের হরকা ঢলের আগেকার তথ্যের সঙ্গে বর্তমান তথ্য মিলিয়ে দেখা গেছে, তিস্তা নদীর গতিপথের কিছু জায়গায় গরমিল। সুস্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে, তিস্তা নদী গতিপথ বদলে ফেলেছে। এদিকে তিস্তা নদীর সিকিম বিপর্যয়ের প্রভাবে ভাটির দেশ বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের রংপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলায় তিস্তা নদীর ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। প্রধান পরিবর্তন তিস্তা নদীতে ৫-৭ ফিট করে পলি পড়েছে। তিস্তা নদীর কোথাও এখন আর গভীরতা নেই। তিস্তা নদী এখন পুরোপরি নাব্য সংকটে পড়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের অক্টোবরে ভারতের একটি বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায়  একদিনে ১ লাখ ৪০ হাজার কিউসেকের বেশি পানি প্রবেশ করেছে তিস্তার বাংলাদেশ অংশে। গত বছরের ৪ অক্টোবর পানি এসেছে ৮৭ হাজার কিউসেক। ওইদিন রংপুরের ৫ জেলায় রেড এলাট জারি করা হয়েছিল। প্রবল স্রোতে বাংলাদেশে ভেসে এসেছে ৬টি লাশ। রংপুর, লালমনিরহাট ও গাইবান্ধা এলাকায় এসব লাশ উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও বড় বড় মাছও ভেসে এসেছে। এত বড় মাছ এর আগে তিস্তা পাড়ের মানুষ দেখেনি। বেশ কিছু গাছও ভেসে আসতে দেখা গেছে। এছাড়া এসেছে লাখ লাখ টন পলি। এই পলিই বিপত্তি ঘটাচ্ছে এবার।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এমনিতেই প্রতিবছর উজান থেকে ২ কোটি টনের বেশি পলি নদীতে প্রবেশ করায় পানির স্তর কমে যাচ্ছে। গত বছরের প্রবল স্রোতে পলি এসেছে দুই কোটি মেট্রিক টনের ওপর। ফলে তিস্তার তলদেশ অনেকটা ভরাট হয়ে গেছে। ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম না করলেও চলতি মৌসুমে দুই দফা বন্যায় ভেসেছে তিস্তা পাড়ের মানুষ। পানি বৃদ্ধির ফলে ক্ষেতের ফসল, বসতভিটা, রাস্তাসহ বিভিন্ন অবকাঠামোন ক্ষতি হয়েছে।

এদিকে, পলি জমে চর জেগে উঠায় কাউনিয়া পয়েন্টেও বিপৎসীমা পরিবর্তন করা হয়েছে। ওই পয়েন্টে কয়েকদিন আগেও বিপৎসীমা ধরা হয়েছিল ২৮ দশমিক ৭৫ সেন্টিমিটার। সেটা বাড়িয়ে  কাউনিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ধরা হয়েছে ২৯ দশমিক ৩১ সেন্টিমিটার। ৫৬ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি করে বিপৎসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর কারণও ওই পয়েন্টেও পলি জমে নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়া। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, গত বছরের অক্টোবরে ভারতে বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিপুল পরিমাণ পানি বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। ওই সময়ে ভেসে আসা পলিতে নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি বিপৎসীমা অতিক্রম না করলেও বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে।  তিনি আরও বলেন, প্রতিবছর তিস্তায় দুই কোটি মেট্রিক টন পলি আসে। গত বছর এর পরিমাণ বেশি ছিল।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রবিউল ইসলাম জানান, তিস্তা নিয়ে আপাতত কোনো বৃহৎ পরিকল্পনা নেই। তিস্তার কিছু বাঁধ সংস্কার করা হয়েছে। কিছু বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। বাঁধের ভিতরেও কিছু মানুষের বসবাস রয়েছে। তিস্তা ক্ষেপাটে নদী। প্রধান কোনো চ্যানেল নেই। একাধিক চ্যানেলে প্রবাহিত হয়। বর্ষায় সব চ্যানেল মিলেমিশে একাকার হয়ে ভয়াল রূপ ধারণ করে।

তিস্তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে ও অর্থনৈতিক গুরুত্ববহ করতে হলে তিস্তায় সব চ্যানেলকে এক ধারায় নিয়ে আসতে হবে। তিস্তা মহাপরিকল্পা হতে পারে সেই পরিকল্পার বাস্তবায়নের একমাত্র উপায়। আপাতত বর্ষায় তিস্তা নদীতে বন্যায় আগাম কোনো প্রস্তুতি নেই।

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু

অতিরিক্ত পলিতে তিস্তা নদীর তলদেশ ভরাট

আপডেট সময় ০৬:৪৪:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪

আকর্ষিক বন্যার কারণে গত বর্ষায় তিস্তা নদীর পানি স্রোতে জল নয়, এসেছে শুধু কাদামাটি। সেই কাদামাটি এখন জমে গিয়ে তিস্তায় বিশাল বিশাল চর জেগেছে। তিস্তা নদীতে এখন বালুর আস্তরণের পরিবর্তে পলিমাটির আস্তরণ পড়েছে। যার পুরো সুবিধা পাচ্ছে তিস্তা পাড়ের কৃষকরা। তারা নানা জাতের ফসল ফলাচ্ছে। সেই তিস্তা পাড়ের মানুষ বর্ষা মৌসুমের আগমনকে ভয় পাচ্ছে। তিস্তা পলি পড়ে গভীরতা হারিয়ে ফেলেছে। উজানে ভারত থেকে আসা পানির কারণে লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। চলতি বন্যা মৌসুমে তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে একদিনও বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। তারপরও পানিতে ভাসছে তিস্তা পাড়ের পাঁচ জেলার মানুষ। এর কারণ কী হতে পারে তা নিয়ে নদী পাড়ের মানুষের মাঝে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এসব প্রশ্নের উত্তরে পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, গত বছর অতিরিক্ত পলি এসে নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ায় এমনটা হচ্ছে। ফলে অল্প পানিতেই বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে।

ভারতের রিভার রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (আরআরআই) তিস্তা নদীর গতিপথ বদলানো নিয়ে সমীক্ষা করেছে। গত বছরের ৪ অক্টোবর ভারতের সিকিমে প্রাকৃতিক বিপর্যয় হয়। জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বাঁধ ভেঙে যায়। সিকিমের সাউথ লোনাক হ্রদের পানি উপচে এসে পড়ে তিস্তা নদীতে ভয়ঙ্কর আকস্মিক বন্যা নেমে এসেছিল। এতে তিস্তা নদীর একাধিক জায়গায় গতিপথ বদলে ফেলে প্রবাহিত হয়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সমতলের কয়েক জায়গায় তিস্তা গতিপথ পাল্টেছে। রাজ্য সেচ দপ্তরের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েছে। ভাটির জেলা লালমনিরহাটে সেই বন্যায় সরকারিভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এক হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। ৪ অক্টোবরের হরকা ঢলের আগেকার তথ্যের সঙ্গে বর্তমান তথ্য মিলিয়ে দেখা গেছে, তিস্তা নদীর গতিপথের কিছু জায়গায় গরমিল। সুস্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে, তিস্তা নদী গতিপথ বদলে ফেলেছে। এদিকে তিস্তা নদীর সিকিম বিপর্যয়ের প্রভাবে ভাটির দেশ বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের রংপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলায় তিস্তা নদীর ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। প্রধান পরিবর্তন তিস্তা নদীতে ৫-৭ ফিট করে পলি পড়েছে। তিস্তা নদীর কোথাও এখন আর গভীরতা নেই। তিস্তা নদী এখন পুরোপরি নাব্য সংকটে পড়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের অক্টোবরে ভারতের একটি বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায়  একদিনে ১ লাখ ৪০ হাজার কিউসেকের বেশি পানি প্রবেশ করেছে তিস্তার বাংলাদেশ অংশে। গত বছরের ৪ অক্টোবর পানি এসেছে ৮৭ হাজার কিউসেক। ওইদিন রংপুরের ৫ জেলায় রেড এলাট জারি করা হয়েছিল। প্রবল স্রোতে বাংলাদেশে ভেসে এসেছে ৬টি লাশ। রংপুর, লালমনিরহাট ও গাইবান্ধা এলাকায় এসব লাশ উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও বড় বড় মাছও ভেসে এসেছে। এত বড় মাছ এর আগে তিস্তা পাড়ের মানুষ দেখেনি। বেশ কিছু গাছও ভেসে আসতে দেখা গেছে। এছাড়া এসেছে লাখ লাখ টন পলি। এই পলিই বিপত্তি ঘটাচ্ছে এবার।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এমনিতেই প্রতিবছর উজান থেকে ২ কোটি টনের বেশি পলি নদীতে প্রবেশ করায় পানির স্তর কমে যাচ্ছে। গত বছরের প্রবল স্রোতে পলি এসেছে দুই কোটি মেট্রিক টনের ওপর। ফলে তিস্তার তলদেশ অনেকটা ভরাট হয়ে গেছে। ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম না করলেও চলতি মৌসুমে দুই দফা বন্যায় ভেসেছে তিস্তা পাড়ের মানুষ। পানি বৃদ্ধির ফলে ক্ষেতের ফসল, বসতভিটা, রাস্তাসহ বিভিন্ন অবকাঠামোন ক্ষতি হয়েছে।

এদিকে, পলি জমে চর জেগে উঠায় কাউনিয়া পয়েন্টেও বিপৎসীমা পরিবর্তন করা হয়েছে। ওই পয়েন্টে কয়েকদিন আগেও বিপৎসীমা ধরা হয়েছিল ২৮ দশমিক ৭৫ সেন্টিমিটার। সেটা বাড়িয়ে  কাউনিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ধরা হয়েছে ২৯ দশমিক ৩১ সেন্টিমিটার। ৫৬ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি করে বিপৎসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর কারণও ওই পয়েন্টেও পলি জমে নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়া। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, গত বছরের অক্টোবরে ভারতে বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিপুল পরিমাণ পানি বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। ওই সময়ে ভেসে আসা পলিতে নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি বিপৎসীমা অতিক্রম না করলেও বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে।  তিনি আরও বলেন, প্রতিবছর তিস্তায় দুই কোটি মেট্রিক টন পলি আসে। গত বছর এর পরিমাণ বেশি ছিল।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রবিউল ইসলাম জানান, তিস্তা নিয়ে আপাতত কোনো বৃহৎ পরিকল্পনা নেই। তিস্তার কিছু বাঁধ সংস্কার করা হয়েছে। কিছু বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। বাঁধের ভিতরেও কিছু মানুষের বসবাস রয়েছে। তিস্তা ক্ষেপাটে নদী। প্রধান কোনো চ্যানেল নেই। একাধিক চ্যানেলে প্রবাহিত হয়। বর্ষায় সব চ্যানেল মিলেমিশে একাকার হয়ে ভয়াল রূপ ধারণ করে।

তিস্তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে ও অর্থনৈতিক গুরুত্ববহ করতে হলে তিস্তায় সব চ্যানেলকে এক ধারায় নিয়ে আসতে হবে। তিস্তা মহাপরিকল্পা হতে পারে সেই পরিকল্পার বাস্তবায়নের একমাত্র উপায়। আপাতত বর্ষায় তিস্তা নদীতে বন্যায় আগাম কোনো প্রস্তুতি নেই।