যুক্তরাষ্ট্রে আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট ও ডেমোক্র্যাটদলীয় প্রার্থী জো বাইডেন। ৮১ বছর বয়সী বাইডেনের নির্বাচনে লড়ার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন জাগছিল গত বছর থেকেই। একের পর ভুলভাল কথা, নেতাদের নাম ভুলে যাওয়া, হোঁচট খাওয়া নিয়ে চলছিল কানাঘুষা। এর মধ্যেই নির্বাচনী বিতর্কে প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে হেরে যান বাইডেন। সেদিনও কথা আটকে যাচ্ছিল তার। তবুও বাইডেন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়বেন এবং ঈশ্বর ছাড়া কেউ তাকে ঠেকাতে পারবে না এমন জেদ করছিলেন। এরই মধ্যে হোয়াইট হাউজ জানায়, বাইডেন তৃতীয়বারের মতো করোনায় আক্রান্ত। এরপরই ঘোষণা আসে, বাইডেন আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের লড়াই থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
বাইডেনের এই সরে দাঁড়ানোয় ডেমোক্র্যাটদের হয়ে তাহলে কে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়বেন এই নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা। তবে ধারণা করা হচ্ছে, এবার ডেমোক্র্যাটদের দলীয় মনোনয়ন পেয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে টক্কর দেবেন কমলা হ্যারিস, যিনি বাইডেন সরকারের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বে আছেন।
আগামী ১৯ আগস্ট ডেমোক্র্যাট দলের জাতীয় সম্মেলনে নতুন প্রার্থী কে হচ্ছেন তা জানা যাবে। তবে ধারণা করা হচ্ছে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে কমলা হ্যারিস মনোনয়ন পেতে পারেন। কমলাকে জোরালো সমর্থন দিয়েছেন বাইডেন স্বয়ং। এছাড়াও সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনসহ দলের অনেক সিনিয়র নেতারা কমলাকে সমর্থন দিয়েছেন। সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা কমলা হ্যারিসকে সরাসরি সমর্থন না দিলেও মৌনভাবে তিনিও ইতিবাচক কমলার ব্যাপারে।
প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে থাকা কমলা হ্যারিস এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, প্রেসিডেন্ট পদে লড়তে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন তিনিই পাবেন।
এদিকে প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণ হিসেবে বাইডেন বলেছেন, দেশের স্বার্থে তিনি প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স পোস্টে বাইডেন বলেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি বাকী মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবেন এবং কীভাবে সুন্দরভাবে দায়িত্ব সমাপ্ত করা যায় সেদিকেই তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন।
নিজস্ব সংবাদ : 




















