হারিকেন হেলেন: যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত নিহত ৯০

হারিকেন হেলেন: যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত নিহত ৯০

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণপূর্বাঞ্চলে তাণ্ডব চালিয়েছে হারিকেন হেলেন। নর্থ ক্যারোলাইনা, সাউথ ক্যারোলাইনা, জর্জিয়া, ফ্লোরিডা, টেনেসি ও ভার্জিনিয়ায় হারিকেন হেলেনের প্রভাবে সৃষ্ট প্রবল ঝড়বৃষ্টিতে অন্তত ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে স্থানীয় ও অঙ্গরাজ্যগুলোর কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, জানিয়েছে রয়টার্স।ওই অঞ্চলজুড়ে মোবাইল ফোনের টাওয়ারগুলো অকেজো হয়ে থাকায় শত শত মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন। তাদের অনেকেই নিখোঁজ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এছাড়া লক্ষাধিক মানুষ বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায়। ঝড়ের পরবর্তী বন্যা ও ভূমিধসের কারণে বিঘ্নিত হচ্ছে উদ্ধার তৎপরতা। এর ফলে মানবেতর অবস্থায় দিন পার করছেন হাজার হাজার মানুষ।

নর্থ ক্যারোলাইনার গভর্নর রয় কুপার মার্কিন সংবাদমাধ্যম  সিএনএনকে বলেছেন, “এটি একটি ধ্বংসাত্মক বিপর্যয়। আমি নর্থ ক্যারোলাইনার পশ্চিমাঞ্চলের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা জানিয়েছেন, তারা এমনকিছু এর আগে কখনো দেখেননি।”

গত বৃহস্পতিবার রাতে ফ্লোরিডার বিগ বেন্ড এলাকায় ঘণ্টায় ২২৫ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানে ৪ মাত্রা ক্যাটাগরির এই ঘূর্ণিঝড়। এরপর সেটি জর্জিয়া, ক্যারোলিনা এবং টেনেসির দিকে অগ্রসর হয়। এর প্রভাবে সেসব অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিতে নদী-খাল প্লাবিত হয়ে বন্যার সৃষ্টি হয়। পশ্চিমাঞ্চলীয় উত্তর ক্যারোলিনায় রাস্তা ও আন্তঃরাজ্য মহাসড়ক বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে অঞ্চলটি।

ইন্স্যুরেন্স ও পূর্বাভাসদানকারীরা জানিয়েছেন, হেলেনে সামগ্রিক ক্ষয়ক্ষতির আর্থিক মূল্য দেড় হাজার কোটি ডলার থেকে ১০ হাজার কোটি ডলারেরও বেশি হতে পারে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন হেলেনের ধ্বংসযজ্ঞকে ‘অতিমাত্রায় বিধ্বংসী’ বলে অভিহিত করেছেন এবং নর্থ ক্যারোলিনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

প্লাস্টিক বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের আহ্বান পরিবেশ অধিদপ্তরের

হারিকেন হেলেন: যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত নিহত ৯০

আপডেট সময় ০৩:২৫:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণপূর্বাঞ্চলে তাণ্ডব চালিয়েছে হারিকেন হেলেন। নর্থ ক্যারোলাইনা, সাউথ ক্যারোলাইনা, জর্জিয়া, ফ্লোরিডা, টেনেসি ও ভার্জিনিয়ায় হারিকেন হেলেনের প্রভাবে সৃষ্ট প্রবল ঝড়বৃষ্টিতে অন্তত ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে স্থানীয় ও অঙ্গরাজ্যগুলোর কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, জানিয়েছে রয়টার্স।ওই অঞ্চলজুড়ে মোবাইল ফোনের টাওয়ারগুলো অকেজো হয়ে থাকায় শত শত মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন। তাদের অনেকেই নিখোঁজ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এছাড়া লক্ষাধিক মানুষ বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায়। ঝড়ের পরবর্তী বন্যা ও ভূমিধসের কারণে বিঘ্নিত হচ্ছে উদ্ধার তৎপরতা। এর ফলে মানবেতর অবস্থায় দিন পার করছেন হাজার হাজার মানুষ।

নর্থ ক্যারোলাইনার গভর্নর রয় কুপার মার্কিন সংবাদমাধ্যম  সিএনএনকে বলেছেন, “এটি একটি ধ্বংসাত্মক বিপর্যয়। আমি নর্থ ক্যারোলাইনার পশ্চিমাঞ্চলের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা জানিয়েছেন, তারা এমনকিছু এর আগে কখনো দেখেননি।”

গত বৃহস্পতিবার রাতে ফ্লোরিডার বিগ বেন্ড এলাকায় ঘণ্টায় ২২৫ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানে ৪ মাত্রা ক্যাটাগরির এই ঘূর্ণিঝড়। এরপর সেটি জর্জিয়া, ক্যারোলিনা এবং টেনেসির দিকে অগ্রসর হয়। এর প্রভাবে সেসব অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিতে নদী-খাল প্লাবিত হয়ে বন্যার সৃষ্টি হয়। পশ্চিমাঞ্চলীয় উত্তর ক্যারোলিনায় রাস্তা ও আন্তঃরাজ্য মহাসড়ক বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে অঞ্চলটি।

ইন্স্যুরেন্স ও পূর্বাভাসদানকারীরা জানিয়েছেন, হেলেনে সামগ্রিক ক্ষয়ক্ষতির আর্থিক মূল্য দেড় হাজার কোটি ডলার থেকে ১০ হাজার কোটি ডলারেরও বেশি হতে পারে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন হেলেনের ধ্বংসযজ্ঞকে ‘অতিমাত্রায় বিধ্বংসী’ বলে অভিহিত করেছেন এবং নর্থ ক্যারোলিনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন।